ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারাজের উদ্বোধন: পানিসম্পদমন্ত্রী Logo ফেরারির ডিজাইন নিয়ে ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন নোট ৬০ আলট্রা Logo রাজাপুরের পুটিয়াখালীকে ৭নং স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন Logo ময়মনসিংহে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ৭-০ গোলে চ্যাম্পিয়ন ‘The King of Sportiva’ Logo প্রথম দেশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে নেপাল Logo ফ্রান্সের রাজপথ কাঁপাচ্ছে ক্যাপ্টেন আমেরিকা-স্পাইডারম্যানরা Logo ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে লিটনকে না পাওয়ার শঙ্কা Logo এনসিপির জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক হলেন মাহমুদা মিতু Logo বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, প্রশাসন নিয়ে সমালোচনায় অস্বস্তিতে সরকার Logo বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন: জামায়াতের আমির

১০ বছরে চাঁদে পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ার লক্ষ্য রাশিয়ার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ৪০৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ।। বুধবার।। ২৪ ডিসেম্বর।। ২০২৫।।

আগামি দশকে চাঁদে একটি পরমানু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার রাষ্ট্রয়ত্ত মহাকাশ সংস্থা রসকসস এক বিস্তারিত ঘোষণা দিয়েছে যে, ২০২৬ সালের মধ্যে তারা চাঁদে একটি বিদ্যুৎকেন্দ নির্মাণের কাজ শুরু করবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য লাভোচকিন অ্যাসোসিয়েশন-এর মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ১৯৬১ সালে সোভিয়েত মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানব হিসেবে মহাকাশে যাত্রা করেছিলেন। এরপর থেকে রাশিয়া মহাকাশ গবেষণায় একটি উৎকৃষ্ট শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে, সাম্প্রতিক দশকে তার যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।

রসকসমস থেকে জানা গেছে, চাঁদের গ্রহনের উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ার চন্দ্র কর্মসূচিতে শক্তি সরবরাহ করা। এর মধ্যে আছে রোভার, একটি মানমন্দির এবং রাশিয়ান-চীনা যৌথ আন্তর্জাতিক চন্দ্র গবেষণা কেন্দ্রের অবকাঠামো।

রসকসমস আরও বলেছেন, ‘এই প্রকল্পটি স্থায়ীভাবে কার্যকর বৈজ্ঞানিক চন্দ্র কেন্দ্র তৈরি এবং এককালীন মিশন থেকে দীর্ঘমেয়াদী চন্দ্র অনুসন্ধান কর্মসূচিতে রূপান্তরের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

রসকসমস তাদের বিবৃতিতে প্রকল্পটি পারমাণবিক শক্তিনির্ভর হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে তারা জানিয়েছে, এই প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম এর পাশাপাশি দেশটির অন্যতম শীর্ষ পারমাণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট কুরচাটভ ইনস্টিটিউটও যুক্ত আছে।

এর আগে জুন মাসে রসকসমসের প্রধান দিমিত্রি বাকানভ বলেন, সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা এবং পৃথিবীর ‘বোন’ গ্রহ হিসাবে পরিচিত শুক্র নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা।

ট্যাগস :

১০ বছরে চাঁদে পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ার লক্ষ্য রাশিয়ার

আপডেট সময় : ০৬:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ কন্ঠ।। বুধবার।। ২৪ ডিসেম্বর।। ২০২৫।।

আগামি দশকে চাঁদে একটি পরমানু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চাচ্ছে রাশিয়া। রাশিয়ার রাষ্ট্রয়ত্ত মহাকাশ সংস্থা রসকসস এক বিস্তারিত ঘোষণা দিয়েছে যে, ২০২৬ সালের মধ্যে তারা চাঁদে একটি বিদ্যুৎকেন্দ নির্মাণের কাজ শুরু করবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য লাভোচকিন অ্যাসোসিয়েশন-এর মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, ১৯৬১ সালে সোভিয়েত মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানব হিসেবে মহাকাশে যাত্রা করেছিলেন। এরপর থেকে রাশিয়া মহাকাশ গবেষণায় একটি উৎকৃষ্ট শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে, সাম্প্রতিক দশকে তার যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে।

রসকসমস থেকে জানা গেছে, চাঁদের গ্রহনের উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ার চন্দ্র কর্মসূচিতে শক্তি সরবরাহ করা। এর মধ্যে আছে রোভার, একটি মানমন্দির এবং রাশিয়ান-চীনা যৌথ আন্তর্জাতিক চন্দ্র গবেষণা কেন্দ্রের অবকাঠামো।

রসকসমস আরও বলেছেন, ‘এই প্রকল্পটি স্থায়ীভাবে কার্যকর বৈজ্ঞানিক চন্দ্র কেন্দ্র তৈরি এবং এককালীন মিশন থেকে দীর্ঘমেয়াদী চন্দ্র অনুসন্ধান কর্মসূচিতে রূপান্তরের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

রসকসমস তাদের বিবৃতিতে প্রকল্পটি পারমাণবিক শক্তিনির্ভর হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে তারা জানিয়েছে, এই প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম এর পাশাপাশি দেশটির অন্যতম শীর্ষ পারমাণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট কুরচাটভ ইনস্টিটিউটও যুক্ত আছে।

এর আগে জুন মাসে রসকসমসের প্রধান দিমিত্রি বাকানভ বলেন, সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা এবং পৃথিবীর ‘বোন’ গ্রহ হিসাবে পরিচিত শুক্র নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা।