ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নলছিটির মোল্লারহাট-হদুয়া বাজার পর্যন্ত সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা Logo পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা কমাতে সহযোগীদের ওপর হামলা না করার সিদ্ধান্ত Logo দেশে প্রথম ২৯ কার্যদিবসেই মেহেরপুরের ধর্ষণ মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড Logo রাজাপুরে ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ১০ কেজি হারে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ Logo ঈদে আইটেল নিয়ে এলো ফিচার ফোনে ১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি Logo তরুণদের স্বপ্নের গল্প বলছে ভিভো বাংলাদেশ Logo ২১ মে শেষ সময়, তবু অনিশ্চয়তা কাটেনি: দোকান ফিরে পাবেন কি প্রতিবন্ধী রাজ্জাক? Logo লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ ও সেনা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের নতুন শর্ত Logo হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণহানি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ Logo নিউ এনার্জি মোবিলিটির আগামী বিনির্মানে আরও তিনটি নতুন মডেল নিয়ে এলো বিওয়াইডি

পাইপ ফেটে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩ ১৬৫ বার পঠিত

চৌধুরী নুপুর নাহার তাজ, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্টিম পাইপ ফেটে যাওয়ায় তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে দৈনিক ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। তিন ইউনিটবিশিষ্ট এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে এক নম্বর ইউনিট চালু আছে, যা থেকে ৭৫-৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি সংলগ্ন এলাকায় তিনটি ইউনিট নিয়ে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। কারিগরি কারণে একটি ইউনিটকে পর্যায়ক্রমে ওভার হোলিং এ রেখে দুইটি ইউনিট চালু রাখা হয়। বর্তমানে এক ও তিন নম্বর ইউনিট চালু ছিল।
চালু থাকা দুটি ইউনিটের মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় তৃতীয় ইউনিটের স্টিম পাইপ ফেটে যায়। এর ফলে ওই ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট থেকে প্রতিদিন ২৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। আর এই ইউনিট উৎপাদনে রাখতে প্রতিদিন ২ হাজার ৬০০ টন কয়লা ব্যবহার কার হয়।
বর্তমানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এক নম্বর ইউনিট থেকে ৭০-৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ওখানে প্রচন্ড গরম থাকায় ঠান্ডা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঠান্ডা হলেই মেরামত শুরু হবে। এতে একদিন সময় লাগতে পারে।
তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের কেমন ঘাটতি হবে- এমন প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, ২৭৫ মেগাওয়াট সম্পন্ন ইউনিট থেকে প্রতিদিন উৎপাদন হতো উৎপাদন ঘাটতি হবে। এতে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ ঘাটতি হতে পারে।

পাইপ ফেটে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩

চৌধুরী নুপুর নাহার তাজ, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্টিম পাইপ ফেটে যাওয়ায় তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে দৈনিক ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। তিন ইউনিটবিশিষ্ট এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে এক নম্বর ইউনিট চালু আছে, যা থেকে ৭৫-৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি সংলগ্ন এলাকায় তিনটি ইউনিট নিয়ে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। কারিগরি কারণে একটি ইউনিটকে পর্যায়ক্রমে ওভার হোলিং এ রেখে দুইটি ইউনিট চালু রাখা হয়। বর্তমানে এক ও তিন নম্বর ইউনিট চালু ছিল।
চালু থাকা দুটি ইউনিটের মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় তৃতীয় ইউনিটের স্টিম পাইপ ফেটে যায়। এর ফলে ওই ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট থেকে প্রতিদিন ২৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। আর এই ইউনিট উৎপাদনে রাখতে প্রতিদিন ২ হাজার ৬০০ টন কয়লা ব্যবহার কার হয়।
বর্তমানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এক নম্বর ইউনিট থেকে ৭০-৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ওখানে প্রচন্ড গরম থাকায় ঠান্ডা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঠান্ডা হলেই মেরামত শুরু হবে। এতে একদিন সময় লাগতে পারে।
তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের কেমন ঘাটতি হবে- এমন প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, ২৭৫ মেগাওয়াট সম্পন্ন ইউনিট থেকে প্রতিদিন উৎপাদন হতো উৎপাদন ঘাটতি হবে। এতে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ ঘাটতি হতে পারে।