খালেদা জিয়াকে দেখতে জামায়াত নেতারা হাসপাতালে
- আপডেট সময় : ০৫:১৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩ ২৮৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
দুই মাস ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান জামায়াত নেতারা। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টায় জামায়াত নেতারা হাসপাতালে প্রবেশ করেন। সেখানে এক ঘণ্টার বেশি সময় অবস্থান করেন তারা। দুপুর ১টা ৫ মিনিটে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।
দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের নেতৃত্বে আরও ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, উত্তরের আমির আব্দুর রহমান মুসা, সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, প্রচার সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার।
হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘ম্যাডামের অবস্থা গুরুতর। এ অবস্থায় তার দেশের বাহিরে ট্রিটমেন্ট ছাড়া কো বিকল্প নেই। তার বর্তমান অবস্থায় তার জন্য দেশে ভালো ট্রিটমেন্টের কোন ব্যবস্থা নেই। তার সঠিক চিকিৎসা করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তাকে বাহিরে চিকিৎসার জন্য যেতে না দেওয়ার বাহানা করছে সরকার। এটা দেশবাসী সহজে মেনে নেবে না। এসময় তিনি সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, অনতিবিলম্বে বেগম জিয়াকে বাহিরে চিকিৎসার জন্য যেন পাঠানো হয়।’
গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন খালেদা জিয়া। এর মধ্যে কয়েকবার কেবিন থেকে সিসিইউতে নিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তারা আরও বলেন, খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই।
২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজা পেয়ে কারাগারে যেতে হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। পরে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তার সাজা হয়।
দেশে করোনাভাইরাস মহামারী শুরু হওয়ার পর, খালেদা জিয়ার পরিবারের অনুরোধে সরকার ২০২০ সালের ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়াকে সাময?িকভাবে মুক্তি দেয়। শর্ত হলো তাকে দেশে থাকতে হবে।
কারাগার থেকে বের হওয়ার পর খালেদা জিয়া গুলশানের ফিরোজার বাসায় যান, যেখানে তিনি এখনো অবস্থান করছেন। ২০২১ সালের এপ্রিলে অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য ঢাকার বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।











