ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অলৌকিকভাবে জন্ম নেওয়া ফাতেমার পরিবারে প্রধানমন্ত্রীর ৪৪তম উপহার Logo সুন্দরগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি  সপ্তাহ নিয়ে আলোচনা Logo নওগাঁয় অপপ্রচারের প্রতিবাদ, মুক্তিযোদ্ধাকে ‘ভুয়া’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ Logo বানারীপাড়ায় অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার মজুদে অভিযান, ডিলারকে জরিমানা Logo নওগাঁয় হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের চারজনের দাফন সম্পন্ন Logo ১৬ বছরের কিশোরীকে ঘিরে সম্পর্কের কথা জানালেন অভিনেতা রাসেল Logo নাহিদ রানার শিকারে উইল ইয়াং Logo যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ উপেক্ষা করে ১০ দিনে ১০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি ইরানের Logo সংকট নিরসনে ব্যাপক জ্বালানি আমদানি অব্যাহত Logo ধামইরহাটে সাংবাদিকের ওপর হামলা: প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনাইটেড প্রেসক্লাব নওগাঁ

নওগাঁয় অপপ্রচারের প্রতিবাদ, মুক্তিযোদ্ধাকে ‘ভুয়া’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:২৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২৪ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বৃহস্পতিবার ।। ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ।।

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ সদর উপজেলার আনন্দ নগর এলাকার বাসিন্দা ডলি আক্তার ও তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেন এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমমে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউনাইটেড প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করে পরিকল্পিত অপপ্রচারের মাধ্যমে তাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডলি আক্তার। তিনি অভিযোগ করেন, গত ৬ এপ্রিল একই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি মোজাহার ইসলাম (সহকারী প্রধান শিক্ষক, সরাইল উচ্চ বিদ্যালয়), তার স্ত্রী রুবিয়া খাতুন বেলীসহ আরও কয়েকজন তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করেন। এতে তিনি ও তার পিতা মারাত্মক সামাজিক মানহানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, আমার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেনকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি একজন গেজেটভুক্ত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এবং দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ভাতা প্রাপ্ত হয়ে আসছেন। এ ধরনের অভিযোগে তাদের পরিবার গভীর মানসিক কষ্টে রয়েছে বলেও জানান তিনি। ঘটনার পটভূমি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, তার শিশু পুত্র আদিত্যসহ কয়েকজন শিশুর পটকা ফোটানোর একটি সাধারণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। ওই ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিকৃত করে ‘ককটেল বিস্ফোরণ’ হিসেবে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হয়, যা সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষরা এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। পাশাপাশি নওগাঁ সদর মডেল থানায় তাদের আসামি করে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যা তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার একটি অপচেষ্টা। সংবাদ সম্মেলনে ডলি আক্তার বলেন, আমরা নিরুপায় হয়ে আপনাদের সামনে এসেছি। সাংবাদিকরা সমাজের বিবেক, আপনারা সত্য উদঘাটন করে জাতির সামনে তুলে ধরবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। তিনি আরও জানান, তার স্বামী মনজুরুল আবছার রুবেল বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত। সে প্রেক্ষিতে তিনি নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ঘটনাটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গভীরভাবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক। সংবাদ সম্মেলনে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এবং মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা কামনা করেন। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নওগাঁয় অপপ্রচারের প্রতিবাদ, মুক্তিযোদ্ধাকে ‘ভুয়া’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:২৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বৃহস্পতিবার ।। ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ।।

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ সদর উপজেলার আনন্দ নগর এলাকার বাসিন্দা ডলি আক্তার ও তার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেন এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমমে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউনাইটেড প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করে পরিকল্পিত অপপ্রচারের মাধ্যমে তাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডলি আক্তার। তিনি অভিযোগ করেন, গত ৬ এপ্রিল একই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি মোজাহার ইসলাম (সহকারী প্রধান শিক্ষক, সরাইল উচ্চ বিদ্যালয়), তার স্ত্রী রুবিয়া খাতুন বেলীসহ আরও কয়েকজন তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করেন। এতে তিনি ও তার পিতা মারাত্মক সামাজিক মানহানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, আমার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেনকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি একজন গেজেটভুক্ত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এবং দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ভাতা প্রাপ্ত হয়ে আসছেন। এ ধরনের অভিযোগে তাদের পরিবার গভীর মানসিক কষ্টে রয়েছে বলেও জানান তিনি। ঘটনার পটভূমি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, তার শিশু পুত্র আদিত্যসহ কয়েকজন শিশুর পটকা ফোটানোর একটি সাধারণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। ওই ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিকৃত করে ‘ককটেল বিস্ফোরণ’ হিসেবে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হয়, যা সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষরা এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। পাশাপাশি নওগাঁ সদর মডেল থানায় তাদের আসামি করে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যা তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার একটি অপচেষ্টা। সংবাদ সম্মেলনে ডলি আক্তার বলেন, আমরা নিরুপায় হয়ে আপনাদের সামনে এসেছি। সাংবাদিকরা সমাজের বিবেক, আপনারা সত্য উদঘাটন করে জাতির সামনে তুলে ধরবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। তিনি আরও জানান, তার স্বামী মনজুরুল আবছার রুবেল বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত। সে প্রেক্ষিতে তিনি নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ঘটনাটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গভীরভাবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক। সংবাদ সম্মেলনে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এবং মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা কামনা করেন। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।