ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ Logo আকর্ষণীয় অফারে সাড়া ফেলছে ভিভো ভি৮০ লাইট Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ভুয়া ভাউচার, অর্থ লেনদেন, চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি ও দালালচক্র তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালীর অপসারণ দাবি Logo ২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ Logo সায়মন তারিকের নেতৃত্বে এফডিসিতে ‘চলচ্চিত্র কল্যাণ সোসাইটি’র আত্মপ্রকাশ Logo ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে মেসির প্রত্যাবর্তন, মনোনয়ন পেলেন না রোনালদো Logo বন্যার পর তিব্বতে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, নেপালেও অনুভূত কম্পন Logo আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ১১০৮ টাকা Logo ১২ বছরের পথচলা উদযাপন: দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ৮০% পর্যন্ত ফ্ল্যাশ সেল, ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার ও ৬৪ জেলায় ফ্রি ডেলিভারির বিশেষ সুযোগ Logo জবিতে ২০ শিক্ষার্থীর চলচ্চিত্র প্রদর্শন, অনুষ্ঠিত হলো ‘৩৫ মিলিমিটার-২০২৬’ উৎসব

পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৫ বার পঠিত

Oplus_16908288

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। ঢাকা।। ১১.০৯.২৬।।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডে কর্মরত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হাদী এ নোটিশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চেয়েছেন।

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দেওয়া নোটিশটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, প্রবীর কুমার গোস্বামী এর আগে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পরবর্তীতে সিলেট পানি উন্নয়ন সার্কেলে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং সরকারদলীয় লোকজনকে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সিলেট পানি উন্নয়ন সার্কেলের অর্থ ব্যয় করে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় এসব স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে এবং এর পেছনে প্রবীর কুমার গোস্বামীর রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাকে দায়ী করা হয়েছে বলে নোটিশে দাবি করা হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা এবং বিভিন্ন মনগড়া প্রকল্প অনুমোদনের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর এবং ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণের জন্য তিনি মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নেন বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অর্থ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যয় এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। নোটিশে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলের অনুরোধ করা হয়েছে।

তবে নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :

পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ

আপডেট সময় : ০৫:১৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। ঢাকা।। ১১.০৯.২৬।।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডে কর্মরত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হাদী এ নোটিশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চেয়েছেন।

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দেওয়া নোটিশটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, প্রবীর কুমার গোস্বামী এর আগে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পরবর্তীতে সিলেট পানি উন্নয়ন সার্কেলে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং সরকারদলীয় লোকজনকে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সিলেট পানি উন্নয়ন সার্কেলের অর্থ ব্যয় করে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় এসব স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে এবং এর পেছনে প্রবীর কুমার গোস্বামীর রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাকে দায়ী করা হয়েছে বলে নোটিশে দাবি করা হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা এবং বিভিন্ন মনগড়া প্রকল্প অনুমোদনের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর এবং ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণের জন্য তিনি মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নেন বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অর্থ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যয় এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। নোটিশে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলের অনুরোধ করা হয়েছে।

তবে নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।