ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী Logo মিশিগানে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল আল–সাইদ

মুখে ঘা ও হতে পারে ক্যানসারের লক্ষণ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৮০৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

মুখের ঘা খুবই যন্ত্রণাদায়ক। ভিটামিনের অভাব থেকে শুরু করে মুখের ঘাও কিন্তু হতে পারে মাউথ আলসারের লক্ষণ। সাধারণত মুখের ভেতরের ত্বকের আস্তরণে ক্ষত সৃষ্টির মাধ্যমে মাউথ আলসার বা মুখের ঘা শুরু হয়।

একটি মাত্র ক্ষত থেকে সারা মুখে ছোট ছোট ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে। ফলে ব্যথা ও যন্ত্রণা বাড়ে। মুখের ঘা বিভিন্ন কারণে হতে পারে যেমন হঠাৎ করে মুখে কামড়, দাঁত ব্রাশের আঘাত, শক্ত খাবার খাওয়ার সময় ঘর্ষণ, ভিটামিনের অভাব, দাঁত পিষে যাওয়া, ঘুমের অভাব এবং মানসিক চাপের কারণে মুখে ঘা হয়।

আবার শীতে ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বেড়ে যায়। ফলে মুখের আলসারের সমস্যাও বাড়ে। বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া মুখের সংক্রমণ ঘটাতে পারে। যাইহোক, ওভার-দ্য-কাউন্টার টপিকাল ওরাল জেল এবং ক্রিম বেশিরভাগ মুখের ঘা সারাতে পারে। তবে আপনি চাইলে ঘরোয়া উপায়েই এর সমাধান করতে পারেন। এমনই ৭টি পরীক্ষিত প্রতিকার সম্পর্কে জানুন-

মধু: ঘরে বসেই মুখের ঘা সারাতে মধু ব্যবহার করতে পারেন। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য মুখকে আর্দ্র রাখে এবং শুষ্কতা দূর করে। মধুর সাথে এক চিমটি হলুদ মিশিয়েও মুখের ঘা দূর করতে পারেন।

তুলসী পাতা: মুখের ঘা সারাতে তুলসী পাতা চিবিয়ে বা তুলসীযুক্ত গরম জলে দিনে দুবার গার্গল করুন।

লবণ পানি: ভালো মুখের স্বাস্থ্যের জন্য একটি দুর্দান্ত ঘরোয়া প্রতিকার হল লবণ জল দিয়ে গার্গল করা। নুন জল মুখের ঘা সারাতেও কার্যকর।

এই পানি দিয়ে গার্গল করলে মুখের ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। লবণ পানি নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধের ব্যাকটেরিয়া কমায়। ভালো ফলাফলের জন্য দিনে দুবার গার্গল করুন।

মুখের ঘা হলে যে নিয়ম মেনে চলা জরুরি-

# দাঁত ব্রাশ করার পর মাউথওয়াশ দিয়ে গার্গল করুন। কারণ এতে ব্যাকটেরিয়া দূর হয় এবং মুখের স্বাস্থ্যবিধি বজায় থাকে।

# লেবু, আনারস, টমেটো, কমলা বা এ জাতীয় কোনো অ্যাসিডিক খাবার খাবেন না, এগুলো ব্যথা বাড়ায়।

# ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ফলিক এসিড এবং আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যেমন কলা, আম, স্বল্প ফ্যাটযুক্ত দই ইত্যাদি খাওয়া।

# শক্ত খাবারগুলো এড়িয়ে চলুন, এগুলো মুখের ক্ষত বাড়িয়ে দিতে পারে।

# নরম ব্রিস্টেড টুথব্রাশ ব্যবহার করুন।

# ঠাণ্ডা তরল পান করুন বা বরফের মতো ঠান্ডা কিছু চুষতে পারেন।

# প্রচুর পানি পান করুন।

# লবণ ও বেকিং সোডা মিশিয়ে গরম পানিতে গার্গল করুন।

# অ্যালকোহল বা তামাক এবং তামাকজাত দ্রব্য এড়িয়ে চলুন, এগুলোও জ্বালা বাড়াতে পারে।

মুখে ঘা ও হতে পারে ক্যানসারের লক্ষণ

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

মুখের ঘা খুবই যন্ত্রণাদায়ক। ভিটামিনের অভাব থেকে শুরু করে মুখের ঘাও কিন্তু হতে পারে মাউথ আলসারের লক্ষণ। সাধারণত মুখের ভেতরের ত্বকের আস্তরণে ক্ষত সৃষ্টির মাধ্যমে মাউথ আলসার বা মুখের ঘা শুরু হয়।

