ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আইজিপির সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ Logo লেবাননের সাথে যুদ্ধবিরতির কোনো চুক্তি হবেনা : ইসরায়েলি সেনাপ্রধান Logo ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা Logo ৬ বিভাগে প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস, পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা Logo ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ‘আসল খরচ’ হতে পারে ৪০–৫০ বিলিয়ন ডলার Logo প্রথম ভোটযুদ্ধেই বাজিমাত করলেন থালাপতি বিজয় Logo ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo নাহিদ ইসলাম দুর্নীতিতে জড়িত না হলেও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ: রাশেদ খাঁন Logo আবারও বেড়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম Logo বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গেল বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ, নভেম্বরেই তফসিল:ইসি

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩ ৪৩৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিএনপির দেওয়া অবরোধ কর্মসূচির বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরিবেশ রয়েছে। সামনে যে পরিস্থিতি থাকবে সেভাবেই তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার (৩০ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ইসি সচিব বলেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় করণীয় ঠিক করতে বাহিনীগুলোর প্রধান, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের প্রতিনিধির সঙ্গে কমিশন সভা করেছেন। এই সভার মূল আলোচ্য বিষয় ছিল, নির্বাচনে কমিশন যেভাবে চিন্তা করে থাকে, নির্বাচন পূর্ব, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন পরবর্তী শান্তিশৃঙ্খলা কীভাবে নিশ্চিত রাখা যাবে। কোন পদ্ধতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে, নির্বাচনে সঙ্গে সম্পৃক্ত দফতরগুলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে – এই সার্বিক বিষয়গুলো আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে আরো এই ধরনের সভা রয়েছে। যখন যে অবস্থা আসবে তখন সেভাবে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তাদের তথ্য উপস্থাপন করেছে, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা তাদের সক্ষমতা কী আছে, অতীতের নির্বাচনের তাদের জনবলকে কীভাবে কেন্দ্রে এবং অন্যান্য কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বে নিয়োজিত করা হলে তারা কীভাবে দায়িত্ব পালন করবে, এই বিষয়গুলো কমিশনের কাছে তারা উপস্থাপন করেছে। কমিশন তাদের বক্তব্য শুনেছেন এবং কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন পরিপত্র বিভিন্ন বাহিনী কীভাবে নিয়োজিত করা হবে সেখানে সুস্পষ্ট উল্লেখ করা হবে। তারা সেভাবে যথাযথভাবে প্রতিপালন করবে বলে নির্বাচন কমিশনকে আশ্বস্ত করেছে।

ভোটের মাঠে পরিবেশ কী আছে, সেটা নিয়ে পরামর্শ কী এবং ভোটের দিন সকালে ব্যালট পেপার কেন্দ্রে পাঠানোর নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর কোনো বক্তব্য আছে কি-না, এসব প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, এখানে দুটো বিষয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন ও তাদের প্রধানরা যে বক্তব্য নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছেন, এতে এখন পর্যন্ত নির্বাচনের বড় ধরনের কোনো প্রতিবন্ধকতা নাই। যেহেতু গতকালের হরতালের পর বিএনপি আবার তিনদিনের অবরোধ দিয়েছে, সেক্ষেত্রে তারা সতর্ক থাকছেন যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো অবনতি না ঘটে। এবং নির্বাচনের যে ধাপগুলো রয়েছে নির্বাচনের সময়, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময়, তফসিল ঘোষণার পরে, প্রতীক বরাদ্দ থেকে নির্বাচনের তারিখ পর্যন্ত যখন যে পরিস্থিতি আসবে, তখন তারা কমিশনকে তা অবহিত করবে এবং কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। এ বিষয়ে তখন স্ট্রাটেজি গ্রহণ করবে।

তফসিল ঘোষণা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যদি আরো অবনতি হয়ে যায়, তখন কী হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে মো. জাহাংগীর আলম বলেন, একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দল হরতাল শেষে ইতোমধ্যে আরেকটি সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি আছে তা কমিশনের কাছে উপস্থাপন করেছে। আবার যখন যে পরিস্থিতি আসবে সেটাও তারা উপস্থাপন করবে। তাদের যে প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত পরিবেশ শান্তিপূর্ণ আছে। তফসিলের পরিবেশ আছে।

