ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন Logo মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী Logo ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, চাপে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা Logo হেলিও স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন, হেলিও ৪৬ Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

ইআরসিসি প্রকল্পের আওতায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩ ২৫৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স কন্ট্রোল সেন্টার (ইআরসিসি)’ প্রকল্পের আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি সুবিধায় আগের চেয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে ইআরসিসির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন ইআরসিসি ভবনের প্রযুক্তিগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে ফায়ার সার্ভিস জনগণের কাছে আরও বিশ্বস্ত হয়ে উঠবে। দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ, বিপদগ্রস্ত মানুষকে সেবা প্রদান এবং প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্রুত সাড়া প্রদানের মাধ্যমে আপনারা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালে জাতীয় সংসদে ঘোষণা দেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি করে ফায়ার স্টেশন নির্মাণ করা হবে। ফলে সারাদেশে ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা ৫০৩টি। ২০০৯ সালের আগে মাত্র ২০৪টি ছিল। আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রী অক্টোবর মাসের মধ্যেই সারাদেশে আরও ৪৩টি ফায়ার স্টেশনের উদ্বোধন করবেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সব দুর্যোগে প্রথম সাড়াদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে ফায়ার সার্ভিস। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠান বহুমাত্রিক দুর্যোগ মোকাবিলায় নিয়োজিত। আগুন থেকে শুরু করে ভূমিকম্পসহ সব দুর্যোগেই সবার আগে আসে ফায়ার সার্ভিস। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় সব উপজেলায় ফায়ার স্টেশন নির্মাণের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ চলছে। কিছুদিন আগে এই বাহিনীতে বিশ্বের সর্বাধিক ৬৮ মিটার উচ্চতার টার্নটেবল লেডার গাড়ি যোগ হয়েছে। রিমোট কন্ট্রোল ফায়ার ফাইটিং ভেহিক্যাল সংযোজন হয়েছে।

আসাদুজ্জামান বলেন, উন্নত দেশের মতো আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। একদিকে যেমন কোম্পানির সেবার মান উন্নত হয়েছে, অন্যদিকে কোম্পানির সেবার পরিধিও বেড়েছে। প্রান্তিক মানুষ এর সেবা পাচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস এখন একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বাহিনী যার প্রয়োজনীয় সামর্থ্য রয়েছে দ্রুত সব দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর।

আমি আশা করবো, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন আগামীর উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশের পরিপূর্ণ অগ্নিনিরাপত্তা এবং দুর্যোগ-দুর্ঘটনা মোকাবিলায় সক্ষমতা সম্পন্ন একটি বিশ্বমানের সেবা বাহিনীতে পরিণত হবে।

 

ইআরসিসি প্রকল্পের আওতায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স কন্ট্রোল সেন্টার (ইআরসিসি)’ প্রকল্পের আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি সুবিধায় আগের চেয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

বুধবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে ইআরসিসির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন ইআরসিসি ভবনের প্রযুক্তিগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে ফায়ার সার্ভিস জনগণের কাছে আরও বিশ্বস্ত হয়ে উঠবে। দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ, বিপদগ্রস্ত মানুষকে সেবা প্রদান এবং প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্রুত সাড়া প্রদানের মাধ্যমে আপনারা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালে জাতীয় সংসদে ঘোষণা দেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি করে ফায়ার স্টেশন নির্মাণ করা হবে। ফলে সারাদেশে ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা ৫০৩টি। ২০০৯ সালের আগে মাত্র ২০৪টি ছিল। আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রী অক্টোবর মাসের মধ্যেই সারাদেশে আরও ৪৩টি ফায়ার স্টেশনের উদ্বোধন করবেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সব দুর্যোগে প্রথম সাড়াদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে ফায়ার সার্ভিস। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠান বহুমাত্রিক দুর্যোগ মোকাবিলায় নিয়োজিত। আগুন থেকে শুরু করে ভূমিকম্পসহ সব দুর্যোগেই সবার আগে আসে ফায়ার সার্ভিস। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় সব উপজেলায় ফায়ার স্টেশন নির্মাণের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ চলছে। কিছুদিন আগে এই বাহিনীতে বিশ্বের সর্বাধিক ৬৮ মিটার উচ্চতার টার্নটেবল লেডার গাড়ি যোগ হয়েছে। রিমোট কন্ট্রোল ফায়ার ফাইটিং ভেহিক্যাল সংযোজন হয়েছে।

আসাদুজ্জামান বলেন, উন্নত দেশের মতো আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। একদিকে যেমন কোম্পানির সেবার মান উন্নত হয়েছে, অন্যদিকে কোম্পানির সেবার পরিধিও বেড়েছে। প্রান্তিক মানুষ এর সেবা পাচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস এখন একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বাহিনী যার প্রয়োজনীয় সামর্থ্য রয়েছে দ্রুত সব দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর।

আমি আশা করবো, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন আগামীর উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশের পরিপূর্ণ অগ্নিনিরাপত্তা এবং দুর্যোগ-দুর্ঘটনা মোকাবিলায় সক্ষমতা সম্পন্ন একটি বিশ্বমানের সেবা বাহিনীতে পরিণত হবে।