ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন Logo মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী Logo ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, চাপে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা Logo হেলিও স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন, হেলিও ৪৬ Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

জেনারেল জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৩ ১৬৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
জেনারেল জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৮ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিসিএস কর্মকর্তাদের মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বিসিএস কর্মকর্তাদের দেশপ্রেম ও মূল্যবোধের শিক্ষা দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনাদের (বিসিএস কর্মকর্তা) প্রশিক্ষণকে দেশের মানুষের জন্য ব্যবহার করতে হবে। আপনাদেরকে অবশ্যই দেশপ্রেমিক হতে হবে। কারণে আমরা যে টাকায় চলি, সেটা কৃষকদের পরিশ্রমের কারণেই আসে। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে তারা আমাদের জন্য পরিশ্রম করে। সুতরাং তাদের সেই পরিশ্রমকে মাথায় রাখতে হবে। আজকে আমার একটাই কথা থাকবে, আপনাদেরকে দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।’

রপ্তানির ক্ষেত্রে শুধু একটি খাত থাকলেই যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রপ্তানিকে বহুমূখীকরণ করতে হবে এবং এর জন্য নতুন নতুন বাজার খুঁজে নিতে হবে। আমরা এরই মধ্যে এসব বিষয়ে কাজ শুরু করেছি। এখন আমরা ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি (অর্থনৈতিক কূটনীতি) অবলম্বন করছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ যাতে আর্থিক স্বচ্ছলতা পায় সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। যেহেতু আমরা জমির উন্নয়ন করছি, আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য আবাসন নিশ্চিত করছি-আমাদের ভাবতে হবে কীভাবে মানুষের আর্থিক সমৃদ্ধি আসে।’

তিনি বলেন, ‘খাদ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিবেশের কথাও ভাবতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের প্রতিটা উন্নয়ন যেন টেকসই হয়। ইউক্রেন যুদ্ধ, স্যাংশনের পরেও আমরা এখনও অনেক ক্ষেত্রেই আমরা এগিয়ে রয়েছি। বাংলাদেশ এখন আর পিছিয়ে নেই। একসময় অনেকে বলেছিল, বাংলাদেশে কোনো উন্নয়ন সম্ভব না। শুনে কষ্ট হতো। কিন্তু পরে জিদ চেপে গেছিল। মনে মনে ঠিক করেছিলাম যে বাংলাদেশকে এমনভাবে গড়ে তুলবো, যেন সবাই বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে (অংশীদারত্ব) এগিয়ে আসতে পারে। এখন কিন্তু বিদেশিরা সবাই জিজ্ঞাসা করেন যে ম্যাজিকটা কোথায়? তখন বলি, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগোলেই জাতিকে উন্নত করা যায়।’

বক্তব্যের শেষে ‘আমাদের একেকজন অফিসার একেকজন রত্ন হিসেবে গড়ে উঠবেন’ এই আশাবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, দেশটা যেন এগিয়ে যায়। আজকে পর্যন্ত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন যতটুকু করেছি, সেটা যেন অব্যাহত থাকে।’

জেনারেল জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
জেনারেল জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৮ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিসিএস কর্মকর্তাদের মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বিসিএস কর্মকর্তাদের দেশপ্রেম ও মূল্যবোধের শিক্ষা দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনাদের (বিসিএস কর্মকর্তা) প্রশিক্ষণকে দেশের মানুষের জন্য ব্যবহার করতে হবে। আপনাদেরকে অবশ্যই দেশপ্রেমিক হতে হবে। কারণে আমরা যে টাকায় চলি, সেটা কৃষকদের পরিশ্রমের কারণেই আসে। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে তারা আমাদের জন্য পরিশ্রম করে। সুতরাং তাদের সেই পরিশ্রমকে মাথায় রাখতে হবে। আজকে আমার একটাই কথা থাকবে, আপনাদেরকে দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।’

রপ্তানির ক্ষেত্রে শুধু একটি খাত থাকলেই যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রপ্তানিকে বহুমূখীকরণ করতে হবে এবং এর জন্য নতুন নতুন বাজার খুঁজে নিতে হবে। আমরা এরই মধ্যে এসব বিষয়ে কাজ শুরু করেছি। এখন আমরা ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি (অর্থনৈতিক কূটনীতি) অবলম্বন করছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ যাতে আর্থিক স্বচ্ছলতা পায় সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। যেহেতু আমরা জমির উন্নয়ন করছি, আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য আবাসন নিশ্চিত করছি-আমাদের ভাবতে হবে কীভাবে মানুষের আর্থিক সমৃদ্ধি আসে।’

তিনি বলেন, ‘খাদ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিবেশের কথাও ভাবতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের প্রতিটা উন্নয়ন যেন টেকসই হয়। ইউক্রেন যুদ্ধ, স্যাংশনের পরেও আমরা এখনও অনেক ক্ষেত্রেই আমরা এগিয়ে রয়েছি। বাংলাদেশ এখন আর পিছিয়ে নেই। একসময় অনেকে বলেছিল, বাংলাদেশে কোনো উন্নয়ন সম্ভব না। শুনে কষ্ট হতো। কিন্তু পরে জিদ চেপে গেছিল। মনে মনে ঠিক করেছিলাম যে বাংলাদেশকে এমনভাবে গড়ে তুলবো, যেন সবাই বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে (অংশীদারত্ব) এগিয়ে আসতে পারে। এখন কিন্তু বিদেশিরা সবাই জিজ্ঞাসা করেন যে ম্যাজিকটা কোথায়? তখন বলি, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগোলেই জাতিকে উন্নত করা যায়।’

বক্তব্যের শেষে ‘আমাদের একেকজন অফিসার একেকজন রত্ন হিসেবে গড়ে উঠবেন’ এই আশাবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, দেশটা যেন এগিয়ে যায়। আজকে পর্যন্ত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন যতটুকু করেছি, সেটা যেন অব্যাহত থাকে।’