বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলো আন্তর্জাতিক মানের বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায়: আমীর খসরু
- আপডেট সময় : ০১:৪২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩ ১৭০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলো নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য আন্তর্জাতিক মানের বিশ্বাসযোগ্য, অংশিদারিত্বমূলক নির্বাচন দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এর সাথে নিরপেক্ষ-তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবধান নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সোমবার (৯ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির এই নেতা বলেন, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হলে তারা (বিদেশিরা) যা চায় তা হবে না। এই সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য আন্তর্জাতিক মানের বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হবে না বলেই তারা এসব কথা বলছে। প্রতিনিয়ত দেখছে, ব্যবস্থা নিচ্ছে।
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের পূর্ণ পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকেও একই উদ্দেশ্যে প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদল এসেছে। তারা নির্বাচনের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করছে, আগামী দিনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা।
আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে সবার মনে যে প্রশ্ন উঠেছে, সেই প্রেক্ষাপটে তারা (মার্কিন প্রতিনিধি দল) বাংলাদেশে এসেছেন। তারা অনেকের সাথে কথা বলেছে, আমাদের সাথে কথা বলছে, আরো অনেকের সাথে কথা বলবে। তবে কথা একটাই ঘুরেফিরে, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য আন্তর্জাতিক মানের বিশ্বাসযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে হবে। এটা হতে হলে কী প্রয়োজন, সেটা কীভাবে করা যায়…। আমরা দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির পক্ষ থেকে বলে এসেছি, শেখ হাসিনার অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।
বিগত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজকে যাদের বয়স ৩০-৩২ হয়েছে, তারা বিগত নির্বাচনগুলোতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি, তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেনি। অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি, বরং অবনতি হয়েছে। এখন নিপীড়ন-নির্যাতনসহ ভোট চুরির প্রকল্প আরও অধিকতর শক্তিশালী হয়েছে। তারা ভোট চুরির প্রকল্পকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে।
আওয়ামী লীগ বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের অধিকার নিয়ে একটি প্রকল্প করেছে, যার মাধ্যমে তারা আবারও বাংলাদেশের জনগণের ভোট চুরির কাজ করছে। এখান থেকে মুক্ত হতে হলে আমাদের একটাই দাবি- শেখ হাসিনা, এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে, সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে। নির্বাচন কমিশন বিলুপ্ত করে সবার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। সবকিছু সমাধান করে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি নির্বাচিত সংসদ গঠন করতে হবে, যারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।











