ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

লোপাটের টাকার সন্ধান সিপিডির কাছেই চাইলেন ওবায়দুল কাদের

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৬৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির রিপোর্টে ১৫ বছরে ঋণের নামে ব্যাংক থেকে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা লোপাটের তথ্য উঠে এসেছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেই টাকার সন্ধান সিডিপির কাছেই জানতে চেয়ে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এই ৯২ হাজার কোটি টাকা কোথায় গেলো? কোথায় আছে সেটা আগে বলেন। সেটার সন্ধান দিলে আমরা জবাব দেবো।

সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সিপিডির প্রতিবেদনের বিস্তারিত জানা নেই উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ রিপোর্ট কে দিয়েছে? দেবপ্রিয়ই দিক বা মুস্তাফিজই দিক, আমার বক্তব্য হচ্ছে, এই টাকাগুলো কোথায় গেছে? আপনারা টাকার সন্ধান দেন, আমরা টাকাগুলো ফিরিয়ে আনতে চাই।

নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত সব অভিযোগ নির্বাচন কমিশন খতিয়ে দেখবে। যেহেতু এটা নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার। আচরণবিধি যথাযথ প্রয়োগ, বিশৃঙ্খলা নিয়ে আইন প্রয়োগ করবে কমিশন। আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল সবাই প্রতিদ্বন্দ্বী। এই প্রতিযোগিতা যদি বিশৃঙ্খলায় আবর্ত হয়, নির্বাচন কমিশন তারা যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, সেটা নেবে। আওয়ামী লীগ দল হিসেবে আপত্তি করবে না।

গত শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২৩-২৪: চলমান সংকট ও করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ২০০৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই ১৫ বছরে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাত থেকে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন জানান, ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে ঋণ, অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে ঋণ, অর্থ লোপাটসহ নানান ধরনের আর্থিক অনিয়ম হয়েছে।

লোপাটের টাকার সন্ধান সিপিডির কাছেই চাইলেন ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় : ০৪:২১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির রিপোর্টে ১৫ বছরে ঋণের নামে ব্যাংক থেকে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা লোপাটের তথ্য উঠে এসেছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেই টাকার সন্ধান সিডিপির কাছেই জানতে চেয়ে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এই ৯২ হাজার কোটি টাকা কোথায় গেলো? কোথায় আছে সেটা আগে বলেন। সেটার সন্ধান দিলে আমরা জবাব দেবো।

সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সিপিডির প্রতিবেদনের বিস্তারিত জানা নেই উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ রিপোর্ট কে দিয়েছে? দেবপ্রিয়ই দিক বা মুস্তাফিজই দিক, আমার বক্তব্য হচ্ছে, এই টাকাগুলো কোথায় গেছে? আপনারা টাকার সন্ধান দেন, আমরা টাকাগুলো ফিরিয়ে আনতে চাই।

নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত সব অভিযোগ নির্বাচন কমিশন খতিয়ে দেখবে। যেহেতু এটা নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার। আচরণবিধি যথাযথ প্রয়োগ, বিশৃঙ্খলা নিয়ে আইন প্রয়োগ করবে কমিশন। আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল সবাই প্রতিদ্বন্দ্বী। এই প্রতিযোগিতা যদি বিশৃঙ্খলায় আবর্ত হয়, নির্বাচন কমিশন তারা যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, সেটা নেবে। আওয়ামী লীগ দল হিসেবে আপত্তি করবে না।

গত শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০২৩-২৪: চলমান সংকট ও করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ২০০৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই ১৫ বছরে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাত থেকে ৯২ হাজার ২৬১ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন জানান, ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে ঋণ, অস্তিত্ববিহীন প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে ঋণ, অর্থ লোপাটসহ নানান ধরনের আর্থিক অনিয়ম হয়েছে।