ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিজয়নগরে হাঁসের বাচ্চা ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ব্যাক্তিকে খুনের অভিযোগ  Logo ইটভাটার মাটি কাটায় ঝুঁকিতে বৈদ্যুতিক খুঁটি, বিপদের আশঙ্কায় ৬০০ গ্রাহক Logo নদী-খাল-বিলে মাছ বাঁচাতে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে সবাইকে সচেতন হতে হবে- প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম Logo বৃষ্টি এলেই আতঙ্ক ভাঙা রাস্তায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে উত্তমপুর-চল্লিশ কাহনিয়ার মানুষ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জিহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন, মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ  Logo  জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি  Logo দীর্ঘস্থায়ী স্মুথ পারফরম্যান্সে ভিভো ওয়াই৫০০ Logo * ২০২২ সালের সম্প্রচারে ‘মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে ব্যয়’ নিয়ে তদন্তের ইঙ্গিত Logo বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ইমনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

* ২০২২ সালের সম্প্রচারে ‘মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে ব্যয়’ নিয়ে তদন্তের ইঙ্গিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ৬৬ বার পঠিত

বিশ্বকাপ সম্প্রচার ব্যয় প্রায় শূন্যে নামানোর দাবি তথ্যমন্ত্রীর

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সম্প্রচারস্বত্ব সরাসরি কিনে সাব-লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে সরকারের ব্যয় প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার দাবি করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, ফিফার প্রাপ্য অর্থও এবার সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ না দিয়েই বেসরকারি উদ্যোগ ও সাব-লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ সম্প্রচারে মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে বিপুল অর্থের লেনদেন হয়েছিল, যার বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত চলছে এবং দুদকও প্রাথমিক অনুসন্ধান করছে বলে তিনি জানান।

রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬-এর খেলা সম্প্রচার নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. শাহে আলম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এবার ফিফার কাছ থেকে সরাসরি ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলারে মিডিয়া রাইটস কিনেছে। পরে দেশের চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছে সাব-লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে এর প্রায় পুরো অর্থই আদায় করা হয়েছে। ফলে সরকারের ওপর নগদ ব্যয়ের চাপ মাত্র তিন থেকে পাঁচ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এমনকি আলোচনার মাধ্যমে এই ঘাটতিও পূরণ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ফিফার কাছ থেকে ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারে সম্প্রচারস্বত্ব কেনা হলেও তা মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসে। সে সময় বিটিভি ৯৮ কোটি টাকায় সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছিল এবং বেসরকারি সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর কাছে আরও প্রায় ৩৯ কোটি টাকায় বিভিন্ন স্বত্ব বিক্রি করা হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ১৪০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।
বলে দাবি করেন তিনি। যা দুর্নীতি ও লুটপাটের কেন্দ্র ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, এবার ফিফার ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলারের পাওনা পরিশোধের অর্থও আমরা বেসরকারি উৎস থেকে সংগ্রহ করেছি। তথ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) উদ্যোগে সাব-লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে এই অর্থের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফিফার পাওনা পরিশোধের পরও যে তিন-পাঁচ কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে, সেটিও সাব-লাইসেন্সিং থেকে আদায় করা হবে। ফলে বিশ্বকাপ সম্প্রচারে সরকারের আর্থিক ব্যয় প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

মন্ত্রী বলেন, এবার সরকার সরাসরি ফিফার সঙ্গে চুক্তি করায় মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ তৈরি হয়নি। এটি জাতির জন্য একটি সুখবর। ফলে এবার সরকারের রাজস্বের ওপর কোনো চাপ পড়েনি। এর ফলে রাষ্ট্রীয় অর্থ সাশ্রয় হয়েছে এবং কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীও নির্বিঘ্নে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পেরেছেন।

তিনি বলেন, বিশ্বকাপ সম্প্রচার ব্যবস্থাপনায় ব্যয় কমানোর পাশাপাশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ২০২২ সালের সম্প্রচারস্বত্ব কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াও চলছে।

এ বিষয়ে বিটিভির মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি দুদকও একটি প্রাথমিক অনুসন্ধান চালাচ্ছে বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। বিভাগীয় তদন্ত শেষ হওয়ার পর প্রয়োজন হলে তথ্য মন্ত্রণালয় দুদকের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করবে।

বিটিভির মহাপরিচালক আরও বলেন, বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য নির্ধারিত সম্প্রচার সময়ের বিকল্প অনুষ্ঠান নির্মাণ ব্যয় হিসাব করলে সামগ্রিকভাবে বিটিভির লাভও হতে পারে। তিনি দাবি করেন, বিটিভির প্রকৌশলীরা দক্ষতার সঙ্গে সম্প্রচার পরিচালনা করেছেন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতারও প্রমাণ দিয়েছেন।

তথ্য সচিব মো. শাহে আলম বলেন, সম্প্রচারের সময় বিভিন্ন ধরনের সাইবার হামলার আশঙ্কা ছিল। তবে বিটিভির প্রকৌশলী, টেলিযোগাযোগ খাতের বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সম্প্রচারস্বত্বের শর্ত অক্ষুণ্ন রেখে সফলভাবে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভবিষ্যতে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মতো জনপ্রিয় ফুটবল দলের সঙ্গে বাংলাদেশকে যুক্ত করে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়ার প্রস্তাবকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিষয়টি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

এছাড়া তরুণদের খেলাধুলায় আরও সম্পৃক্ত করতে সরকার ‘স্পোর্টস কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছে বলেও জানান জহির উদ্দিন স্বপন। তাঁর ভাষ্য, খেলাধুলাকে শুধু বিনোদন নয়, সম্ভাবনাময় তরুণদের পেশাগত বিকাশের ক্ষেত্র হিসেবেও গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

