ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি ফিরে পেতে শামসু মিয়ার প্রাণের দাবি Logo ভিভো ওয়াই৩২: ৮,০০০ এমএএইচ ব্লুভোল্ট ব্যাটারি নিয়ে বাংলাদেশে Logo বিশ্বের সেরা দলের মুখোমুখি বাংলাদেশ, মানসিক চ্যালেঞ্জও দেখছেন কোচ Logo ডিসেম্বরের আগে গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ Logo পটুয়াখালী সবুজ বাগে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে টিনশেড ঘর ভস্মীভূত, নিঃস্ব ৪টি পরিবার! Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo বিদায়বেলায় বিশ্বকাপ ফাইনালের ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে মুখ খুললেন মেসি Logo টিটিপির ড্রোন ঠেকাতে মাছ ধরার জাল ব্যবহার করছে পাকিস্তান Logo আতঙ্ক-উচ্ছ্বাস দুই নিয়েই অপেক্ষায় বাংলাদেশ Logo ইতালি পাঠানোর নামে জাল ভিসায় মালয়েশিয়া পাচার: গাজীপুর ও নরসিংদী থেকে মানব পাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি ফিরে পেতে শামসু মিয়ার প্রাণের দাবি

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৬৩ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর, সাবেক (গাঙ্গীহাতা) গ্রামের কাইয়ুম আলী বাড়ীর মৃত আমিন উদ্দিনের ছেলে শামসু মিয়ার (৭৮) পৈত্রিক সম্পত্তি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জবরদখল করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে, একই গ্রামের কাইয়ুম আলী বাড়ীর মৃত আব্দুল হাসিম মিয়ার ছেলে সাবেক ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজ মিয়া গংদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শামসু মিয়ার পিতা মৃত আমিন উদ্দিন ও শামসু মিয়ার বোন জামাই মৃত শহিদ মিয়া মৃত আফিল উদ্দিনের কাছ থেকে সাবেক ৬১৭ দাগ, বর্তমান ৭৯৯ দাগে ২ ওয়ারিশে মিলে পৌনে ২ শতক করে, মোট সাড়ে ৩ শতক জমি ক্রয় করে ১৯৬৫ সালে।
কিন্ত বিধিবাম, শামসু মিয়া দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর পার্শ্ববর্তী সেন্দ গ্রামে বসবাস করার পরে যখন, নিজ গ্রাম মোহাম্মদপুর ফিরে এসে ২ টি সাব-কবলা দলিল পায়। শামসু মিয়া জানায়, আমার আব্বা জমি কিনে রেখে গেছে, আমি জানতাম না। বাড়ীতে এসে আমি ১৯৬৫ সালের দলিল। দলিল মূলে এই জমির ওয়ারিশ শামসু মিয়া এবং মৃত শহিদ মিয়ার মেয়ে ফারজানা আক্তার। এই জায়গা সম্পত্তি নিয়ে মোহাম্মদপুর গ্রামের গণ্যমান্য সালিশ কারকরা বেশ কয়েকবার সালিশ দরবার করলেও, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার অনেকেই জানায়, সিরাজ মিয়া তখন বলেছে, আমার দলিল আছে। কিন্তু সম্প্রতি শামসু মিয়া, মানবাধিকার সংস্থায় একটি লিখিত অভিযোগ করার পর, সিরাজ মিয়া বলেন, আমার কাছে কোনো দলিল নেই। আমি বি এস মূলে মালিক। সিরাজ মিয়ার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন ওয়ারিশের সাবেক কবরস্থান প্রাচীর নির্মাণ করে বাউন্ডারি দেয়াল দিয়ে ৩ শতক জমি দখল করে রাখার অভিযোগও রয়েছে। উল্লেখ্য সদর উপজেলার এসিল্যান্ড এসে লিখিতভাবে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাওয়ার পরেও সাবেক কবরস্থান সিরাজ মিয়ার দখলেই রয়েছে এখনো। শামসু মিয়া আরো জানায়, আমার পৈতৃক সম্পত্তি, সিরাজ মিয়া দখল করে রেখেছে। আমি ও আমার ভাগ্নি ফারজানা আক্তার ওয়ারিশ সূত্রে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে ফিরে পেতে চাই। এ বিষয়ে বর্তমান জবর দখলদার মৃত আব্দুল হাসিমের ছেলে সিরাজ মিয়ার (৬৭) কাছে জানতে চাইলে, সে জানায়, আমার দলিল নেই, আমি বি এস মূলে মালিক।

