ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাঁধ মেরামতের অর্থে ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগ পাউবোর প্রকৌশলী প্রবীরের বিরুদ্ধে Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত ১৭ Logo নতুন বুটে ইনজুরিতে পড়তে পারেন এমবাপ্পে, আগেই সতর্ক করেছিলেন ফিজিও Logo অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে: সাদিয়া আয়মান Logo চাঁদাবাজির ‘ঢালাও’ অভিযোগ করেছে সালমান, মামলা করলে তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী মিথ্যাচার চালাচ্ছে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির মিথ্যা মামলায় এক যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে এক মায়ের আকুতি Logo এশিয়ান গেমসের ব্যাডমিন্টনে বাংলাদেশের ইতিহাস, শেষ ষোলোতে গৌরব-আয়মান Logo ডাবল গ্র্যামি জয়ী কণ্ঠশিল্পী ক্যাসান্দ্রা উইলসন মারা গেছেন

আবু সাঈদ হত্যা মামলা: সাক্ষ্য দিচ্ছেন তদন্ত কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ৪৩৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ।। সোমবার।। ২৯ ডিসেম্বর।। ২০২৫।।

জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ এবং রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন (২৯ ডিসেম্বর) সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দিচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এই সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। মামলার ২৫ নম্বর সাক্ষী হিসেবে আজ তিনি বাকি আসামিদের ভূমিকা ও ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরবেন।

গত ১৮ ডিসেম্বর তার সাক্ষ্য শুরু হয়। রোববার পর্যন্ত তিনি মামলার ৩০ জন আসামির মধ্যে ১৬ জনের বিরুদ্ধে জানা অভিযোগ ও দায় সম্পর্কে আদালতে বক্তব্য দেন।

সাক্ষ্য দিতে গিয়ে রুহুল আমিন তদন্তের সময় পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ, উদ্ধার করা আলামত এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত আশপাশের বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেছেন, তার সাক্ষ্য শেষ হলে গ্রেপ্রার ও পলাতক আসামিদের আইনজীবীরা nadi প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গুলিবর্ষণ ও আবু সাঈদকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বিচারে। সাক্ষ্য দেওয়ার সময় হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছিলেন যে,আন্দোলনের সময় ডিবিসি, ৭১ টিভি ও সময় টিভিসহ বেশকিছু সংবাদমাধ্যম গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের নির্দেশে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছে।

ট্রাইব্যুনাল প্রতিটি সাক্ষ্য ও প্রমাণ খুব সতর্কভাবে যাচাই করছে, যাতে দেশের প্রথম জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে শেষ করা যায়। মামলার এই ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যের মাধ্যমেই অপরাধের নির্দেশনা কার কাছ থেকে এসেছে এবং কারা সরাসরি জড়িত ছিল– তা প্রমাণ করা হবে।

ট্যাগস :

আবু সাঈদ হত্যা মামলা: সাক্ষ্য দিচ্ছেন তদন্ত কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ১২:০৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ কন্ঠ।। সোমবার।। ২৯ ডিসেম্বর।। ২০২৫।।

জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ এবং রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন (২৯ ডিসেম্বর) সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দিচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এই সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। মামলার ২৫ নম্বর সাক্ষী হিসেবে আজ তিনি বাকি আসামিদের ভূমিকা ও ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরবেন।

গত ১৮ ডিসেম্বর তার সাক্ষ্য শুরু হয়। রোববার পর্যন্ত তিনি মামলার ৩০ জন আসামির মধ্যে ১৬ জনের বিরুদ্ধে জানা অভিযোগ ও দায় সম্পর্কে আদালতে বক্তব্য দেন।

সাক্ষ্য দিতে গিয়ে রুহুল আমিন তদন্তের সময় পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ, উদ্ধার করা আলামত এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত আশপাশের বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেছেন, তার সাক্ষ্য শেষ হলে গ্রেপ্রার ও পলাতক আসামিদের আইনজীবীরা nadi প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গুলিবর্ষণ ও আবু সাঈদকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বিচারে। সাক্ষ্য দেওয়ার সময় হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছিলেন যে,আন্দোলনের সময় ডিবিসি, ৭১ টিভি ও সময় টিভিসহ বেশকিছু সংবাদমাধ্যম গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের নির্দেশে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছে।

ট্রাইব্যুনাল প্রতিটি সাক্ষ্য ও প্রমাণ খুব সতর্কভাবে যাচাই করছে, যাতে দেশের প্রথম জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে শেষ করা যায়। মামলার এই ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যের মাধ্যমেই অপরাধের নির্দেশনা কার কাছ থেকে এসেছে এবং কারা সরাসরি জড়িত ছিল– তা প্রমাণ করা হবে।