ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

গণবিরোধী সরকার জবাবদিহিতার ধার ধারে না:রিজভী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৪৯২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আগামী মার্চে আবারও বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়াবে সরকার। গণবিরোধী সরকার জবাবদিহিতার ধার ধারে না। ৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচন জনগণ প্রত্যাখ্যান করায় প্রতিশোধ নিতেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দলটির নয়াপল্টন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, সরকার জনজীবন দুর্বিষহ করতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত অতিনিষ্ঠুর হবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়লে এর চেইন রিঅ্যাকশন জনগণের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। গভীর সংকটে পড়বে কৃষি, শিল্প, কলকারখানা। এরই মধ্যে বাজারে পণ্যের দাম বাড়ছে। মানুষ প্রয়োজনীয় খাবার কিনতেই হিমশিম খাচ্ছে। এরওপর এই দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর চরম আঘাত আনবে। মধ্যম ও নিম্ন আয়ের মানুষ এমনিতেই কঠিন কষ্টের মধ্যে দিনযাপন করছে। দেশে ৮০ শতাংশ মানুষের আয় বাড়েনি। অনাহারে-অর্ধাহারে কোনোরকম জীবন কাটাচ্ছে। তার ওপর বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি জনগণকে বিপদের মুখে ঠেলে দেবে। সামনে রমজান মাস, তার আগেই এই দাম বৃদ্ধি হবে ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো’।

তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে দেশ-বিদেশ থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ নিয়ে জনগণের ওপর বোঝা বাড়ানো হয়েছে। সরকারের হরিলুটের আর্থিক নীতির কারণে দেশের রাজকোষ প্রায় শূন্য হয়ে পড়েছে। এখন ডলার সংকটের কারণে কয়লা উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানো হচ্ছে। জনগণের প্রশ্ন, ডলারের রিজার্ভ গেল কোথায়? উন্নয়নের ফানুস দেখিয়ে কারা ডলার আত্মসাৎ করেছে, কারা বিদেশে সম্পদ পাচার করেছে? বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দাম বৃদ্ধির উদ্যোগকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

রিজভী বলেন, আত্মনির্ভরশীলতার স্থলে পরনির্ভরশীলতাকে করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় নীতি। এখন ভারত থেকে কচুরমুখীও আমদানি করতে হয়। প্রকাশনা শিল্পকে ধ্বংস করে বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক পর্যন্ত এখন ছাপা হয় ভারত থেকে। নিজস্ব ভাষা-সংস্কৃতির বদলে ব্যাপকভাবে ভিনদেশি ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটাতে গল্প, কবিতা ও কার্টুনের বইয়ের পাশাপাশি সিনেমা ও নাটক আমদানি করা হচ্ছে। এই সরকার বাংলাদেশের বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, আবুল খায়ের ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, তরিকুল আলম তেনজিং প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গণবিরোধী সরকার জবাবদিহিতার ধার ধারে না:রিজভী

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আগামী মার্চে আবারও বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়াবে সরকার। গণবিরোধী সরকার জবাবদিহিতার ধার ধারে না। ৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচন জনগণ প্রত্যাখ্যান করায় প্রতিশোধ নিতেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দলটির নয়াপল্টন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, সরকার জনজীবন দুর্বিষহ করতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত অতিনিষ্ঠুর হবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়লে এর চেইন রিঅ্যাকশন জনগণের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। গভীর সংকটে পড়বে কৃষি, শিল্প, কলকারখানা। এরই মধ্যে বাজারে পণ্যের দাম বাড়ছে। মানুষ প্রয়োজনীয় খাবার কিনতেই হিমশিম খাচ্ছে। এরওপর এই দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর চরম আঘাত আনবে। মধ্যম ও নিম্ন আয়ের মানুষ এমনিতেই কঠিন কষ্টের মধ্যে দিনযাপন করছে। দেশে ৮০ শতাংশ মানুষের আয় বাড়েনি। অনাহারে-অর্ধাহারে কোনোরকম জীবন কাটাচ্ছে। তার ওপর বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি জনগণকে বিপদের মুখে ঠেলে দেবে। সামনে রমজান মাস, তার আগেই এই দাম বৃদ্ধি হবে ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো’।

তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে দেশ-বিদেশ থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ নিয়ে জনগণের ওপর বোঝা বাড়ানো হয়েছে। সরকারের হরিলুটের আর্থিক নীতির কারণে দেশের রাজকোষ প্রায় শূন্য হয়ে পড়েছে। এখন ডলার সংকটের কারণে কয়লা উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানো হচ্ছে। জনগণের প্রশ্ন, ডলারের রিজার্ভ গেল কোথায়? উন্নয়নের ফানুস দেখিয়ে কারা ডলার আত্মসাৎ করেছে, কারা বিদেশে সম্পদ পাচার করেছে? বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দাম বৃদ্ধির উদ্যোগকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

রিজভী বলেন, আত্মনির্ভরশীলতার স্থলে পরনির্ভরশীলতাকে করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় নীতি। এখন ভারত থেকে কচুরমুখীও আমদানি করতে হয়। প্রকাশনা শিল্পকে ধ্বংস করে বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক পর্যন্ত এখন ছাপা হয় ভারত থেকে। নিজস্ব ভাষা-সংস্কৃতির বদলে ব্যাপকভাবে ভিনদেশি ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটাতে গল্প, কবিতা ও কার্টুনের বইয়ের পাশাপাশি সিনেমা ও নাটক আমদানি করা হচ্ছে। এই সরকার বাংলাদেশের বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, আবুল খায়ের ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, তরিকুল আলম তেনজিং প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।