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে। তারিখঃ- ১০.১০.২০২৬ ইং

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি ফিরে পেতে শামসু মিয়ার প্রাণের দাবি

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর, সাবেক (গাঙ্গীহাতা) গ্রামের কাইয়ুম আলী বাড়ীর মৃত আমিন উদ্দিনের ছেলে শামসু মিয়ার (৭৮) পৈত্রিক সম্পত্তি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জবরদখল করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে, একই গ্রামের কাইয়ুম আলী বাড়ীর মৃত আব্দুল হাসিম মিয়ার ছেলে সাবেক ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজ মিয়া গংদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শামসু মিয়ার পিতা মৃত আমিন উদ্দিন ও শামসু মিয়ার বোন জামাই মৃত শহিদ মিয়া মৃত আফিল উদ্দিনের কাছ থেকে সাবেক ৬১৭ দাগ, বর্তমান ৭৯৯ দাগে ২ ওয়ারিশে মিলে পৌনে ২ শতক করে, মোট সাড়ে ৩ শতক জমি ক্রয় করে ১৯৬৫ সালে।
কিন্ত বিধিবাম, শামসু মিয়া দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর পার্শ্ববর্তী সেন্দ গ্রামে বসবাস করার পরে যখন, নিজ গ্রাম মোহাম্মদপুর ফিরে এসে ২ টি সাব-কবলা দলিল পায়। শামসু মিয়া জানায়, আমার আব্বা জমি কিনে রেখে গেছে, আমি জানতাম না। বাড়ীতে এসে আমি ১৯৬৫ সালের দলিল। দলিল মূলে এই জমির ওয়ারিশ শামসু মিয়া এবং মৃত শহিদ মিয়ার মেয়ে ফারজানা আক্তার। এই জায়গা সম্পত্তি নিয়ে মোহাম্মদপুর গ্রামের গণ্যমান্য সালিশ কারকরা বেশ কয়েকবার সালিশ দরবার করলেও, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার অনেকেই জানায়, সিরাজ মিয়া তখন বলেছে, আমার দলিল আছে। কিন্তু সম্প্রতি শামসু মিয়া, মানবাধিকার সংস্থায় একটি লিখিত অভিযোগ করার পর, সিরাজ মিয়া বলেন, আমার কাছে কোনো দলিল নেই। আমি বি এস মূলে মালিক। সিরাজ মিয়ার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন ওয়ারিশের সাবেক কবরস্থান প্রাচীর নির্মাণ করে বাউন্ডারি দেয়াল দিয়ে ৩ শতক জমি দখল করে রাখার অভিযোগও রয়েছে। উল্লেখ্য সদর উপজেলার এসিল্যান্ড এসে লিখিতভাবে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাওয়ার পরেও সাবেক কবরস্থান সিরাজ মিয়ার দখলেই রয়েছে এখনো। শামসু মিয়া আরো জানায়, আমার পৈতৃক সম্পত্তি, সিরাজ মিয়া দখল করে রেখেছে। আমি ও আমার ভাগ্নি ফারজানা আক্তার ওয়ারিশ সূত্রে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে ফিরে পেতে চাই। এ বিষয়ে বর্তমান জবর দখলদার মৃত আব্দুল হাসিমের ছেলে সিরাজ মিয়ার (৬৭) কাছে জানতে চাইলে, সে জানায়, আমার দলিল নেই, আমি বি এস মূলে মালিক।

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে। তারিখঃ- ১০.১০.২০২৬ ইং