ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

পাওয়া গেল বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো গাছের সন্ধান

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মে ২০২৩ ২৮৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
চিলির একদল উদ্ভিদবিদ বিশ্বের প্রাচীনতম গাছের সন্ধান পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন। জানা গেছে, গাছটির বয়স পাঁচ হাজার বছরের বেশি। এই কারণেই গাছটি চিলিতে ‘গ্রেট গ্র্যান্ডফাদার’ নামে পরিচিত।

চিলির বিজ্ঞানীদের মতে, ‘গ্রেট-গ্রান্ডফাদার’ নামে পরিচিত চার মিটার পুরু কাণ্ডসহ একটি কনিফার গাছ বিশ্বের প্রাচীনতম জীবন্ত গাছ হতে পারে।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, বয়সের ভারে বাঁকানো এর একটি শিকড়ের ব্যাস ১৩ ফুট। এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৯২ ফুট। এর আগে বিশ্বের প্রাচীনতম গাছের রেকর্ড ছিল ‘মেথুসেলাহ’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার গ্রেট বেসিন বিসালকোন পাইন গাছের বয়স ৪,৮৫০ বছর।

এই গ্রেট গ্র্যান্ডফাদার এত বছর ধরে প্রতিকূল পরিবেশগত ঝড়ের মধ্যে কীভাবে টিকে থাকতে পেরেছিলেন তা জানতে গাছ থেকে তার অংশ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। একদল বিজ্ঞানী দক্ষিণ চিলির জঙ্গলে এই গাছের নমুনা সংগ্রহ করেছেন এর প্রকৃত বয়স জানতে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অস্ট্রাল ইউনিভার্সিটির আন্তোনিও লারা। তিনি চিলির সেন্টার ফর ক্লাইমেট সায়েন্স অ্যান্ড রেজিলিয়েন্সের সাথে যুক্ত।

গবেষক লারা বলেন, এই উদ্ভিদটি উত্তরজীবী। অন্য কোনো গাছের এত বছর বেঁচে থাকার সুযোগ হয়নি।

গাছটি চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দক্ষিণে লস রিও অঞ্চলের জঙ্গলে একটি খাদের ধারে অবস্থিত। বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে এই সরল চিরহরিৎ গাছটি আসলে ফাইটোজোয়া কুপ্রেসোডস। এটি ল্যাটিন আমেরিকার একটি দেশীয় গাছ হিসেবে পরিচিত। কিছুদিন আগেও পর্যটকরা গাছের সঙ্গে ছবি তুলতে ঘণ্টাখানেক হেঁটে বনের গভীরে যেতেন। তবে বয়স নিয়ে হৈচৈ শুরু হওয়ার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসন এটিকে পাহারা দেওয়ার জন্য রেঞ্জারের সংখ্যা বাড়াচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা আরও বলেছেন যে ওয়ার্ডেন অ্যানিবাল হেনরিকেজ ১৯৭২ সালে চিলির এই জঙ্গলে ঘোরাঘুরি করার সময় এই গাছটি খুঁজে পেয়েছিলেন। তখন থেকেই বিজ্ঞানীরা এটি সম্পর্কে কৌতূহলী হয়ে ওঠেন।

পাওয়া গেল বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো গাছের সন্ধান

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
চিলির একদল উদ্ভিদবিদ বিশ্বের প্রাচীনতম গাছের সন্ধান পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন। জানা গেছে, গাছটির বয়স পাঁচ হাজার বছরের বেশি। এই কারণেই গাছটি চিলিতে ‘গ্রেট গ্র্যান্ডফাদার’ নামে পরিচিত।

চিলির বিজ্ঞানীদের মতে, ‘গ্রেট-গ্রান্ডফাদার’ নামে পরিচিত চার মিটার পুরু কাণ্ডসহ একটি কনিফার গাছ বিশ্বের প্রাচীনতম জীবন্ত গাছ হতে পারে।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, বয়সের ভারে বাঁকানো এর একটি শিকড়ের ব্যাস ১৩ ফুট। এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৯২ ফুট। এর আগে বিশ্বের প্রাচীনতম গাছের রেকর্ড ছিল ‘মেথুসেলাহ’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার গ্রেট বেসিন বিসালকোন পাইন গাছের বয়স ৪,৮৫০ বছর।

এই গ্রেট গ্র্যান্ডফাদার এত বছর ধরে প্রতিকূল পরিবেশগত ঝড়ের মধ্যে কীভাবে টিকে থাকতে পেরেছিলেন তা জানতে গাছ থেকে তার অংশ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। একদল বিজ্ঞানী দক্ষিণ চিলির জঙ্গলে এই গাছের নমুনা সংগ্রহ করেছেন এর প্রকৃত বয়স জানতে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অস্ট্রাল ইউনিভার্সিটির আন্তোনিও লারা। তিনি চিলির সেন্টার ফর ক্লাইমেট সায়েন্স অ্যান্ড রেজিলিয়েন্সের সাথে যুক্ত।

গবেষক লারা বলেন, এই উদ্ভিদটি উত্তরজীবী। অন্য কোনো গাছের এত বছর বেঁচে থাকার সুযোগ হয়নি।

গাছটি চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দক্ষিণে লস রিও অঞ্চলের জঙ্গলে একটি খাদের ধারে অবস্থিত। বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে এই সরল চিরহরিৎ গাছটি আসলে ফাইটোজোয়া কুপ্রেসোডস। এটি ল্যাটিন আমেরিকার একটি দেশীয় গাছ হিসেবে পরিচিত। কিছুদিন আগেও পর্যটকরা গাছের সঙ্গে ছবি তুলতে ঘণ্টাখানেক হেঁটে বনের গভীরে যেতেন। তবে বয়স নিয়ে হৈচৈ শুরু হওয়ার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসন এটিকে পাহারা দেওয়ার জন্য রেঞ্জারের সংখ্যা বাড়াচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা আরও বলেছেন যে ওয়ার্ডেন অ্যানিবাল হেনরিকেজ ১৯৭২ সালে চিলির এই জঙ্গলে ঘোরাঘুরি করার সময় এই গাছটি খুঁজে পেয়েছিলেন। তখন থেকেই বিজ্ঞানীরা এটি সম্পর্কে কৌতূহলী হয়ে ওঠেন।