ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বৃহৎ পরিসরের এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন করল হুয়াওয়ে Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানায় অভিযোগ করায় বাদী পক্ষের ওপর ফের হামলা, ভাঙচুর লুটপাট, আহত ৪ Logo মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’ Logo চেয়ারম্যানের নির্দেশে সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগ, বাদীই বলছেন ‘চিনি না’ Logo অবাধ নৌচলাচলে হরমুজ প্রণালিতে যৌথভাবে কাজ করবে ভারত-ফ্রান্স Logo বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা Logo ছয় মাসের জন্য গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞায় সালাহ Logo ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কে আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন Logo বিশ্বের প্রথম কেইজ ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০

২০২৫ এ ইসরায়েলে রেকর্ড সংখ্যক চুক্তির সাইনিং

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ২৪২ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

২০২৫ সালে, ইসরায়েল বৈশ্বিক বাণিজ্যে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, যেখানে দেশের বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে বড় আকারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিশেষ করে, জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং সামরিক খাতে ইসরায়েল তার শক্তিশালী অবস্থান দৃঢ় করেছে

ইসরায়েল গত বছরে সবচেয়ে বড় জ্বালানি চুক্তিটি মিসরের সঙ্গে স্বাক্ষর করেছে। ২০৪০ সাল পর্যন্ত লেভিয়াথান গ্যাসক্ষেত্র থেকে মিসরকে ১৩০ বিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করবে ইসরায়েল, যার মূল্য ৩,৫০০ কোটি ডলার। এই চুক্তির মাধ্যমে মিসরের উপর ইসরায়েলের জ্বালানি নির্ভরশীলতা আরও সুসংহত হবে।

গত বছর প্রযুক্তি খাতে ইসরায়েল ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে। গুগল (অ্যালফাবেট) ৩,২০০ কোটি ডলারে ইসরায়েলি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ‘উইজ’ কিনছে, যা ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত হবে। এছাড়া এনভিডিয়া তাদের বৃহত্তম এআই ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য ১৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে রাজি হয়েছে, যা ইসরায়েলকে বিশ্বের শীর্ষ সাইবার নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তি হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

ইউরোপের শক্তিশালী দেশ জার্মানি, ইসরায়েলের তৈরি অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সিস্টেম ‘অ্যারো-৩’ সংগ্রহ করতে সাড়ে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা ইসরায়েলের ইতিহাসে একক কোনো দেশ থেকে সবচেয়ে বড় সামরিক রপ্তানি।

২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৪,০০০ কোটি ডলার, যা মোট বাণিজ্যের প্রায় ১৯ শতাংশ। চীন, তুরস্ক, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে সক্রিয় ছিল।

এছাড়া, ইসরায়েল তাদের আমদানি এবং রপ্তানি পণ্যের মধ্যে ফোন, কম্পিউটার, ভারী যানবাহন, খনিজ পণ্য, হীরা, সোনা, অপটিক্যাল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মাধ্যমে, ‘যুদ্ধে পরীক্ষিত’ তকমা ব্যবহার করে ইসরায়েল তার সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী বিপুল চাহিদা তৈরি করেছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :

২০২৫ এ ইসরায়েলে রেকর্ড সংখ্যক চুক্তির সাইনিং

আপডেট সময় : ১২:৫০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

২০২৫ সালে, ইসরায়েল বৈশ্বিক বাণিজ্যে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, যেখানে দেশের বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে বড় আকারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিশেষ করে, জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং সামরিক খাতে ইসরায়েল তার শক্তিশালী অবস্থান দৃঢ় করেছে

ইসরায়েল গত বছরে সবচেয়ে বড় জ্বালানি চুক্তিটি মিসরের সঙ্গে স্বাক্ষর করেছে। ২০৪০ সাল পর্যন্ত লেভিয়াথান গ্যাসক্ষেত্র থেকে মিসরকে ১৩০ বিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করবে ইসরায়েল, যার মূল্য ৩,৫০০ কোটি ডলার। এই চুক্তির মাধ্যমে মিসরের উপর ইসরায়েলের জ্বালানি নির্ভরশীলতা আরও সুসংহত হবে।

গত বছর প্রযুক্তি খাতে ইসরায়েল ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে। গুগল (অ্যালফাবেট) ৩,২০০ কোটি ডলারে ইসরায়েলি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ‘উইজ’ কিনছে, যা ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত হবে। এছাড়া এনভিডিয়া তাদের বৃহত্তম এআই ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য ১৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে রাজি হয়েছে, যা ইসরায়েলকে বিশ্বের শীর্ষ সাইবার নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তি হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

ইউরোপের শক্তিশালী দেশ জার্মানি, ইসরায়েলের তৈরি অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সিস্টেম ‘অ্যারো-৩’ সংগ্রহ করতে সাড়ে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা ইসরায়েলের ইতিহাসে একক কোনো দেশ থেকে সবচেয়ে বড় সামরিক রপ্তানি।

২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৪,০০০ কোটি ডলার, যা মোট বাণিজ্যের প্রায় ১৯ শতাংশ। চীন, তুরস্ক, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে সক্রিয় ছিল।

এছাড়া, ইসরায়েল তাদের আমদানি এবং রপ্তানি পণ্যের মধ্যে ফোন, কম্পিউটার, ভারী যানবাহন, খনিজ পণ্য, হীরা, সোনা, অপটিক্যাল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মাধ্যমে, ‘যুদ্ধে পরীক্ষিত’ তকমা ব্যবহার করে ইসরায়েল তার সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী বিপুল চাহিদা তৈরি করেছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।