ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন Logo মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী Logo ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, চাপে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা Logo হেলিও স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন, হেলিও ৪৬ Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

জনপ্রতিনিধি বা প্রভাবশালী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: র‍্যাব মহাপরিচালক

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩ ২৩২ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ প্রতিবেদক: মাদক কারবারিদের হামলায় র‌্যাব সদস্য আহতের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন। তিনি বলেন, মাদকের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক, সে জনপ্রতিনিধি হোক বা অন্য কেউ হোক, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।

মেহেরপুরের গাংনীতে র‍্যাব-১২ এর মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক কারবারিদের হামলায় আহত হন র‌্যাবের উপ-পরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার রায়। তাকে দেখতে ৪ জুন রবিবার দুপুরে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান র‌্যাবপ্রধান। তিনি আহত র‍্যাব সদস্যের জন্য ৫০ হাজার টাকা ও ফলমূল দেন এবং তার চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেন।

এসময় র‍্যাব ডিজি বলেন, গত ৩০ মে মেহেরপুরের গাংনী থানা এলাকায় র‍্যাব-১২ এর মাদকবিরোধী অভিযানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমাদের র‍্যাব সদস্য উত্তম কুমার রায় আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মেহেরপুর সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাব আত্মরক্ষার্থে গুলি ছুড়লে তিনজন আহত হয়।তিনি বলেন, র‍্যাব সবসময় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে। ওই এলাকায় আমাদের মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। এখন সময় এসেছে মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসার। এই মাদকের ছোবল থেকে আমাদের সন্তানদের বাঁচাতে না পারলে আগামীতে চাকরি দেয়ার মতো কোনো লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না। এরকম মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযানে গিয়ে আমাদের ৩৩ জন সহকর্মী জীবন দিয়েছেন ও এক হাজারের বেশি সহকর্মীর অঙ্গহানি হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, মাদকের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক সে জনপ্রতিনিধি হোক বা অন্য কেউ হোক, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। আহত উত্তম কুমার রায়ের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খুরশীদ হোসেন বলেন, তিনি বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকদের আন্তরিক চিকিৎসায় বর্তমানে অনেকটা সুস্থ। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, শেখ হাসিনা জাতীয় বান ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. রায়হানা আউয়াল, ইনস্টিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন, র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন, আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন, প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল আবু নাঈম মো. তালাত।
এসআই উত্তম রায় বর্তমানে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটের ১৪ তলার ১৪৪০ নম্বর কেবিনে ভর্তি রয়েছেন।

ট্যাগস :

জনপ্রতিনিধি বা প্রভাবশালী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: র‍্যাব মহাপরিচালক

আপডেট সময় : ১১:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩

বাংলাদেশ কন্ঠ প্রতিবেদক: মাদক কারবারিদের হামলায় র‌্যাব সদস্য আহতের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন। তিনি বলেন, মাদকের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক, সে জনপ্রতিনিধি হোক বা অন্য কেউ হোক, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।

মেহেরপুরের গাংনীতে র‍্যাব-১২ এর মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক কারবারিদের হামলায় আহত হন র‌্যাবের উপ-পরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার রায়। তাকে দেখতে ৪ জুন রবিবার দুপুরে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান র‌্যাবপ্রধান। তিনি আহত র‍্যাব সদস্যের জন্য ৫০ হাজার টাকা ও ফলমূল দেন এবং তার চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেন।

এসময় র‍্যাব ডিজি বলেন, গত ৩০ মে মেহেরপুরের গাংনী থানা এলাকায় র‍্যাব-১২ এর মাদকবিরোধী অভিযানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমাদের র‍্যাব সদস্য উত্তম কুমার রায় আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মেহেরপুর সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাব আত্মরক্ষার্থে গুলি ছুড়লে তিনজন আহত হয়।তিনি বলেন, র‍্যাব সবসময় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে। ওই এলাকায় আমাদের মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। এখন সময় এসেছে মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসার। এই মাদকের ছোবল থেকে আমাদের সন্তানদের বাঁচাতে না পারলে আগামীতে চাকরি দেয়ার মতো কোনো লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না। এরকম মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযানে গিয়ে আমাদের ৩৩ জন সহকর্মী জীবন দিয়েছেন ও এক হাজারের বেশি সহকর্মীর অঙ্গহানি হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, মাদকের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক সে জনপ্রতিনিধি হোক বা অন্য কেউ হোক, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। আহত উত্তম কুমার রায়ের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খুরশীদ হোসেন বলেন, তিনি বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকদের আন্তরিক চিকিৎসায় বর্তমানে অনেকটা সুস্থ। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, শেখ হাসিনা জাতীয় বান ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. রায়হানা আউয়াল, ইনস্টিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন, র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন, আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন, প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল আবু নাঈম মো. তালাত।
এসআই উত্তম রায় বর্তমানে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটের ১৪ তলার ১৪৪০ নম্বর কেবিনে ভর্তি রয়েছেন।