ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাজাপুরের বড়ইয়ায় মেম্বার প্রার্থী আব্দুল হালিম হাওলাদারের মতবিনিময় সভা Logo অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানববন্ধন Logo সিরিজ টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo বিশ্বকাপ জিতলে মেসির সামনে নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের সুযোগ Logo ইরানে সেতু-রেলস্টেশনসহ বেসামরিক স্থাপনায় মার্কিন হামলা, নিহত ৭ Logo ‘দেশ ভয়াবহ সংকটে, ঐক্যবদ্ধ হয়েই তা মোকাবিলা করতে হবে’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ঢাকাসহ ১৩ অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত Logo র‌্যাব-৯ ও র‌্যাব-১৪ এর যৌথ অভিযানে তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জুলাই শহিদদের স্মরনে আলোচনা সভা Logo ধামরাইয়ে জুলাই শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

বছরখানেক সময় পেলে সংস্কার কাজগুলো করে যাবো: আসিফ নজরুল

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ২৮৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

বছরখানেক (এক বছর) সময় পেলে সংস্কার কাজগুলো করে যাবেন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‌‘ঐকমত্য থাকলে পরবর্তী রাজনৈতিক সরকার সহজে এই সংস্কারগুলো বদলাতে বা বাতিল করতে পারবে না। আমাদের জন্য সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও সংস্কার কমিশনের প্রধান জাতীয় ঐকমত্যের প্রশ্নে সংস্কার বাস্তবায়নে মৌখিক সম্মতি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‌‘বাংলাদেশের উচ্চতর বিচার বিভাগকে এমন সব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা কাজে লাগিয়ে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারকে ক্ষমতায় রাখা হয়েছিল। তাদের কর্তৃত্ব সুসংহত করতে ব্যবহার করা হয়েছে। তখন অনেকে দোষী প্রমাণিত না হয়েও দীর্ঘ সময়ের জন্য আটক ছিলেন এবং জামিনের আবেদনগুলো প্রায়ই প্রত্যাখ্যান করা হতো। তিনি বলেন, ‘দেশে যদি প্রতি পাঁচ বছর পর পর সুষ্ঠু নির্বাচন হতো এবং নির্বাচিত দল সরকার গঠন করতো, তাহলে ক্ষমতাসীন দল বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে এতটা স্বৈরাচারী আচরণ করতে পারতো না।’ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে বিচার বিভাগীয় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে এ উপদেষ্টা বলেন, ‘তিনটি সংস্কার প্রস্তাবের ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে। সংলাপে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিচারপতি এ এইচ এম শাসসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের কলাপাতায় শুয়ে থাকার ছবিটি সব বিচারকের পেছনে টানিয়ে রাখা উচিৎ। তাহলে বোঝা যাবে, বিচারপতিদের আচরণ কেমন হওয়া উচিৎ? কে কী বক্তব্য দিতেন তা টিভি ও ইউটিউবে দেখে বিরোধীদলের সেই ব্যক্তিকে আদালত অবমাননার মামলায় হয়রানি করতেন প্রধান বিচারপতি ও তার মনিটরিং সেল। তিনি আরও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সিন্ডিকেটের কারণে দুর্নীতি মামলার খরচ বাড়ে। ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিচার বিভাগের সুদিন ফিরিয়ে আনাই হবে প্রধান লক্ষ্য।

ট্যাগস :

বছরখানেক সময় পেলে সংস্কার কাজগুলো করে যাবো: আসিফ নজরুল

আপডেট সময় : ০২:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

বছরখানেক (এক বছর) সময় পেলে সংস্কার কাজগুলো করে যাবেন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‌‘ঐকমত্য থাকলে পরবর্তী রাজনৈতিক সরকার সহজে এই সংস্কারগুলো বদলাতে বা বাতিল করতে পারবে না। আমাদের জন্য সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও সংস্কার কমিশনের প্রধান জাতীয় ঐকমত্যের প্রশ্নে সংস্কার বাস্তবায়নে মৌখিক সম্মতি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‌‘বাংলাদেশের উচ্চতর বিচার বিভাগকে এমন সব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা কাজে লাগিয়ে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারকে ক্ষমতায় রাখা হয়েছিল। তাদের কর্তৃত্ব সুসংহত করতে ব্যবহার করা হয়েছে। তখন অনেকে দোষী প্রমাণিত না হয়েও দীর্ঘ সময়ের জন্য আটক ছিলেন এবং জামিনের আবেদনগুলো প্রায়ই প্রত্যাখ্যান করা হতো। তিনি বলেন, ‘দেশে যদি প্রতি পাঁচ বছর পর পর সুষ্ঠু নির্বাচন হতো এবং নির্বাচিত দল সরকার গঠন করতো, তাহলে ক্ষমতাসীন দল বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে এতটা স্বৈরাচারী আচরণ করতে পারতো না।’ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে বিচার বিভাগীয় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে এ উপদেষ্টা বলেন, ‘তিনটি সংস্কার প্রস্তাবের ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে। সংলাপে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিচারপতি এ এইচ এম শাসসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের কলাপাতায় শুয়ে থাকার ছবিটি সব বিচারকের পেছনে টানিয়ে রাখা উচিৎ। তাহলে বোঝা যাবে, বিচারপতিদের আচরণ কেমন হওয়া উচিৎ? কে কী বক্তব্য দিতেন তা টিভি ও ইউটিউবে দেখে বিরোধীদলের সেই ব্যক্তিকে আদালত অবমাননার মামলায় হয়রানি করতেন প্রধান বিচারপতি ও তার মনিটরিং সেল। তিনি আরও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সিন্ডিকেটের কারণে দুর্নীতি মামলার খরচ বাড়ে। ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিচার বিভাগের সুদিন ফিরিয়ে আনাই হবে প্রধান লক্ষ্য।