ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাচ ছেড়ে এবার কুংফুতে মাতলো রোবট Logo সরকারি সংস্থার ধীরগতির কাজ বিনিয়োগে বড় প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল Logo বগুড়া জার্নালিস্ট ফোরামের মামুন সভাপতি, সুমন প্রামাণিক সাধারণ সম্পাদক Logo সেগমেন্টের প্রথম ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার স্মার্টফোন সি১০০আই আনছে রিয়েলমি Logo জয়ের কৃতিত্ব যার নামে দিলেন থালাপতি বিজয় Logo র‍্যাঙ্কিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে টপকে বাংলাদেশের অগ্রগতি Logo বিতর্কের মধ্যেও বিজেপির রেকর্ড জয়, পেছনে কী কারণ Logo ঈদুল আজহা হ্যাপিনেস অফারের পাশাপাশি অপোর নিশ্চিন্ত রিপ্লেসমেন্টের ঘোষণা Logo শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে দেশজুড়ে ৫৮ জন নিহতের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর Logo গৌরনদীতে জাতীয় মহিলা সংস্থার আয়োজনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

সরকারি সংস্থার ধীরগতির কাজ বিনিয়োগে বড় প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ১৩ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বুধবার ।। ৬ মে ২০২৬ ।।

দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার ধীরগতির কাজ বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, বিদেশি বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এমন উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন। বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘দ্য কম্পাস ডায়লগ’ শীর্ষক সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ (আইএসটিআর)। এতে বিদেশি সংস্থা, কূটনীতিক ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নেন। মির্জা ফখরুল বলেন, বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ হলো—সরকারি দপ্তরগুলোর কার্যক্রম অত্যন্ত ধীরগতির। কোনো সমস্যা বা জটিলতা দ্রুত সমাধান না হওয়ায় তারা হতাশ হয়ে পড়ছেন। এই দীর্ঘসূত্রতা দেশের সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং অর্থনীতির জন্যও তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি খুব বেশি অনুকূল নয়। তবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সামষ্টিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ফসলভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক আশা তৈরি করেছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতেও সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সৌরশক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থলভাগ ও জলভাগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ খাতে দরপত্র আহ্বানের আশা প্রকাশ করেন তিনি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতের তুলনায় বর্তমানে পরিস্থিতি অনেক বেশি ইতিবাচক। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা গেলে অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা রক্ষা এবং প্রতিবেশী ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট এখনও বাংলাদেশের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে এবং সরকার এ সমস্যার সমাধানে কাজ করছে।

ট্যাগস :

সরকারি সংস্থার ধীরগতির কাজ বিনিয়োগে বড় প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৫:২৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বুধবার ।। ৬ মে ২০২৬ ।।

দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার ধীরগতির কাজ বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, বিদেশি বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এমন উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন। বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘দ্য কম্পাস ডায়লগ’ শীর্ষক সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ (আইএসটিআর)। এতে বিদেশি সংস্থা, কূটনীতিক ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নেন। মির্জা ফখরুল বলেন, বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ হলো—সরকারি দপ্তরগুলোর কার্যক্রম অত্যন্ত ধীরগতির। কোনো সমস্যা বা জটিলতা দ্রুত সমাধান না হওয়ায় তারা হতাশ হয়ে পড়ছেন। এই দীর্ঘসূত্রতা দেশের সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং অর্থনীতির জন্যও তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি খুব বেশি অনুকূল নয়। তবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সামষ্টিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ফসলভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক আশা তৈরি করেছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতেও সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সৌরশক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থলভাগ ও জলভাগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ খাতে দরপত্র আহ্বানের আশা প্রকাশ করেন তিনি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতের তুলনায় বর্তমানে পরিস্থিতি অনেক বেশি ইতিবাচক। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা গেলে অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা রক্ষা এবং প্রতিবেশী ও বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট এখনও বাংলাদেশের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে এবং সরকার এ সমস্যার সমাধানে কাজ করছে।