ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাজাপুরের পুটিয়াখালীকে ৭নং স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন Logo ময়মনসিংহে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ৭-০ গোলে চ্যাম্পিয়ন ‘The King of Sportiva’ Logo প্রথম দেশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে নেপাল Logo ফ্রান্সের রাজপথ কাঁপাচ্ছে ক্যাপ্টেন আমেরিকা-স্পাইডারম্যানরা Logo ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে লিটনকে না পাওয়ার শঙ্কা Logo এনসিপির জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক হলেন মাহমুদা মিতু Logo বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, প্রশাসন নিয়ে সমালোচনায় অস্বস্তিতে সরকার Logo বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন: জামায়াতের আমির Logo প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি ও সতর্কীকরণ নোটিশ দৈনিক বাংলাদেশ কণ্ঠের নাম ও পরিচয় ব্যবহার নিয়ে সতর্কীকরণ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমপির ভাতিজা পরিচয়ে দাপট, সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা দাবি

নতুন টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব খুলনা-বরিশালে

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:০৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮৫ বার পঠিত

দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের বড় ম্যাচ থেকে দূরে থাকা খুলনা ও বরিশালের দুই স্টেডিয়ামে ফের ক্রিকেট ফেরানোর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টিকে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে নতুন এই টুর্নামেন্টের অন্তত গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও বরিশালের জীবনানন্দ দাস ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়োজন করতে চায় বিসিবি। ইতোমধ্যে ছয় দলের মধ্যে পাঁচটির মালিকানাও নিশ্চিত হয়েছে। তবে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল কোথায় হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর জানিয়েছেন, খুলনা ও বরিশালে গ্রুপ পর্ব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী টুর্নামেন্টটি ডিসেম্বরের শেষ দিকে অথবা জানুয়ারির শুরুতে মাঠে গড়াতে পারে, যদিও তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়। বিপিএলের এবারের আসর সংস্কারের কারণে আয়োজন না করার সিদ্ধান্তের পর বিকল্প হিসেবে এনসিএল টি-টোয়েন্টিকেই ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিতে বড় পরিসরে করার উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি।

খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছিল ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চার ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। এরপর ২০২৩ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ওয়ানডে সিরিজ হলেও জাতীয় পর্যায়ের বড় টুর্নামেন্টে ভেন্যুটির ব্যবহার সীমিত ছিল। অন্যদিকে ১৯৬০ সালে নির্মিত বরিশালের জীবনানন্দ দাস ক্রিকেট স্টেডিয়াম দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকার পর সাম্প্রতিক সংস্কারে আবার খেলার উপযোগী হয়েছে। ২০২২ সালে স্টেডিয়ামটিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে আধুনিকায়ন প্রকল্প নেওয়া হয়। বিসিবির নতুন টুর্নামেন্ট দিয়ে কীর্তনখোলা নদীর তীরের এই মাঠটিও আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরবে—এমন প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :

নতুন টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব খুলনা-বরিশালে

আপডেট সময় : ০৪:০৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের বড় ম্যাচ থেকে দূরে থাকা খুলনা ও বরিশালের দুই স্টেডিয়ামে ফের ক্রিকেট ফেরানোর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টিকে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে নতুন এই টুর্নামেন্টের অন্তত গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও বরিশালের জীবনানন্দ দাস ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়োজন করতে চায় বিসিবি। ইতোমধ্যে ছয় দলের মধ্যে পাঁচটির মালিকানাও নিশ্চিত হয়েছে। তবে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল কোথায় হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর জানিয়েছেন, খুলনা ও বরিশালে গ্রুপ পর্ব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী টুর্নামেন্টটি ডিসেম্বরের শেষ দিকে অথবা জানুয়ারির শুরুতে মাঠে গড়াতে পারে, যদিও তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়। বিপিএলের এবারের আসর সংস্কারের কারণে আয়োজন না করার সিদ্ধান্তের পর বিকল্প হিসেবে এনসিএল টি-টোয়েন্টিকেই ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিতে বড় পরিসরে করার উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি।

খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছিল ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চার ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। এরপর ২০২৩ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ওয়ানডে সিরিজ হলেও জাতীয় পর্যায়ের বড় টুর্নামেন্টে ভেন্যুটির ব্যবহার সীমিত ছিল। অন্যদিকে ১৯৬০ সালে নির্মিত বরিশালের জীবনানন্দ দাস ক্রিকেট স্টেডিয়াম দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকার পর সাম্প্রতিক সংস্কারে আবার খেলার উপযোগী হয়েছে। ২০২২ সালে স্টেডিয়ামটিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে আধুনিকায়ন প্রকল্প নেওয়া হয়। বিসিবির নতুন টুর্নামেন্ট দিয়ে কীর্তনখোলা নদীর তীরের এই মাঠটিও আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরবে—এমন প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।