ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আইজিপির সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ Logo লেবাননের সাথে যুদ্ধবিরতির কোনো চুক্তি হবেনা : ইসরায়েলি সেনাপ্রধান Logo ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা Logo ৬ বিভাগে প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস, পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা Logo ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ‘আসল খরচ’ হতে পারে ৪০–৫০ বিলিয়ন ডলার Logo প্রথম ভোটযুদ্ধেই বাজিমাত করলেন থালাপতি বিজয় Logo ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo নাহিদ ইসলাম দুর্নীতিতে জড়িত না হলেও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ: রাশেদ খাঁন Logo আবারও বেড়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম Logo বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গেল বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

আমাদের নির্বাচন নিয়ে এত মাথা ঘামানো কেন: কাদের

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:০১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৯২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আফ্রিকা-ইসরায়েল দেখেন, বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের নির্বাচনী ইশতেহারের খসড়া কমিটির প্রথম বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আফ্রিকায় কয়দিন পরপর বিদ্রোহ হয়, সেটা থামাতে পারেন না। দুষ্ট ছেলে ইসরায়েলকে থামাতে পারেন না। নেতানিয়াহু তো কথা শোনে না। আমাদের নির্বাচন নিয়ে এত মাথা ঘামানো কেন? যুদ্ধ থামান, বড় বড় সংকট দেখেন, আমাদের নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই। আমরা তো পরাশক্তি হতে চাই না। আবার আমরা ভেনেজুয়েলাও না।

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করব। আমরা যা করব, সম্পূর্ণ সংবিধান মেনেই করব। বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেমন আছে, তেমনই হবে। কে এল আর কে এল না সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। নিষেধাজ্ঞা কে দিল এটা আমাদের মাথাব্যথা নয়। আমরা তো নির্বাচন করবো, নিষেধাজ্ঞা আমাদের জন্য নয়, যারা বাধা দেবে, তাদের নিষেধাজ্ঞা দেন।

নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা ছোট না বড় হবে সেটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তিনি চাইলে, গতবারের মতো যেভাবে আছে সেভাবেও থাকতে পারে। এটাতে আমাদের কারও কিছু করার নেই। সেই মন্ত্রিসভার কার্যক্রম হবে, রুটিন ওয়ার্ক। মেজর কোনো পলিসি ডিসিশন নেবে না।

বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা আব্বাস চাঁদরাত দেখেছেন। কী দেখেছেন, ঝিনাইদহে কয়েকজন মানুষ দেখেছেন। ফখরুল বলেছেন, অক্টোবরে নাকি আমাদের চলে যেতে হবে। আমি বলেছি, এই অক্টোবরে আছি, আগামী অক্টোবরেও থাকবো। জনগণ আমাদের চায়। একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী সংকটে শক্তহাতে হাল ধরে আছেন, কেন তাকে ছেড়ে দিতে হবে? তার বিকল্প ভাবেন। শেখ হাসিনার বিকল্প আছে কি? সেটি ভাবতে হবে, সেই আলোকে ইশতেহার সাজাতে হবে।

কাদের বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে। বিএনপি এলে গণতন্ত্র থাকবে না। একটি কর্মমুখী ইশতেহার প্রয়োজন। যেমন কুকুর তেমন মুগুর স্টাইলে ইশতেহার করেন। ক্লাইমেট চেঞ্জের বিষয়ে সামনে রাখতে হবে। ২০২৬ এবং ২০৪০ সাল মাথায় রাখতে হবে। ডিজিটাল হয়ে গেছে, এখন মাথায় স্মার্ট বাংলাদেশ। কীভাবে সর্বত্র স্মার্ট করা যায়, সেটা ভাবতে হবে।

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ওবায়দুল কাদের বলেন, ৭৭ বছর বয়সেও তার গতি দেখলে মনে হয়, গতিতে তিনি সত্যিকারার্থে অ্যারাবিয়ান হর্স। শেখ হাসিনা আল্লাহর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ।

এ বৈঠকে নির্বাচনী ইশতেহারের খসড়া প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক ড. আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব ড. সেলিম মাহমুদ, সদস্য অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক, অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ড. শামসুল আলম, ডা. দীপু মনি, শ ম রেজাউল করিম, অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, অধ্যাপক খায়রুল হোসেন, শেখর দত্ত, ওয়াসিকা আয়েশা খান, বিপ্লব বড়ুয়া, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, তারানা হালিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সাজ্জাদুল হাসান, অধ্যাপক মাকসুদ কামাল, জুনাইদ আহমেদ পলক, সাদিকুর রহমান চৌধুরী, সায়েম খান, সাব্বির আহমেদ অংশ নেন।

