খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে:ফখরুল
- আপডেট সময় : ০২:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩ ১৮৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন, খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ একতরফা দাবি নিয়ে রাজধানীতে শ্রমিক সম্মেলন করেছে বিএনপি। শনিবার বিকেলে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সামনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রমিক দল ও সম্মিলিত শ্রমিক পরিষদ এ সম্মেলনের আয়োজন করে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
ফখরুল বলেন, এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক, এর জন্য সরকার দায়ী। খালেদা জিয়াকে মামলা দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে যাতে তিনি রাজনীতি করতে না পারেন। শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মিথ্যাচার করেছেন।
ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভয়েস অব আমেরিকাকে কিছু কথা বলেছেন, যা মিথ্যা। কারণ, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির মামলা নেই। তারা বলছেন, এ মামলায় স্থানান্তর হওয়া ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, এখন ব্যাংকে জমা আছে ৮ কোটির বেশি। শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছে যাতে তিনি রাজনীতি করতে না পারেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ এখন রাষ্ট্রকে নির্যাতনকারী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তাই আমরা স্পষ্ট করে বলেছি, এই রাষ্ট্র পরিবর্তন করতে হবে, এর কাঠামো পরিবর্তন করতে হবে। এ জন্যই আমরা ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছি। আমরা সকল রাজনৈতিক দলকে নিয়ে একদফার আন্দোলন করছি। বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করতেই হবে, জনগণের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে হবে। আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত। এ সরকারের পদত্যাগের পর আমরা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে সক্ষম হবো।
শ্রমজীবী কনভেনশন আয়োজন কমিটির সমন্বয়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কনভেনশনে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সরোয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, সম্মিলিত শ্রমিক পরিষদের নেতা এএম ফয়েজ হোসেন, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা শাহ মো. আবু জাফর, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী অনুসারী পরিষদের নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল, জাতীয় গণফ্রন্টের সভাপতি টিপু বিশ্বাস, গণঅধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নূর, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতা হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের নেতা ফয়জুল হাকিম লালা, জাতীয় শ্রমিক জোটের নেতা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের নেতা আশরাফ আলী আকন্দ প্রমুখ।











