সংবাদ শিরোনাম :
অলৌকিকভাবে জন্ম নেওয়া ফাতেমার পরিবারে প্রধানমন্ত্রীর ৪৪তম উপহার
বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
- আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২৫ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বৃহস্পতিবার ।। ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ।।
সারোয়ার জাহান জুয়েল ময়মনসিংহ:
২০২২ সালের ১৬ জুলাই। ময়মনসিংহের ত্রিশালে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান অন্তঃসত্ত্বা মা, কিন্তু মৃত্যুর ঠিক আগমুহূর্তে অলৌকিকভাবে জন্ম নেয় শিশু ফাতেমা। বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা সেই নবজাতকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন বর্তমান সরকারের মানবিক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই থেকে আজ অবধি, টানা ৪৪ মাস ধরে ফাতেমার পরিবারের সকল ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে প্রতিমাসের ন্যায় টানা ৪৪তম বারের মতো শিশু ফাতেমার ৫ সদস্যের পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাইমুল করিম লুইন। চাল, ডাল, তেল ও চিনিচিড়া, মুড়ি ও লবণ,মুরগীসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য। প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহবায়ক আতিকুর রহমান রুমন। তিনি নিয়মিত ফাতেমার পরিবারের খোঁজখবর রাখছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ছাত্রনেতা লুইন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী এই সহায়তা কার্যক্রম আগামীতেও নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত থাকবে। ফাতেমার দাদা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, ”একজন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় শত ব্যস্ততার মাঝেও আমার এতিম নাতনিকে মনে রেখেছেন, এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে? আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।” বর্তমানে শিশু ফাতেমার বয়স ৪৪ মাস। সে এখন রাজধানীর আজিমপুরস্থ ‘ছোট্টমনি নিবাস’-এ বড় হচ্ছে। পারিবারিক সূত্র জানায়, বয়স ৬ বছর পূর্ণ হলে তাকে নিয়ম অনুযায়ী এতিমখানায় স্থানান্তর করা হবে এবং পরবর্তীতে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। উল্লেখ্য যে, শিশুটির ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় বর্তমানে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সাড়ে ১৩ লক্ষ টাকা জমা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাজনৈতিক নেতারা সচরাচর দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভুলে গেলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। টানা ৪৪ মাস ধরে একটি সাধারণ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি মানবিকতার এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।




















