ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নলছিটির মোল্লারহাট-হদুয়া বাজার পর্যন্ত সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা Logo পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা কমাতে সহযোগীদের ওপর হামলা না করার সিদ্ধান্ত Logo দেশে প্রথম ২৯ কার্যদিবসেই মেহেরপুরের ধর্ষণ মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড Logo রাজাপুরে ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ১০ কেজি হারে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ Logo ঈদে আইটেল নিয়ে এলো ফিচার ফোনে ১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি Logo তরুণদের স্বপ্নের গল্প বলছে ভিভো বাংলাদেশ Logo ২১ মে শেষ সময়, তবু অনিশ্চয়তা কাটেনি: দোকান ফিরে পাবেন কি প্রতিবন্ধী রাজ্জাক? Logo লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ ও সেনা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের নতুন শর্ত Logo হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণহানি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ Logo নিউ এনার্জি মোবিলিটির আগামী বিনির্মানে আরও তিনটি নতুন মডেল নিয়ে এলো বিওয়াইডি

উন্নয়ন বিএনপি-জামায়াতের চোখে পড়ে না, তারা অন্ধ: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০২৩ ৩৬৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দেশের উন্নয়ন দেখতে না পারায় বিএনপি-জামায়াত নেতাদের চোখের চিকিৎসা করাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার ১১নভেম্বর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের উদ্বোধন উপলক্ষে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন বিএনপি-জামায়াতের চোখে পড়ে না। আসলে তারা অন্ধ। চোখের চিকিৎসায় আধুনিক চক্ষুবিদ্যা ইনস্টিটিউট করেছি। সেখানে মাত্র ১০ টাকায় চিকিৎসা করাতে পারবেন। তাদের (বিএনপি) সেখানে চিকিৎসার জন্য যাওয়ার অনুরোধ করব। এটা তাদের চোখের দোষ নয়, এটা তাদের মনের অন্ধকার। এদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তারা ধ্বংস জানে, সৃষ্টি নয়। তারা আগুনে পুড়িয়ে মানুষ মারে।

গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা বড় বাজেট দিয়ে আমাদের সক্ষমতা দেখিয়েছি এবং বাস্তবায়ন করেছি। করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে। আমদানি ব্যয় বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রয়েছে। সেজন্য সবাইকে বলব, যতটুকু জমি আছে সেখানে কিছু না কিছু চাষাবাদ করুন। নিজের খাদ্য নিজে উৎপাদন করুন। তাহলে আমরা হতে পারবো স্বনির্ভর।

রেল পরিষেবার মান বাড়ানো হবে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, রেলে কক্সবাজার আসা যাবে, এটা অনেকের আকাঙ্ক্ষা ছিল। আমরা করে দিয়েছি। যমুনা নদীর ওপর পৃথক রেল সেতু করছি। রেলমন্ত্রীর বাড়ি পঞ্চগড়, সেখান থেকে যেন সরাসরি কক্সবাজার আসতে পারে, সে ব্যবস্থা তো করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবন থেকেও যেন ট্রেনে আসা যায় তাও করবো। আমাদের পদ্মার ওপাড়ের লোকেরাও রেলে কক্সবাজার আসতে পারবেন। খুলনা থেকে মংলা পর্যন্ত ব্রডগেজ রেললাইন আবার চালু করছি। সমগ্র বাংলাদেশ থেকে যেন কক্সবাজার আসা-যাওয়া করা যায়, সে ব্যবস্থা করছি। রেলেও ওয়াইফাই কানেকশন দিয়ে দেবো। রেলে সেবার মান বাড়বে।

প্রতিটি সরকারি সুযোগ-সুবিধা যত্ন সহকারে ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে আমরা যে কাজগুলো করেছি, সবগুলো ব্যবহারে যত্নবান হবেন। আধুনিক রেলস্টেশন করে দিয়েছি। দেশি-বিদেশি পর্যটকরা এসে যেন দেখে যে, বাংলাদেশে উন্নত ও সুন্দর রেলস্টেশন আছে। রেল গাড়িগুলো যেন পরিষ্কার থাকে, যত্রতত্র ময়লা না হয়। নিজেদের সম্পদ মনে করে ব্যবহার করবেন।

উন্নয়ন বিএনপি-জামায়াতের চোখে পড়ে না, তারা অন্ধ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:০৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দেশের উন্নয়ন দেখতে না পারায় বিএনপি-জামায়াত নেতাদের চোখের চিকিৎসা করাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার ১১নভেম্বর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের উদ্বোধন উপলক্ষে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন বিএনপি-জামায়াতের চোখে পড়ে না। আসলে তারা অন্ধ। চোখের চিকিৎসায় আধুনিক চক্ষুবিদ্যা ইনস্টিটিউট করেছি। সেখানে মাত্র ১০ টাকায় চিকিৎসা করাতে পারবেন। তাদের (বিএনপি) সেখানে চিকিৎসার জন্য যাওয়ার অনুরোধ করব। এটা তাদের চোখের দোষ নয়, এটা তাদের মনের অন্ধকার। এদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তারা ধ্বংস জানে, সৃষ্টি নয়। তারা আগুনে পুড়িয়ে মানুষ মারে।

গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা বড় বাজেট দিয়ে আমাদের সক্ষমতা দেখিয়েছি এবং বাস্তবায়ন করেছি। করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে। আমদানি ব্যয় বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রয়েছে। সেজন্য সবাইকে বলব, যতটুকু জমি আছে সেখানে কিছু না কিছু চাষাবাদ করুন। নিজের খাদ্য নিজে উৎপাদন করুন। তাহলে আমরা হতে পারবো স্বনির্ভর।

রেল পরিষেবার মান বাড়ানো হবে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, রেলে কক্সবাজার আসা যাবে, এটা অনেকের আকাঙ্ক্ষা ছিল। আমরা করে দিয়েছি। যমুনা নদীর ওপর পৃথক রেল সেতু করছি। রেলমন্ত্রীর বাড়ি পঞ্চগড়, সেখান থেকে যেন সরাসরি কক্সবাজার আসতে পারে, সে ব্যবস্থা তো করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবন থেকেও যেন ট্রেনে আসা যায় তাও করবো। আমাদের পদ্মার ওপাড়ের লোকেরাও রেলে কক্সবাজার আসতে পারবেন। খুলনা থেকে মংলা পর্যন্ত ব্রডগেজ রেললাইন আবার চালু করছি। সমগ্র বাংলাদেশ থেকে যেন কক্সবাজার আসা-যাওয়া করা যায়, সে ব্যবস্থা করছি। রেলেও ওয়াইফাই কানেকশন দিয়ে দেবো। রেলে সেবার মান বাড়বে।

প্রতিটি সরকারি সুযোগ-সুবিধা যত্ন সহকারে ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে আমরা যে কাজগুলো করেছি, সবগুলো ব্যবহারে যত্নবান হবেন। আধুনিক রেলস্টেশন করে দিয়েছি। দেশি-বিদেশি পর্যটকরা এসে যেন দেখে যে, বাংলাদেশে উন্নত ও সুন্দর রেলস্টেশন আছে। রেল গাড়িগুলো যেন পরিষ্কার থাকে, যত্রতত্র ময়লা না হয়। নিজেদের সম্পদ মনে করে ব্যবহার করবেন।