ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী Logo মিশিগানে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল আল–সাইদ Logo মজুরি বোর্ড – ডিসেম্বরে চূড়ান্ত হবে পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো Logo ভিভো ভি৮০-এর রং, ডিজাইন ও ক্যামেরায় মুগ্ধ হবে সবাই! Logo স্ন্যাপড্রাগন ফাইভজি প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি

একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ২৫৭ বার পঠিত

রাশেদুল ইসলাম, নবীনগর প্রতিনিধি :-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের হুরুয়া (উ.পাড়া) দিলীপ দেবনাথের শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে দীপঙ্ক দেবনাথ। বাবাকে হারিয়েছেন ছয় বছর আগে। জন্মের পর স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে উঠছিল দীপঙ্কর। কিন্তু হঠাৎ একদিন প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তার পা দুটি ধীরে ধীরে অচল হয়ে যায়- সেই থেকে তিনি প্রতিবন্ধী। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে থামিয়ে দিতে পারেনি। জন্মগত ভাবে সুস্থ দীপঙ্কর তীব্র জ্বরে পঙ্গু হলেও মা-বাবার বড় সন্তান হওয়ায় অল্প বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকে। শারীরিক অক্ষমতাকে জয় করে তিনি নিজ বাড়িতেই একটি ছোট দোকান দিয়েছেন। এ দোকানে তিনি ফ্লেক্সিলোড, বিকাশ এবং হরেক রকমের মুদি মালামাল বিক্রি করেন। মুদির দোকানের সামান্য আয় দিয়ে ৫ সদস্যের সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। টানাপোড়েনই এখন তাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। দীপঙ্কর যে হুইল চেয়ারটিতে বসে দোকানে আসা যাওয়া, মানুষের সাথে কথা বলেন সেই হুইল চেয়ারটি এখন নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু অর্থের অভাবে নতুন একটি হুইল চেয়ার কেনার মত সামর্থ্য তার পরিবারের নাই। তার চলার শেষ সম্বলটুকু হুইল (চেয়ার) ভেঙে পড়ায় তিনি মানসিক ভাবে হতাশায় ভুগছেন। দীপঙ্কর কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন-“আমি পঙ্গু কিন্তু আমি ভিক্ষা করতে চাই না। আমার ছোট একটি দোকানটা আছে। শুধু একটা ভাল হুইল চেয়ার পেলে আমি আরও ভাল ভাবে ব্যবসা করতে পারব, সংসারটা চালাতে পারব। দেশবাসী ও প্রবাসী ভাই-বোনদের নিকট আমি সহযোগিতা কামনা করি।” একটি হুইল চেয়ারই পারে দীপঙ্করের জীবনকে আরো সহজ ও নিরাপদ করে দিতে। পারে তার সংসারে স্বস্তি ফেরাতে। আপনারা যারা সমাজের পরোপকারী, সমাজ সেবক এবং প্রবাসী তাদের প্রতি অনুরোধ- আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারে দীপঙ্করের পরিবার।

ট্যাগস :

একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন

আপডেট সময় : ০৩:৪১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

রাশেদুল ইসলাম, নবীনগর প্রতিনিধি :-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের হুরুয়া (উ.পাড়া) দিলীপ দেবনাথের শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে দীপঙ্ক দেবনাথ। বাবাকে হারিয়েছেন ছয় বছর আগে। জন্মের পর স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে উঠছিল দীপঙ্কর। কিন্তু হঠাৎ একদিন প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তার পা দুটি ধীরে ধীরে অচল হয়ে যায়- সেই থেকে তিনি প্রতিবন্ধী। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে থামিয়ে দিতে পারেনি। জন্মগত ভাবে সুস্থ দীপঙ্কর তীব্র জ্বরে পঙ্গু হলেও মা-বাবার বড় সন্তান হওয়ায় অল্প বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকে। শারীরিক অক্ষমতাকে জয় করে তিনি নিজ বাড়িতেই একটি ছোট দোকান দিয়েছেন। এ দোকানে তিনি ফ্লেক্সিলোড, বিকাশ এবং হরেক রকমের মুদি মালামাল বিক্রি করেন। মুদির দোকানের সামান্য আয় দিয়ে ৫ সদস্যের সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। টানাপোড়েনই এখন তাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। দীপঙ্কর যে হুইল চেয়ারটিতে বসে দোকানে আসা যাওয়া, মানুষের সাথে কথা বলেন সেই হুইল চেয়ারটি এখন নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু অর্থের অভাবে নতুন একটি হুইল চেয়ার কেনার মত সামর্থ্য তার পরিবারের নাই। তার চলার শেষ সম্বলটুকু হুইল (চেয়ার) ভেঙে পড়ায় তিনি মানসিক ভাবে হতাশায় ভুগছেন। দীপঙ্কর কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন-“আমি পঙ্গু কিন্তু আমি ভিক্ষা করতে চাই না। আমার ছোট একটি দোকানটা আছে। শুধু একটা ভাল হুইল চেয়ার পেলে আমি আরও ভাল ভাবে ব্যবসা করতে পারব, সংসারটা চালাতে পারব। দেশবাসী ও প্রবাসী ভাই-বোনদের নিকট আমি সহযোগিতা কামনা করি।” একটি হুইল চেয়ারই পারে দীপঙ্করের জীবনকে আরো সহজ ও নিরাপদ করে দিতে। পারে তার সংসারে স্বস্তি ফেরাতে। আপনারা যারা সমাজের পরোপকারী, সমাজ সেবক এবং প্রবাসী তাদের প্রতি অনুরোধ- আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারে দীপঙ্করের পরিবার।