ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভিভো ভি৮০-এর রং, ডিজাইন ও ক্যামেরায় মুগ্ধ হবে সবাই! Logo স্ন্যাপড্রাগন ফাইভজি প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি Logo রামায়ণে মুসলিম আমেজের গান, জবাব দিলেন এ আর রহমান Logo নাহিদার অধিনায়কত্বের শুরুতেই দলে ফিরলেন সুমনা Logo ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল থাইল্যান্ড Logo আইনি অধিকারের মধ্যে কাউকে হত্যা করার অধিকার আছে পুলিশের Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেশার টাকার জন্য স্ত্রী হত্যা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার Logo বাক্কোর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ফয়সল আলিম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হোসেন Logo আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতে নামিবিয়ার ইতিহাস Logo ২০ জনের বেশি নাবিককে হত্যা করেছে ইরান, দাবি সেন্টকমের

নওগাঁয় হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের চারজনের দাফন সম্পন্ন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৪৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বৃহস্পতিবার ।। ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ।।

নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁর নিয়ামতপুরে গলাকেটে হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের চারজনের দাফন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।  বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে পাশাপাশি ওই চার মরদেহের দাফন সম্পন্ন হয়।  এর আগে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে চার মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গ্রামের বাড়িতে মরদেহগুলো আনা হয়। তাদের জানাযায় অংশগ্রহণ করতে বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা, নিহতদের স্বজন ছাড়াও আশপাশের গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হয়। বাদ আসর নিহতদের জানাযা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মরদেহগুলো কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে গত সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাতে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের এক দম্পত্তি ও তাদের দুই শিশু সন্তানকে একই কায়দায় পরিকল্পিত ভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়।   নিহতরা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি সুলতানা, তাদের সন্তান পারভেজ রহমান (৯) ও সাদিয়া আক্তার (৩)।  একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার এই ঘটনায় নিহতদের তিন স্বজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন, নিহত হাবিবুরের ভগ্নিপতি শহিদুল, ভাগনে শাহিন ও সবুজ। সম্পত্তি বন্টন নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে বুধবার দুপুরে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে জানান।  সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, নমির উদ্দিনের ছয় ছেলে ও মেয়ে। তার একমাত্র ছেলে হাবিবুর রহমান। সম্প্রতি নমির উদ্দিন তার ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে সম্পত্তি লিখে দেন। তিনি ১৭ বিঘা সম্পত্তির মধ্যে বসতবাড়িসহ ১৩ বিঘা সম্পত্তি ছেলে হাবিবুর রহমানকে লিখে দেন। বাকি সম্পত্তি পান তার মেয়েরা। হাবিবুরকে বেশি সম্পত্তি লিখে দেওয়ায় বোন, ভগ্নিপতি ও ভাগনেদের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়। বেশ কিছু দিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে হাবিবুরের ভগ্নিপতি শহিদুল ইসলাম, ভাগনে শাহিন ও সবুজ হাবিবুর ও তার স্ত্রী পপি সুলতানা এবং তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়াকে গলা কেটে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।  হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত গৃহবধূ পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বাদী হয়ে নিয়ামতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। ওই মামলায় অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম, সবুজ রানা ও শাহিন মণ্ডলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ট্যাগস :

নওগাঁয় হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের চারজনের দাফন সম্পন্ন

আপডেট সময় : ০৫:১৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বৃহস্পতিবার ।। ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ।।

নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁর নিয়ামতপুরে গলাকেটে হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের চারজনের দাফন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।  বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে পাশাপাশি ওই চার মরদেহের দাফন সম্পন্ন হয়।  এর আগে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে চার মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গ্রামের বাড়িতে মরদেহগুলো আনা হয়। তাদের জানাযায় অংশগ্রহণ করতে বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা, নিহতদের স্বজন ছাড়াও আশপাশের গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হয়। বাদ আসর নিহতদের জানাযা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মরদেহগুলো কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে গত সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাতে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের এক দম্পত্তি ও তাদের দুই শিশু সন্তানকে একই কায়দায় পরিকল্পিত ভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়।   নিহতরা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি সুলতানা, তাদের সন্তান পারভেজ রহমান (৯) ও সাদিয়া আক্তার (৩)।  একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার এই ঘটনায় নিহতদের তিন স্বজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন, নিহত হাবিবুরের ভগ্নিপতি শহিদুল, ভাগনে শাহিন ও সবুজ। সম্পত্তি বন্টন নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে বুধবার দুপুরে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে জানান।  সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, নমির উদ্দিনের ছয় ছেলে ও মেয়ে। তার একমাত্র ছেলে হাবিবুর রহমান। সম্প্রতি নমির উদ্দিন তার ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে সম্পত্তি লিখে দেন। তিনি ১৭ বিঘা সম্পত্তির মধ্যে বসতবাড়িসহ ১৩ বিঘা সম্পত্তি ছেলে হাবিবুর রহমানকে লিখে দেন। বাকি সম্পত্তি পান তার মেয়েরা। হাবিবুরকে বেশি সম্পত্তি লিখে দেওয়ায় বোন, ভগ্নিপতি ও ভাগনেদের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়। বেশ কিছু দিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে হাবিবুরের ভগ্নিপতি শহিদুল ইসলাম, ভাগনে শাহিন ও সবুজ হাবিবুর ও তার স্ত্রী পপি সুলতানা এবং তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়াকে গলা কেটে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।  হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত গৃহবধূ পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বাদী হয়ে নিয়ামতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। ওই মামলায় অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম, সবুজ রানা ও শাহিন মণ্ডলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।