ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন Logo মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী Logo ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, চাপে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা Logo হেলিও স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন, হেলিও ৪৬ Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

কয়লা সংকটে সাময়িকভাবে বন্ধ হচ্ছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩ ২২৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কয়লার অভাবে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে পটুয়াখালীর ১,৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মধ্যে ৬৬০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার একটি ইউনিট গত ২৫ মে বন্ধ হয়ে যায়। অপর ইউনিটটি আজ সোমবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে। ফলে বাড়বে লোডশেডিং।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আবদুল হাসিব রোববার (৪ জুন) রাতে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার ১০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের ব্যবস্থা করছে। এতে নতুন করে কয়লার সরবরাহ শুরু হবে। তবে কয়লা আসতে অন্তত ২০-২৫ দিন সময় লাগবে। এ সময় কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকবে। এরপর জুনের শেষ সপ্তাহে কয়লা এলে উৎপাদন আবার শুরু হবে।’

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় প্রয়োজনীয় কয়লা কিনতে ঋণ দেয় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির চীনা অংশীদার চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানি (সিএমসি)। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থা আর বাংলাদেশের নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ বিনিয়োগে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০২০ সালের মে মাসে।

শাহ আবদুল হাসিব আরও বলেন, দেশের মোট বিদ্যুতের চাহিদার ৯ শতাংশ এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। অর্থাৎ জাতীয় গ্রিডে যাওয়ার পর এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বরিশাল, খুলনা বিভাগের পাশাপাশি ঢাকার কিছু এলাকায় সরবরাহ করা হতো। এ কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে গেলে অবশ্যই বিদ্যুৎ খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোদমে চালাতে গড়ে প্রতিদিন ১২ হাজার টন কয়লা দরকার হয়। এর পুরোটাই ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করে আসছিল সিএমসি। ডলার সংকট দেখা দেওয়ায় গত ৬ মাস ধরে কয়লার বিল পরিশোধ করা হয়নি। বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (পিডিবি) কাছে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বর্তমান ঋণ প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। ডলার সংকটের কারণে এলসি খোলা হচ্ছে না। আর এ কারণে কয়লা আমদানি সম্ভব হচ্ছে না। ফলসরূপ, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন।

কয়লা সংকটে সাময়িকভাবে বন্ধ হচ্ছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

আপডেট সময় : ০১:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কয়লার অভাবে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে পটুয়াখালীর ১,৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মধ্যে ৬৬০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার একটি ইউনিট গত ২৫ মে বন্ধ হয়ে যায়। অপর ইউনিটটি আজ সোমবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে। ফলে বাড়বে লোডশেডিং।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আবদুল হাসিব রোববার (৪ জুন) রাতে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার ১০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের ব্যবস্থা করছে। এতে নতুন করে কয়লার সরবরাহ শুরু হবে। তবে কয়লা আসতে অন্তত ২০-২৫ দিন সময় লাগবে। এ সময় কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকবে। এরপর জুনের শেষ সপ্তাহে কয়লা এলে উৎপাদন আবার শুরু হবে।’

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় প্রয়োজনীয় কয়লা কিনতে ঋণ দেয় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির চীনা অংশীদার চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানি (সিএমসি)। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থা আর বাংলাদেশের নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ বিনিয়োগে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০২০ সালের মে মাসে।

শাহ আবদুল হাসিব আরও বলেন, দেশের মোট বিদ্যুতের চাহিদার ৯ শতাংশ এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। অর্থাৎ জাতীয় গ্রিডে যাওয়ার পর এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বরিশাল, খুলনা বিভাগের পাশাপাশি ঢাকার কিছু এলাকায় সরবরাহ করা হতো। এ কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে গেলে অবশ্যই বিদ্যুৎ খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোদমে চালাতে গড়ে প্রতিদিন ১২ হাজার টন কয়লা দরকার হয়। এর পুরোটাই ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করে আসছিল সিএমসি। ডলার সংকট দেখা দেওয়ায় গত ৬ মাস ধরে কয়লার বিল পরিশোধ করা হয়নি। বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (পিডিবি) কাছে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বর্তমান ঋণ প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। ডলার সংকটের কারণে এলসি খোলা হচ্ছে না। আর এ কারণে কয়লা আমদানি সম্ভব হচ্ছে না। ফলসরূপ, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন।