ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভিভো ভি৮০-এর রং, ডিজাইন ও ক্যামেরায় মুগ্ধ হবে সবাই! Logo স্ন্যাপড্রাগন ফাইভজি প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি Logo রামায়ণে মুসলিম আমেজের গান, জবাব দিলেন এ আর রহমান Logo নাহিদার অধিনায়কত্বের শুরুতেই দলে ফিরলেন সুমনা Logo ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল থাইল্যান্ড Logo আইনি অধিকারের মধ্যে কাউকে হত্যা করার অধিকার আছে পুলিশের Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেশার টাকার জন্য স্ত্রী হত্যা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার Logo বাক্কোর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ফয়সল আলিম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হোসেন Logo আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতে নামিবিয়ার ইতিহাস Logo ২০ জনের বেশি নাবিককে হত্যা করেছে ইরান, দাবি সেন্টকমের

ঋতু পরিবর্তনের এসময়ে দ্রুত ছড়াচ্ছে ভাইরাল ইনফেকশন, এড়াতে সতর্ক থাকুন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৯:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১১৫৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে ভাইরাল সংক্রমণে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋতু পরিবর্তনের কারণে প্রায় সবাই ভাইরাল জ্বর, সর্দি, কাশিতে ভুগে থাকেন। আসলে, ভাইরাল সংক্রমণ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কোভিডও একটি ভাইরাল সংক্রমণ, যার কারণে করোনাভাইরাস দ্রুত সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল।

তবে কোভিড বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও অন্যান্য ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে খুব দ্রুত। তাই সচেতন হওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। এক্ষেত্রে ভাইরাসগুলো দ্রুত নিজের প্রভাব বিস্তার করে ছোট-বড় সবাইকে সমস্যায় ফেলছে। ভাইরাল ইনফেকশন বিভিন্ন ধরনের হয়। যার মধ্যে অন্যতম হলো ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ অ্যাডিনোভাইরাস। চলুন জেনে নেওয়া যাক এর লক্ষণসমূহ-
১. জ্বর; ২. ঠান্ডা; ৩. কাশি; ৪. মাথাব্যথা; ৫. শরীর ব্যথা; ৬. বমি করা; ৭. ডায়রিয়া; ৮. ক্লান্তি ইত্যাদি।

ভাইরাল সংক্রমণ প্রতিরোধে যা করতে হবে-

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাইরাল সংক্রমণ এড়াতে নিয়মিত হাত ধুতে হবে। কারণ বেশিরভাগ ভাইরাসই হাত থেকে মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। তাই হাত ধোয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। সময় পেলে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। ছোটদেরও এই শিক্ষা দিন। তবেই আপনি সহজেই রোগ থেকে মুক্তি পাবেন।

পরিবারের কারো ভাইরাল ইনফেকশন হোক বা না হোক তবে, ব্রাশ- তোয়ালে ইত্যাদি একেজনেরটা অন্যজন ব্যবহার করবেন না। হয়তো শরীরে ভাইরাস থাকার পরও কোনো লক্ষণ আপনার দেখা দেয়নি। আপনি অ্যাসিম্পটোমেটিক। তাই সতর্ক থাকুন।

হাঁচি, কাশির সময় মুখ থেকে বেরিয়ে আসে তরল বিন্দু। এই তরল বিন্দুর নাম হলো ড্রপলেট। জানলে অবাক হবেন, এই ড্রপলেটে কিন্তু অসংখ্য ভাইরাস থাকে। তাই চেষ্টা করুন হাঁচি-কাশির সময় নাকে-মুখে হাত দিয়ে রাখার। সম্ভব হলে নিয়মিত মাস্ক পরুন।

এ সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে। বিশেষ করে লেবু খান। এছাড়াও প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। এমনকি ৩০ মিনিটের ব্যায়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

তরুণ ও বৃদ্ধ সবাইকে এখনই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া উচিত। এই ভ্যাকসিন ভাইরাল সংক্রমণকে গুরুতর করে না। এ সময় পরিবারের কারো হাঁচি, কাশি, জ্বর হলে তাদের দূরে রাখার চেষ্টা করুন। এছাড়াও দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ঋতু পরিবর্তনের এসময়ে দ্রুত ছড়াচ্ছে ভাইরাল ইনফেকশন, এড়াতে সতর্ক থাকুন

আপডেট সময় : ০৩:১৯:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে ভাইরাল সংক্রমণে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋতু পরিবর্তনের কারণে প্রায় সবাই ভাইরাল জ্বর, সর্দি, কাশিতে ভুগে থাকেন। আসলে, ভাইরাল সংক্রমণ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কোভিডও একটি ভাইরাল সংক্রমণ, যার কারণে করোনাভাইরাস দ্রুত সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল।

তবে কোভিড বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও অন্যান্য ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে খুব দ্রুত। তাই সচেতন হওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। এক্ষেত্রে ভাইরাসগুলো দ্রুত নিজের প্রভাব বিস্তার করে ছোট-বড় সবাইকে সমস্যায় ফেলছে। ভাইরাল ইনফেকশন বিভিন্ন ধরনের হয়। যার মধ্যে অন্যতম হলো ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ অ্যাডিনোভাইরাস। চলুন জেনে নেওয়া যাক এর লক্ষণসমূহ-
১. জ্বর; ২. ঠান্ডা; ৩. কাশি; ৪. মাথাব্যথা; ৫. শরীর ব্যথা; ৬. বমি করা; ৭. ডায়রিয়া; ৮. ক্লান্তি ইত্যাদি।

ভাইরাল সংক্রমণ প্রতিরোধে যা করতে হবে-

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাইরাল সংক্রমণ এড়াতে নিয়মিত হাত ধুতে হবে। কারণ বেশিরভাগ ভাইরাসই হাত থেকে মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। তাই হাত ধোয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। সময় পেলে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। ছোটদেরও এই শিক্ষা দিন। তবেই আপনি সহজেই রোগ থেকে মুক্তি পাবেন।

পরিবারের কারো ভাইরাল ইনফেকশন হোক বা না হোক তবে, ব্রাশ- তোয়ালে ইত্যাদি একেজনেরটা অন্যজন ব্যবহার করবেন না। হয়তো শরীরে ভাইরাস থাকার পরও কোনো লক্ষণ আপনার দেখা দেয়নি। আপনি অ্যাসিম্পটোমেটিক। তাই সতর্ক থাকুন।

হাঁচি, কাশির সময় মুখ থেকে বেরিয়ে আসে তরল বিন্দু। এই তরল বিন্দুর নাম হলো ড্রপলেট। জানলে অবাক হবেন, এই ড্রপলেটে কিন্তু অসংখ্য ভাইরাস থাকে। তাই চেষ্টা করুন হাঁচি-কাশির সময় নাকে-মুখে হাত দিয়ে রাখার। সম্ভব হলে নিয়মিত মাস্ক পরুন।

এ সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে। বিশেষ করে লেবু খান। এছাড়াও প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। এমনকি ৩০ মিনিটের ব্যায়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

তরুণ ও বৃদ্ধ সবাইকে এখনই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া উচিত। এই ভ্যাকসিন ভাইরাল সংক্রমণকে গুরুতর করে না। এ সময় পরিবারের কারো হাঁচি, কাশি, জ্বর হলে তাদের দূরে রাখার চেষ্টা করুন। এছাড়াও দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।