ঢাকা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

আপনার ফোনে ভাইরাস আক্রান্ত করে নি তো?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩৩৫ বার পঠিত

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক :

স্মার্টফোন সব সময় বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। কখনও চ্যাটিং বা সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করে, কখনও সিনেমা এবং নাটক দেখে সময় কাটান। শুধু তাই নয়, পড়াশোনা, গান শোনা এখন এক স্মার্টফোনেই করা যায়। এছাড়াও, এছাড়া ঘরে বসে ব্যাংকের কাজগুলো মুহূর্তেই ফোন থেকে করে নিতে পারছেন।

আপনার দরকারী এ ডিভাইসটি যে কোনো সময় ভাইরাস আক্রান্ত হতে পারে। ফলে ফোন হ্যাক হতে পারে। হ্যাকাররা বিভিন্ন উপায়ে আপনার ফোনে ভাইরাস ঢুকিয়ে দেয়। এরপর ফোনের সব তথ্য চুরি করতে থাকে। এখন প্রশ্ন হলো, ফোন যে ভাইরাস আক্রান্ত তা বুঝবেন কীভাবে?

কিছু উপসর্গ দেখেই বুঝতে পারবেন আপনার ফোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কি না-

১. দ্রুত চার্জ শেষ হওয়া: দ্রুত চার্জ শেষ হওয়াকে ব্যাটারি ড্রেনিং বলা হয়। এটা যদি ঘন ঘন হয়, তাহলে কোথাও একটা সমস্যা আছে সেটা বুঝতে হবে। ফোন চার্জ করার পর দ্রুত চার্জ কমে যাওয়া একটি ম্যালওয়্যার ভাইরাসের লক্ষণ। কারণ তারা ব্যাকগ্রাউন্ডে চার্জ শোষণ করে।

২. অজানা অ্যাপ: আপনি ফোনে ইনস্টল না করে এমন অ্যাপ খুঁজে পেলে দ্রুত সতর্ক হন। অনেক সময় ফোনের ফাইল ম্যানেজারে গিয়ে এপিকে ফাইল হিসাবে সেভ হয়ে যায় এই সব অ্যাপ। এগুলি ধীরে ধীরে সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য লোপাট করতে শুরু করে। এমন অ্যাপ চোখে পড়লে দ্রুত সেগুলি ফোন থেকে মুছে ফেলুন।

৩. দ্রুত মোবাইল ডেটা খরচ
উদাহরণস্বরূপ, আগের কাজটি ১০০গই ডেটা ব্যবহার করত। এটা করতে এখন ২০০গই বা তার বেশি খরচ হচ্ছে, তাহলে বুঝতে হবে ফোনে কিছু অসাধু কার্যকলাপ চলছে। কারণ এই ধরনের ম্যালওয়্যার ভাইরাস দ্রুত হারে ব্যাটারির পাশাপাশি মোবাইল ডেটা খরচ করে।

৪. ফোনের সেটিংস পরিবর্তন করা: কখনও কখনও স্মার্টফোনের সেটিংস স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন হয়। আসলে, হ্যাকাররা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলার জন্য ফোনের সেটিংস পরিবর্তন করে। আপনি যদি এমন কিছু দেখতে পান তবে সাবধান হন। ফোন অতিরিক্ত গরম হলে সতর্ক থাকুন।

৫. অপ্রয়োজনীয় অনুমতি: আপনার ফোনে অ্যাপস যদি অপ্রয়োজনীয় অনুমতি চায় তাহলে সতর্ক থাকুন। কারণ অনেক অ্যাপ প্রয়োজনের বাইরে অনুমতি চায়। তারা স্মার্টফোনের ক্যামেরা, অবস্থান, যোগাযোগসহ অনেক ব্যক্তিগত তথ্যে অ্যাক্সেস পেয়ে যায়।

৬. ফোন স্লো ডাউন: নতুন ফোন কিনে বেশিদিন হয়নি। কিন্তু কমে গিয়েছে পারফরম্যান্স। বেশি সাইজের হাই-পারফরম্যান্স অ্যাপ ডাউনলোড না করেও যদি ফোনের গতি কমে যায়, তাহলে বুঝতে হবে ম্যালওয়্যার ভাইরাস ঢুকেছে স্মার্টফোনে।

আপনার ফোনে ভাইরাস আক্রান্ত করে নি তো?