তিনি বলেন, নভেম্বরের প্রথমার্ধের যেকোনো সময় তফসিল হবে। যেটা আগে থেকেই কমিশন বারবার গণমাধ্যমকে অবহিত করবে।

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ, নভেম্বরেই তফসিল:ইসি

আপডেট সময় : ০৩:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিএনপির দেওয়া অবরোধ কর্মসূচির বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরিবেশ রয়েছে। সামনে যে পরিস্থিতি থাকবে সেভাবেই তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার (৩০ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ইসি সচিব বলেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় করণীয় ঠিক করতে বাহিনীগুলোর প্রধান, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের প্রতিনিধির সঙ্গে কমিশন সভা করেছেন। এই সভার মূল আলোচ্য বিষয় ছিল, নির্বাচনে কমিশন যেভাবে চিন্তা করে থাকে, নির্বাচন পূর্ব, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন পরবর্তী শান্তিশৃঙ্খলা কীভাবে নিশ্চিত রাখা যাবে। কোন পদ্ধতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে, নির্বাচনে সঙ্গে সম্পৃক্ত দফতরগুলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে – এই সার্বিক বিষয়গুলো আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে আরো এই ধরনের সভা রয়েছে। যখন যে অবস্থা আসবে তখন সেভাবে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তাদের তথ্য উপস্থাপন করেছে, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা তাদের সক্ষমতা কী আছে, অতীতের নির্বাচনের তাদের জনবলকে কীভাবে কেন্দ্রে এবং অন্যান্য কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বে নিয়োজিত করা হলে তারা কীভাবে দায়িত্ব পালন করবে, এই বিষয়গুলো কমিশনের কাছে তারা উপস্থাপন করেছে। কমিশন তাদের বক্তব্য শুনেছেন এবং কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন পরিপত্র বিভিন্ন বাহিনী কীভাবে নিয়োজিত করা হবে সেখানে সুস্পষ্ট উল্লেখ করা হবে। তারা সেভাবে যথাযথভাবে প্রতিপালন করবে বলে নির্বাচন কমিশনকে আশ্বস্ত করেছে।

ভোটের মাঠে পরিবেশ কী আছে, সেটা নিয়ে পরামর্শ কী এবং ভোটের দিন সকালে ব্যালট পেপার কেন্দ্রে পাঠানোর নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর কোনো বক্তব্য আছে কি-না, এসব প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, এখানে দুটো বিষয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন ও তাদের প্রধানরা যে বক্তব্য নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছেন, এতে এখন পর্যন্ত নির্বাচনের বড় ধরনের কোনো প্রতিবন্ধকতা নাই। যেহেতু গতকালের হরতালের পর বিএনপি আবার তিনদিনের অবরোধ দিয়েছে, সেক্ষেত্রে তারা সতর্ক থাকছেন যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো অবনতি না ঘটে। এবং নির্বাচনের যে ধাপগুলো রয়েছে নির্বাচনের সময়, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময়, তফসিল ঘোষণার পরে, প্রতীক বরাদ্দ থেকে নির্বাচনের তারিখ পর্যন্ত যখন যে পরিস্থিতি আসবে, তখন তারা কমিশনকে তা অবহিত করবে এবং কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। এ বিষয়ে তখন স্ট্রাটেজি গ্রহণ করবে।

তফসিল ঘোষণা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যদি আরো অবনতি হয়ে যায়, তখন কী হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে মো. জাহাংগীর আলম বলেন, একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দল হরতাল শেষে ইতোমধ্যে আরেকটি সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি আছে তা কমিশনের কাছে উপস্থাপন করেছে। আবার যখন যে পরিস্থিতি আসবে সেটাও তারা উপস্থাপন করবে। তাদের যে প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত পরিবেশ শান্তিপূর্ণ আছে। তফসিলের পরিবেশ আছে।

তিনি বলেন, নভেম্বরের প্রথমার্ধের যেকোনো সময় তফসিল হবে। যেটা আগে থেকেই কমিশন বারবার গণমাধ্যমকে অবহিত করবে।