ইমরান হাশমির ‘সুপারহিরো’ কে?
- আপডেট সময় : ০৫:০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪ ২৯৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সচারাচর আমরা দেখে থাকি একজন সন্তানের জীবনে তাদের সুপারহিরো হলো তাদের বাবা। কিন্তু কখনো কি এমনটা দেখেছেন একজন বাবা তার সন্তানকে অথবা তার ছেলেকে সুপারহিরো হিসেবে দেখেন? এমন ঘটনা যে একবারেই দেখা যায় না বিষয়টি কিন্তু এমন নয়, তবে বিষয়টি খুবই বিরল। এর থেকেও বিরল ব্যপার হচ্ছে যখন একজন অনস্ক্রিন হিরো, যার অনেক ভক্ত, অনুরাগী আছেন অথবা অনেকেই তাকে আইডল মনে করেন, সেই হিরো বাস্তবজীবনে নিজের ছেলেকে সুপারহিরো মানে! বলছিলাম বলিউড অভিনেতা ইমরান হাসমি ও তার ১৩ বছরের ছেলের আয়ানের কথা।
মারণ রোগ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিল ১৩ বছরের ছেলেটা। তবে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠেছে সে। তারপরেই ক্যানসার-জয়ী ছেলের সঙ্গে ছবি পোস্ট করলেন বলিউড অভিনেতা ইমরান হাসমি। সঙ্গে রয়েছে একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে ইমরানের ছেলে আয়ান তাঁরই লেখা একটি বই পড়ছে। যে বইয়ের উপজীব্য হল, আয়ান কীভাবে ক্যানসারকে হারিয়ে জীবনযুদ্ধে জিতে গেছেন।
ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে ইমরান যে ছবিটি পোস্ট করেছেন এতে দেখা যাচ্ছে, ছেলের গলা জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন গর্বিত বাবা। আর ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আয়ান একটি বই পড়ছে, যার নাম ‘দ্য কিস অব লাইফ: হাউ আ সুপারহিরো অ্যান্ড মাই সন ডিফিটেড ক্যানসার।’
ক্যাপশনে ইমরান লিখেছেন, সর্বদা এমন একজনের ওপর আমি ভরসা রাখতে পারি। আমার ছেলে, আমার বন্ধু, আমার সুপারহিরো- আয়ান!
২০১৪ সালে আয়ানের ক্যান্সার ধরা পড়ে। ৫ বছর লড়াই করার পর, ক্যান্সার অবশেষে ছেলেটির জীবনীশক্তি ছেড়ে দেয়। ইমরানের পোস্ট ভক্তদের ভালোবাসায় ভরা। কেউ কেউ বাবা-ছেলের রসায়ন দেখে মুগ্ধ, আবার কেউ হৃদয় ইমোজি দিয়ে তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করে।
কেন ৫ বছর আগে ক্যানসার-মুক্ত হয়ে যাওয়ার পর হঠাৎ সেকথা জানালেন ইমরান? এই নিয়ে আরও একটি পোস্ট করেন ইমরান। অভিনেতা জানিয়েছেন, এটিই হল সেই দিন, ২০১৪ সালে যেদিন প্রথম ছেলের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সেই ভয়ঙ্কর দুঃসংবাদ পেয়েছিলেন তাঁরা। ছেলের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে ইমরান লিখেছেন, “আমাদের জীবনের সবচেয়ে কঠিন পর্যায় ছিল। কিন্তু বিশ্বাস এবং আশা দিয়ে আমরা তা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। আরও গুরুত্বপূর্ণ, ও এটা কাটিয়ে উঠেছে, এবং সবকিছুর মধ্যেও শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আপনাদের ভালবাসা এবং প্রার্থনা নিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অসীম কৃতজ্ঞতা।”

