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক :

স্মার্টফোন সব সময় বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। কখনও চ্যাটিং বা সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করে, কখনও সিনেমা এবং নাটক দেখে সময় কাটান। শুধু তাই নয়, পড়াশোনা, গান শোনা এখন এক স্মার্টফোনেই করা যায়। এছাড়াও, এছাড়া ঘরে বসে ব্যাংকের কাজগুলো মুহূর্তেই ফোন থেকে করে নিতে পারছেন।

আপনার দরকারী এ ডিভাইসটি যে কোনো সময় ভাইরাস আক্রান্ত হতে পারে। ফলে ফোন হ্যাক হতে পারে। হ্যাকাররা বিভিন্ন উপায়ে আপনার ফোনে ভাইরাস ঢুকিয়ে দেয়। এরপর ফোনের সব তথ্য চুরি করতে থাকে। এখন প্রশ্ন হলো, ফোন যে ভাইরাস আক্রান্ত তা বুঝবেন কীভাবে?

কিছু উপসর্গ দেখেই বুঝতে পারবেন আপনার ফোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কি না-

১. দ্রুত চার্জ শেষ হওয়া: দ্রুত চার্জ শেষ হওয়াকে ব্যাটারি ড্রেনিং বলা হয়। এটা যদি ঘন ঘন হয়, তাহলে কোথাও একটা সমস্যা আছে সেটা বুঝতে হবে। ফোন চার্জ করার পর দ্রুত চার্জ কমে যাওয়া একটি ম্যালওয়্যার ভাইরাসের লক্ষণ। কারণ তারা ব্যাকগ্রাউন্ডে চার্জ শোষণ করে।

২. অজানা অ্যাপ: আপনি ফোনে ইনস্টল না করে এমন অ্যাপ খুঁজে পেলে দ্রুত সতর্ক হন। অনেক সময় ফোনের ফাইল ম্যানেজারে গিয়ে এপিকে ফাইল হিসাবে সেভ হয়ে যায় এই সব অ্যাপ। এগুলি ধীরে ধীরে সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য লোপাট করতে শুরু করে। এমন অ্যাপ চোখে পড়লে দ্রুত সেগুলি ফোন থেকে মুছে ফেলুন।

৩. দ্রুত মোবাইল ডেটা খরচ
উদাহরণস্বরূপ, আগের কাজটি ১০০গই ডেটা ব্যবহার করত। এটা করতে এখন ২০০গই বা তার বেশি খরচ হচ্ছে, তাহলে বুঝতে হবে ফোনে কিছু অসাধু কার্যকলাপ চলছে। কারণ এই ধরনের ম্যালওয়্যার ভাইরাস দ্রুত হারে ব্যাটারির পাশাপাশি মোবাইল ডেটা খরচ করে।

৪. ফোনের সেটিংস পরিবর্তন করা: কখনও কখনও স্মার্টফোনের সেটিংস স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন হয়। আসলে, হ্যাকাররা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলার জন্য ফোনের সেটিংস পরিবর্তন করে। আপনি যদি এমন কিছু দেখতে পান তবে সাবধান হন। ফোন অতিরিক্ত গরম হলে সতর্ক থাকুন।

৫. অপ্রয়োজনীয় অনুমতি: আপনার ফোনে অ্যাপস যদি অপ্রয়োজনীয় অনুমতি চায় তাহলে সতর্ক থাকুন। কারণ অনেক অ্যাপ প্রয়োজনের বাইরে অনুমতি চায়। তারা স্মার্টফোনের ক্যামেরা, অবস্থান, যোগাযোগসহ অনেক ব্যক্তিগত তথ্যে অ্যাক্সেস পেয়ে যায়।

৬. ফোন স্লো ডাউন: নতুন ফোন কিনে বেশিদিন হয়নি। কিন্তু কমে গিয়েছে পারফরম্যান্স। বেশি সাইজের হাই-পারফরম্যান্স অ্যাপ ডাউনলোড না করেও যদি ফোনের গতি কমে যায়, তাহলে বুঝতে হবে ম্যালওয়্যার ভাইরাস ঢুকেছে স্মার্টফোনে।