একটি মাত্র ক্ষত থেকে সারা মুখে ছোট ছোট ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে। ফলে ব্যথা ও যন্ত্রণা বাড়ে। মুখের ঘা বিভিন্ন কারণে হতে পারে যেমন হঠাৎ করে মুখে কামড়, দাঁত ব্রাশের আঘাত, শক্ত খাবার খাওয়ার সময় ঘর্ষণ, ভিটামিনের অভাব, দাঁত পিষে যাওয়া, ঘুমের অভাব এবং মানসিক চাপের কারণে মুখে ঘা হয়।

আবার শীতে ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বেড়ে যায়। ফলে মুখের আলসারের সমস্যাও বাড়ে। বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া মুখের সংক্রমণ ঘটাতে পারে। যাইহোক, ওভার-দ্য-কাউন্টার টপিকাল ওরাল জেল এবং ক্রিম বেশিরভাগ মুখের ঘা সারাতে পারে। তবে আপনি চাইলে ঘরোয়া উপায়েই এর সমাধান করতে পারেন। এমনই ৭টি পরীক্ষিত প্রতিকার সম্পর্কে জানুন-

মধু: ঘরে বসেই মুখের ঘা সারাতে মধু ব্যবহার করতে পারেন। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য মুখকে আর্দ্র রাখে এবং শুষ্কতা দূর করে। মধুর সাথে এক চিমটি হলুদ মিশিয়েও মুখের ঘা দূর করতে পারেন।

তুলসী পাতা: মুখের ঘা সারাতে তুলসী পাতা চিবিয়ে বা তুলসীযুক্ত গরম জলে দিনে দুবার গার্গল করুন।

লবণ পানি: ভালো মুখের স্বাস্থ্যের জন্য একটি দুর্দান্ত ঘরোয়া প্রতিকার হল লবণ জল দিয়ে গার্গল করা। নুন জল মুখের ঘা সারাতেও কার্যকর।

এই পানি দিয়ে গার্গল করলে মুখের ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। লবণ পানি নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধের ব্যাকটেরিয়া কমায়। ভালো ফলাফলের জন্য দিনে দুবার গার্গল করুন।

মুখের ঘা হলে যে নিয়ম মেনে চলা জরুরি-

# দাঁত ব্রাশ করার পর মাউথওয়াশ দিয়ে গার্গল করুন। কারণ এতে ব্যাকটেরিয়া দূর হয় এবং মুখের স্বাস্থ্যবিধি বজায় থাকে।

# লেবু, আনারস, টমেটো, কমলা বা এ জাতীয় কোনো অ্যাসিডিক খাবার খাবেন না, এগুলো ব্যথা বাড়ায়।

# ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ফলিক এসিড এবং আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যেমন কলা, আম, স্বল্প ফ্যাটযুক্ত দই ইত্যাদি খাওয়া।

# শক্ত খাবারগুলো এড়িয়ে চলুন, এগুলো মুখের ক্ষত বাড়িয়ে দিতে পারে।

# নরম ব্রিস্টেড টুথব্রাশ ব্যবহার করুন।

# ঠাণ্ডা তরল পান করুন বা বরফের মতো ঠান্ডা কিছু চুষতে পারেন।

# প্রচুর পানি পান করুন।

# লবণ ও বেকিং সোডা মিশিয়ে গরম পানিতে গার্গল করুন।

# অ্যালকোহল বা তামাক এবং তামাকজাত দ্রব্য এড়িয়ে চলুন, এগুলোও জ্বালা বাড়াতে পারে।