ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত না হলে নতুন বিনিয়োগ আসবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo কালাদরাপ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় করিম উদ্দিন চৌধুরী বাবু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে জাগো ফাউন্ডেশনের কড়াইল স্কুলে অ্যাকমি এআই-এর এআই লিটারেসি সেশন Logo বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫১ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ Logo  কসবায় পৃথক অভিযানে একদিনেই, গাঁজাসহ ৪ জন আটক Logo মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনিয়মে ক্ষোভ প্রকাশ।। Logo ​বাগেরহাটে গভীর রাতে আইনজীবীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা Logo মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা-খুলনা রুটে বিআরটিসির নৈরাজ্য Logo আমদানি কমাতে দ্রুত জাতীয় কেমিক্যাল নীতি চায় ব্যবসায়ীরা

এলজিইডি কার্যালয়ে উপ-সহকারীকে মারল ঠিকাদার:ঘটনাকে তুচ্ছ বললেন নির্বাহী প্রকৌশলী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:০৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ১৩০২ বার পঠিত

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 42;

নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁ জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ে কর্মরত এক সহকারী প্রকৌশলীকে ঠিকাদার কর্তৃক মারধর ও লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটেছে। (১০) জুন বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা এলজিইডি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, এলজিইডির প্রধান ভবন নির্মাণকাজ মেসার্স দেওয়ান এন্টারপ্রাইজ নামের এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে চলমান রয়েছে। নির্মাণকাজে বিভিন্ন অনিয়ম দেখতে পেয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী কামরুল হাসান আপত্তি জানান। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ওবায়দা তাকে কলার ধরে লাথি মারেন। এ বিষয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী কামরুল হাসানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন,সিডিউল অনুযায়ী কাজের অনিয়ম পেয়ে তৎক্ষণিকভাবে ঠিকাদারকে বাধা দিলে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ওবায়দা। এবং তিনি আমার কলার চেপে ধরে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন, ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে আমি পড়ে যাই এমন পরিস্থিতি দেখে অন্য স্টাফরা এসে আমাকে উদ্ধার করে। তখনই আমি নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিস রুমে গিয়ে আমাকে লাঞ্চিত করার পুরো বিষয়টি জানায়। বিষয়টি জানতে চাইলে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির মালিক অভিযুক্ত ওবায়দা। তার দাবি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।  এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, কর্মস্থলের ভেতরে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তার উপর এমন আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় ও লজ্জাজনক। তাদের ভাষ্য, সরকারি অফিসের মধ্যে একজন প্রকৌশলীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ শুধু ব্যক্তিগত অপমান নয়, এটি সরকারি দায়িত্ব পালনের পরিবেশ ও শৃঙ্খলার উপরও আঘাত। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ বদরুদ্দোজা বিষয়টিকে ‘তুচ্ছ ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি। জেলা প্রকৌশলী বলেন, ঘটনার পর ঠিকাদার এসে আমার কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়েছেন। ক্ষমা চাওয়ার পর আর কী হতে পারে? তিনি আরো বলেন এ বিষয়ে ওই উপ-সহকারীর পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি সুতরাং কোন মামলাও করা হয়নি। তবে পুরো ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানতে সিসিটিভি ফুটেজ চাইলেও তিনি তা দিতে রাজি হননি(নির্বাহী প্রকৌশলী)। সরকারি দপ্তরের একজন প্রকৌশলী কর্মস্থলে লাঞ্ছনার শিকার হওয়ার অভিযোগকে তুচ্ছ আখ্যায়িত করায় সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সরকারি কাজের অনিয়মের অভিযোগের জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে কি না এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা চলছে। এ বিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন,এ বিষয়ে আমার কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি যদি কেউ সহযোগিতা চায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যাগস :

এলজিইডি কার্যালয়ে উপ-সহকারীকে মারল ঠিকাদার:ঘটনাকে তুচ্ছ বললেন নির্বাহী প্রকৌশলী

আপডেট সময় : ০৬:০৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁ জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ে কর্মরত এক সহকারী প্রকৌশলীকে ঠিকাদার কর্তৃক মারধর ও লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটেছে। (১০) জুন বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা এলজিইডি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, এলজিইডির প্রধান ভবন নির্মাণকাজ মেসার্স দেওয়ান এন্টারপ্রাইজ নামের এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে চলমান রয়েছে। নির্মাণকাজে বিভিন্ন অনিয়ম দেখতে পেয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী কামরুল হাসান আপত্তি জানান। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ওবায়দা তাকে কলার ধরে লাথি মারেন। এ বিষয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী কামরুল হাসানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন,সিডিউল অনুযায়ী কাজের অনিয়ম পেয়ে তৎক্ষণিকভাবে ঠিকাদারকে বাধা দিলে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ওবায়দা। এবং তিনি আমার কলার চেপে ধরে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন, ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে আমি পড়ে যাই এমন পরিস্থিতি দেখে অন্য স্টাফরা এসে আমাকে উদ্ধার করে। তখনই আমি নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিস রুমে গিয়ে আমাকে লাঞ্চিত করার পুরো বিষয়টি জানায়। বিষয়টি জানতে চাইলে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির মালিক অভিযুক্ত ওবায়দা। তার দাবি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।  এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, কর্মস্থলের ভেতরে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তার উপর এমন আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় ও লজ্জাজনক। তাদের ভাষ্য, সরকারি অফিসের মধ্যে একজন প্রকৌশলীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ শুধু ব্যক্তিগত অপমান নয়, এটি সরকারি দায়িত্ব পালনের পরিবেশ ও শৃঙ্খলার উপরও আঘাত। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ বদরুদ্দোজা বিষয়টিকে ‘তুচ্ছ ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি। জেলা প্রকৌশলী বলেন, ঘটনার পর ঠিকাদার এসে আমার কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়েছেন। ক্ষমা চাওয়ার পর আর কী হতে পারে? তিনি আরো বলেন এ বিষয়ে ওই উপ-সহকারীর পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি সুতরাং কোন মামলাও করা হয়নি। তবে পুরো ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানতে সিসিটিভি ফুটেজ চাইলেও তিনি তা দিতে রাজি হননি(নির্বাহী প্রকৌশলী)। সরকারি দপ্তরের একজন প্রকৌশলী কর্মস্থলে লাঞ্ছনার শিকার হওয়ার অভিযোগকে তুচ্ছ আখ্যায়িত করায় সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে সরকারি কাজের অনিয়মের অভিযোগের জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে কি না এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা চলছে। এ বিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন,এ বিষয়ে আমার কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি যদি কেউ সহযোগিতা চায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।