ডিজিটাল যুগের চাহিদা অনুযায়ী বিটিভি, বাংলাদেশ বেতার এবং বেসরকারি টেলিভিশনের জন্য নতুন ধরনের ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির লক্ষ্যে একটি ‘নিউ মিডিয়া’ প্রকল্পও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। তাঁর আশা, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই প্রকল্পটির কার্যক্রম দৃশ্যমান হবে।

ট্যাগস :

* ২০২২ সালের সম্প্রচারে ‘মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে ব্যয়’ নিয়ে তদন্তের ইঙ্গিত

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ সম্প্রচার ব্যয় প্রায় শূন্যে নামানোর দাবি তথ্যমন্ত্রীর

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সম্প্রচারস্বত্ব সরাসরি কিনে সাব-লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে সরকারের ব্যয় প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার দাবি করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, ফিফার প্রাপ্য অর্থও এবার সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ না দিয়েই বেসরকারি উদ্যোগ ও সাব-লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ সম্প্রচারে মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে বিপুল অর্থের লেনদেন হয়েছিল, যার বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত চলছে এবং দুদকও প্রাথমিক অনুসন্ধান করছে বলে তিনি জানান।

রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬-এর খেলা সম্প্রচার নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. শাহে আলম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এবার ফিফার কাছ থেকে সরাসরি ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলারে মিডিয়া রাইটস কিনেছে। পরে দেশের চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছে সাব-লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে এর প্রায় পুরো অর্থই আদায় করা হয়েছে। ফলে সরকারের ওপর নগদ ব্যয়ের চাপ মাত্র তিন থেকে পাঁচ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এমনকি আলোচনার মাধ্যমে এই ঘাটতিও পূরণ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ফিফার কাছ থেকে ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারে সম্প্রচারস্বত্ব কেনা হলেও তা মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসে। সে সময় বিটিভি ৯৮ কোটি টাকায় সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছিল এবং বেসরকারি সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর কাছে আরও প্রায় ৩৯ কোটি টাকায় বিভিন্ন স্বত্ব বিক্রি করা হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ১৪০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।
বলে দাবি করেন তিনি। যা দুর্নীতি ও লুটপাটের কেন্দ্র ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, এবার ফিফার ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলারের পাওনা পরিশোধের অর্থও আমরা বেসরকারি উৎস থেকে সংগ্রহ করেছি। তথ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) উদ্যোগে সাব-লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে এই অর্থের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফিফার পাওনা পরিশোধের পরও যে তিন-পাঁচ কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে, সেটিও সাব-লাইসেন্সিং থেকে আদায় করা হবে। ফলে বিশ্বকাপ সম্প্রচারে সরকারের আর্থিক ব্যয় প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

মন্ত্রী বলেন, এবার সরকার সরাসরি ফিফার সঙ্গে চুক্তি করায় মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ তৈরি হয়নি। এটি জাতির জন্য একটি সুখবর। ফলে এবার সরকারের রাজস্বের ওপর কোনো চাপ পড়েনি। এর ফলে রাষ্ট্রীয় অর্থ সাশ্রয় হয়েছে এবং কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীও নির্বিঘ্নে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পেরেছেন।

তিনি বলেন, বিশ্বকাপ সম্প্রচার ব্যবস্থাপনায় ব্যয় কমানোর পাশাপাশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ২০২২ সালের সম্প্রচারস্বত্ব কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াও চলছে।

এ বিষয়ে বিটিভির মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি দুদকও একটি প্রাথমিক অনুসন্ধান চালাচ্ছে বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। বিভাগীয় তদন্ত শেষ হওয়ার পর প্রয়োজন হলে তথ্য মন্ত্রণালয় দুদকের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করবে।

বিটিভির মহাপরিচালক আরও বলেন, বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য নির্ধারিত সম্প্রচার সময়ের বিকল্প অনুষ্ঠান নির্মাণ ব্যয় হিসাব করলে সামগ্রিকভাবে বিটিভির লাভও হতে পারে। তিনি দাবি করেন, বিটিভির প্রকৌশলীরা দক্ষতার সঙ্গে সম্প্রচার পরিচালনা করেছেন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতারও প্রমাণ দিয়েছেন।

তথ্য সচিব মো. শাহে আলম বলেন, সম্প্রচারের সময় বিভিন্ন ধরনের সাইবার হামলার আশঙ্কা ছিল। তবে বিটিভির প্রকৌশলী, টেলিযোগাযোগ খাতের বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সম্প্রচারস্বত্বের শর্ত অক্ষুণ্ন রেখে সফলভাবে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভবিষ্যতে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মতো জনপ্রিয় ফুটবল দলের সঙ্গে বাংলাদেশকে যুক্ত করে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়ার প্রস্তাবকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিষয়টি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

এছাড়া তরুণদের খেলাধুলায় আরও সম্পৃক্ত করতে সরকার ‘স্পোর্টস কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছে বলেও জানান জহির উদ্দিন স্বপন। তাঁর ভাষ্য, খেলাধুলাকে শুধু বিনোদন নয়, সম্ভাবনাময় তরুণদের পেশাগত বিকাশের ক্ষেত্র হিসেবেও গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

ডিজিটাল যুগের চাহিদা অনুযায়ী বিটিভি, বাংলাদেশ বেতার এবং বেসরকারি টেলিভিশনের জন্য নতুন ধরনের ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির লক্ষ্যে একটি ‘নিউ মিডিয়া’ প্রকল্পও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। তাঁর আশা, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই প্রকল্পটির কার্যক্রম দৃশ্যমান হবে।