ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

যৌতুকের চাপে বিয়ের ১০ মাসের মাথায় আত্মহত্যা করলেন নববধূ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৩০ বার পঠিত

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কাদিপুরে বিয়ের ১০ মাসের মাথায় ফাঁস দিয়ে সুখজান খাতুন (১৯) নামের এক নববধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উপজেলার হাউলি ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামে নববধূর শ্বশুর বাড়িতে নিজ শয়নকক্ষের আড়াই ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ঝাঝরি বেগমপুর গ্রামের কুদ্দুস আলীর মেয়ে। খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার কাদিপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে ইকবল হোসেনের সাথে ১০ মাস আগে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ঝাঝরি বেগমপুর গ্রামের কুদ্দুস আলীর মেয়ে সুখজানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সুখে শান্তিতে বসবাস করছিলেন ওই দম্পতি। তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মিল থাকলেও মাঝে মাঝে ইকবল তার স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি করত। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডার ফলে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। তার জের ধরে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসীর ধারণা। তবে নিহত নববধূর পরিবারের দাবি তার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে।

নিহত সুখজানের মা সেলিনা খাতুন বলেন, বিয়ের পর থেকেই জামাই বিভিন্ন জিনিস ও টাকা চায়, আমি সব দিয়েছি। কয়েকদিন আগে আমার মেয়েকে চাপ দিতে থাকে দেড় লক্ষ টাকার জন্য। টাকা দিতে রাজি হয়েছি, বলেছিলাম কিছু দিন পর দিবুনি। এরপরেও তারা আমার মেয়েকে মেরে ফেললো। মাত্র ১০ মাস আগে মেয়ের বিয়ে দিলাম, আর মেয়ে আমার শেষ হয়ে গেলো।

এ বিষয়ে মেয়ের চাচাতো ভাই জুড়ন আলি বলেন, আমার বোনের বিয়ের দেওয়া পর থেকে বিভিন্ন সময় টাকা চাইতেন ইকবাল। কিছুদিন আগেও দেড় লক্ষ টাকা দাবি করে আমরা এটা দিতে পারি নাই তার কারণে আমার বোনকে তারা মেরে ফেলতে পরে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি অপেরেশন হিমেল রানা মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যৌতুকের চাপে বিয়ের ১০ মাসের মাথায় আত্মহত্যা করলেন নববধূ

আপডেট সময় : ০৭:৪০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কাদিপুরে বিয়ের ১০ মাসের মাথায় ফাঁস দিয়ে সুখজান খাতুন (১৯) নামের এক নববধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উপজেলার হাউলি ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামে নববধূর শ্বশুর বাড়িতে নিজ শয়নকক্ষের আড়াই ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ঝাঝরি বেগমপুর গ্রামের কুদ্দুস আলীর মেয়ে। খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার কাদিপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে ইকবল হোসেনের সাথে ১০ মাস আগে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ঝাঝরি বেগমপুর গ্রামের কুদ্দুস আলীর মেয়ে সুখজানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সুখে শান্তিতে বসবাস করছিলেন ওই দম্পতি। তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মিল থাকলেও মাঝে মাঝে ইকবল তার স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি করত। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডার ফলে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। তার জের ধরে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসীর ধারণা। তবে নিহত নববধূর পরিবারের দাবি তার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে।

নিহত সুখজানের মা সেলিনা খাতুন বলেন, বিয়ের পর থেকেই জামাই বিভিন্ন জিনিস ও টাকা চায়, আমি সব দিয়েছি। কয়েকদিন আগে আমার মেয়েকে চাপ দিতে থাকে দেড় লক্ষ টাকার জন্য। টাকা দিতে রাজি হয়েছি, বলেছিলাম কিছু দিন পর দিবুনি। এরপরেও তারা আমার মেয়েকে মেরে ফেললো। মাত্র ১০ মাস আগে মেয়ের বিয়ে দিলাম, আর মেয়ে আমার শেষ হয়ে গেলো।

এ বিষয়ে মেয়ের চাচাতো ভাই জুড়ন আলি বলেন, আমার বোনের বিয়ের দেওয়া পর থেকে বিভিন্ন সময় টাকা চাইতেন ইকবাল। কিছুদিন আগেও দেড় লক্ষ টাকা দাবি করে আমরা এটা দিতে পারি নাই তার কারণে আমার বোনকে তারা মেরে ফেলতে পরে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি অপেরেশন হিমেল রানা মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।