ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

একাধিকবার গোসল করে রোগ বয়ে আনছেন না তো!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩ ২৯১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দিনে অন্তত দুবার গোসল করার অভ্যাস প্রায় সবারই আছে। সকালে গোসল করে বাইরে যেতে পছন্দ করে এবং কাজ শেষে বাসায় এসে আবার গোসল করেন। এমনও অনেকে আছেন যারা দিনে একাধিকবার গোসল করেন।

তবে সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, দিনে একাধিকবার গোসল করা বা শাওয়ারের নিচে ৩-৪ ঘণ্টা কাটালে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

তবে চর্মরোগ চিকিৎসক জয়েস পার্ক যদিও জানিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনও নিয়ম নেই। বেশিক্ষণ ধরে গোসল করলেই যে ত্বক কিংবা চুলের ক্ষতি হবে, এমন ধারণাও ঠিক নয়।

হার্ভার্ড হেলথের ২০২১ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রায় ৬৬ শতাংশ আমেরিকান প্রতিদিন স্নান করে। কেউ বা তার বেশি।

জয়েসের মতে, একজনের কত ঘন ঘন স্নান করা উচিত তা নির্ভর করে ব্যক্তির ত্বক এবং চুলের ধরনের উপর। কিংবা ঘামের পরিমাণ ও ধুলা ময়লা মাখার উপরেও।

তবে যাদের অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বক বা ত্বকের সমস্যা যেমন একজিমা তাদের খুব ঘন ঘন গোসল করা উচিত নয়। কারণ একাধিকবার গোসল করলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে যায়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।

একই দেশের আরেক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ জুলি রুসাকের মতে, আমি সাধারণত গরম ঝরনা এবং অতিরিক্ত সাবান এড়িয়ে চলি। কারণ এতে ধুলার পাশাপাশি ত্বকের মাইক্রোবায়োমও ধুয়ে যায়। এই মাইক্রোবায়োম শুধুমাত্র ত্বকের জন্য নয়, সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সারাদিনে একবার বা দুবার গোসল করা ভালো। তবে আপনার যদি ত্বকের সমস্যা থাকে, কাজ থেকে ফিরে বা ব্যায়াম করার পরে, শুধুমাত্র সেই জায়গাগুলি ধুয়ে ফেলুন যেখানে ঘাম হয়েছে।

আমেরিকার একটি কসমেটিক কোম্পানির চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ জাস্টিন হেক্সটলের মতে,ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে যাওয়ার পেছনে গোসল ও প্রসাধনীর ভূমিকাও কম নয়। ত্বকের ধরন বুঝে মুখ বা চুলের জন্য প্রসাধনী কিনলেও দেহের বিষয়ে সবাই ততা সচেতন নন।

একাধিকবার গোসল করে রোগ বয়ে আনছেন না তো!

আপডেট সময় : ০২:২০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দিনে অন্তত দুবার গোসল করার অভ্যাস প্রায় সবারই আছে। সকালে গোসল করে বাইরে যেতে পছন্দ করে এবং কাজ শেষে বাসায় এসে আবার গোসল করেন। এমনও অনেকে আছেন যারা দিনে একাধিকবার গোসল করেন।

তবে সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, দিনে একাধিকবার গোসল করা বা শাওয়ারের নিচে ৩-৪ ঘণ্টা কাটালে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

তবে চর্মরোগ চিকিৎসক জয়েস পার্ক যদিও জানিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনও নিয়ম নেই। বেশিক্ষণ ধরে গোসল করলেই যে ত্বক কিংবা চুলের ক্ষতি হবে, এমন ধারণাও ঠিক নয়।

হার্ভার্ড হেলথের ২০২১ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রায় ৬৬ শতাংশ আমেরিকান প্রতিদিন স্নান করে। কেউ বা তার বেশি।

জয়েসের মতে, একজনের কত ঘন ঘন স্নান করা উচিত তা নির্ভর করে ব্যক্তির ত্বক এবং চুলের ধরনের উপর। কিংবা ঘামের পরিমাণ ও ধুলা ময়লা মাখার উপরেও।

তবে যাদের অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বক বা ত্বকের সমস্যা যেমন একজিমা তাদের খুব ঘন ঘন গোসল করা উচিত নয়। কারণ একাধিকবার গোসল করলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে যায়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।

একই দেশের আরেক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ জুলি রুসাকের মতে, আমি সাধারণত গরম ঝরনা এবং অতিরিক্ত সাবান এড়িয়ে চলি। কারণ এতে ধুলার পাশাপাশি ত্বকের মাইক্রোবায়োমও ধুয়ে যায়। এই মাইক্রোবায়োম শুধুমাত্র ত্বকের জন্য নয়, সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সারাদিনে একবার বা দুবার গোসল করা ভালো। তবে আপনার যদি ত্বকের সমস্যা থাকে, কাজ থেকে ফিরে বা ব্যায়াম করার পরে, শুধুমাত্র সেই জায়গাগুলি ধুয়ে ফেলুন যেখানে ঘাম হয়েছে।

আমেরিকার একটি কসমেটিক কোম্পানির চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ জাস্টিন হেক্সটলের মতে,ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে যাওয়ার পেছনে গোসল ও প্রসাধনীর ভূমিকাও কম নয়। ত্বকের ধরন বুঝে মুখ বা চুলের জন্য প্রসাধনী কিনলেও দেহের বিষয়ে সবাই ততা সচেতন নন।