ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আইজিপির সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ Logo লেবাননের সাথে যুদ্ধবিরতির কোনো চুক্তি হবেনা : ইসরায়েলি সেনাপ্রধান Logo ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা Logo ৬ বিভাগে প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস, পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা Logo ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ‘আসল খরচ’ হতে পারে ৪০–৫০ বিলিয়ন ডলার Logo প্রথম ভোটযুদ্ধেই বাজিমাত করলেন থালাপতি বিজয় Logo ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo নাহিদ ইসলাম দুর্নীতিতে জড়িত না হলেও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ: রাশেদ খাঁন Logo আবারও বেড়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম Logo বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গেল বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

ইরানে অবস্থানরত ১৫ দেশের নাগরিকদের দ্রুত দেশত্যাগের নির্দেশ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১৭ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। শনিবার ।। ২৮.০২.২০২৬ ।।

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে ঘিরে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন ও ভারতসহ অন্তত ১৫টির বেশি দেশ তাদের নাগরিকদের দ্রুত ইরান ত্যাগের নির্দেশনা জারি করেছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করার ঘোষণা দিলে বিভিন্ন দেশ জরুরি ভ্রমণ সতর্কতা প্রকাশ করে। নাগরিকদের বাণিজ্যিক ফ্লাইট বা বিকল্প নিরাপদ উপায়ে দ্রুত দেশত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়। এর আগে জেনেভা-তে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে পাঁচ দফা পরমাণু আলোচনা ফলহীনভাবে শেষ হয়। সংলাপে ইউরেনিয়াম মজুত ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে মতভেদ কাটেনি। আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়তে থাকে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ এক বিবৃতিতে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে দেশজুড়ে বিশেষ জরুরি অবস্থা জারির কথা জানান। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় অগ্রগতি না হওয়ায় প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানান এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়। জানা গেছে, জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ, বিমানবাহী রণতরী ও আধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েলি বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এদিকে জার্মানি, কানাডা, ইতালি ও অস্ট্রেলিয়াসহ একাধিক দেশ তাদের দূতাবাস কর্মীদের নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং সাধারণ নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে। আকাশপথ বা স্থলসীমান্ত যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এই সতর্কতা। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস রুট পরিবর্তন করেছে। ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংসের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অংশ নিতে পারে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থা উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানালেও ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, অভিযান শুরু হয়ে যাওয়ায় সংঘাতের বিস্তার রোধই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।

ট্যাগস :

ইরানে অবস্থানরত ১৫ দেশের নাগরিকদের দ্রুত দেশত্যাগের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৩:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। শনিবার ।। ২৮.০২.২০২৬ ।।

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে ঘিরে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন ও ভারতসহ অন্তত ১৫টির বেশি দেশ তাদের নাগরিকদের দ্রুত ইরান ত্যাগের নির্দেশনা জারি করেছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করার ঘোষণা দিলে বিভিন্ন দেশ জরুরি ভ্রমণ সতর্কতা প্রকাশ করে। নাগরিকদের বাণিজ্যিক ফ্লাইট বা বিকল্প নিরাপদ উপায়ে দ্রুত দেশত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়। এর আগে জেনেভা-তে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে পাঁচ দফা পরমাণু আলোচনা ফলহীনভাবে শেষ হয়। সংলাপে ইউরেনিয়াম মজুত ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে মতভেদ কাটেনি। আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়তে থাকে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ এক বিবৃতিতে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে দেশজুড়ে বিশেষ জরুরি অবস্থা জারির কথা জানান। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় অগ্রগতি না হওয়ায় প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানান এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়। জানা গেছে, জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ, বিমানবাহী রণতরী ও আধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েলি বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এদিকে জার্মানি, কানাডা, ইতালি ও অস্ট্রেলিয়াসহ একাধিক দেশ তাদের দূতাবাস কর্মীদের নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং সাধারণ নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে। আকাশপথ বা স্থলসীমান্ত যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই এই সতর্কতা। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস রুট পরিবর্তন করেছে। ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংসের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অংশ নিতে পারে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থা উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানালেও ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, অভিযান শুরু হয়ে যাওয়ায় সংঘাতের বিস্তার রোধই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।