আমাদের নির্বাচন নিয়ে এত মাথা ঘামানো কেন: কাদের

আপডেট সময় : ০২:০১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আফ্রিকা-ইসরায়েল দেখেন, বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের নির্বাচনী ইশতেহারের খসড়া কমিটির প্রথম বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আফ্রিকায় কয়দিন পরপর বিদ্রোহ হয়, সেটা থামাতে পারেন না। দুষ্ট ছেলে ইসরায়েলকে থামাতে পারেন না। নেতানিয়াহু তো কথা শোনে না। আমাদের নির্বাচন নিয়ে এত মাথা ঘামানো কেন? যুদ্ধ থামান, বড় বড় সংকট দেখেন, আমাদের নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই। আমরা তো পরাশক্তি হতে চাই না। আবার আমরা ভেনেজুয়েলাও না।

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করব। আমরা যা করব, সম্পূর্ণ সংবিধান মেনেই করব। বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেমন আছে, তেমনই হবে। কে এল আর কে এল না সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। নিষেধাজ্ঞা কে দিল এটা আমাদের মাথাব্যথা নয়। আমরা তো নির্বাচন করবো, নিষেধাজ্ঞা আমাদের জন্য নয়, যারা বাধা দেবে, তাদের নিষেধাজ্ঞা দেন।

নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা ছোট না বড় হবে সেটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তিনি চাইলে, গতবারের মতো যেভাবে আছে সেভাবেও থাকতে পারে। এটাতে আমাদের কারও কিছু করার নেই। সেই মন্ত্রিসভার কার্যক্রম হবে, রুটিন ওয়ার্ক। মেজর কোনো পলিসি ডিসিশন নেবে না।

বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা আব্বাস চাঁদরাত দেখেছেন। কী দেখেছেন, ঝিনাইদহে কয়েকজন মানুষ দেখেছেন। ফখরুল বলেছেন, অক্টোবরে নাকি আমাদের চলে যেতে হবে। আমি বলেছি, এই অক্টোবরে আছি, আগামী অক্টোবরেও থাকবো। জনগণ আমাদের চায়। একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী সংকটে শক্তহাতে হাল ধরে আছেন, কেন তাকে ছেড়ে দিতে হবে? তার বিকল্প ভাবেন। শেখ হাসিনার বিকল্প আছে কি? সেটি ভাবতে হবে, সেই আলোকে ইশতেহার সাজাতে হবে।

কাদের বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে। বিএনপি এলে গণতন্ত্র থাকবে না। একটি কর্মমুখী ইশতেহার প্রয়োজন। যেমন কুকুর তেমন মুগুর স্টাইলে ইশতেহার করেন। ক্লাইমেট চেঞ্জের বিষয়ে সামনে রাখতে হবে। ২০২৬ এবং ২০৪০ সাল মাথায় রাখতে হবে। ডিজিটাল হয়ে গেছে, এখন মাথায় স্মার্ট বাংলাদেশ। কীভাবে সর্বত্র স্মার্ট করা যায়, সেটা ভাবতে হবে।

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ওবায়দুল কাদের বলেন, ৭৭ বছর বয়সেও তার গতি দেখলে মনে হয়, গতিতে তিনি সত্যিকারার্থে অ্যারাবিয়ান হর্স। শেখ হাসিনা আল্লাহর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ।

এ বৈঠকে নির্বাচনী ইশতেহারের খসড়া প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক ড. আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব ড. সেলিম মাহমুদ, সদস্য অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক, অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ড. শামসুল আলম, ডা. দীপু মনি, শ ম রেজাউল করিম, অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, অধ্যাপক খায়রুল হোসেন, শেখর দত্ত, ওয়াসিকা আয়েশা খান, বিপ্লব বড়ুয়া, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, তারানা হালিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সাজ্জাদুল হাসান, অধ্যাপক মাকসুদ কামাল, জুনাইদ আহমেদ পলক, সাদিকুর রহমান চৌধুরী, সায়েম খান, সাব্বির আহমেদ অংশ নেন।