ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাঞ্ছারামপুরের জনবান্ধব ইউএনও তরিকুল ইসলামের বদলিতে চরম ক্ষোভ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস সংকটের নেপথ্যে কারা? ডিজিএমকে ঘিরে নানা প্রশ্ন  Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনেও কাটেনি গ্যাস সংকট, দুর্ভোগে ২৬ হাজার গ্রাহক Logo ​ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এজমালি সম্পত্তি একক খারিজে বিক্রয়ের অভিযোগ, ১৪৪ ধারা জারি Logo আশুগঞ্জে মিত্রবাহিনীর স্মরণে নির্মিত মৈত্রীস্তম্ভ উদ্বোধন Logo মার্কিন বিমানবাহী রণতরিতে নৌসদস্যদের সংঘর্ষ, নিহতের দাবি ৭ Logo সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী Logo দেশে নতুন ফোন ‘হট ৭০ প্রো ৫জি’ আনলো ইনফিনিক্স Logo বিজয়নগরে যাত্রীবাহি বাস খাদে পড়ে ১০ জন আহত Logo মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলসহ ৪ দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্র ইউনিয়নের মানববন্ধন

অকল্যান্ডের জালে বায়ার্নের ১০ গোল

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৪১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫ ৪৭৯ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

ইউরোপের ক্লাবের সঙ্গে ওশেনিয়ান ক্লাবের কতটা পার্থক্য জানতে চান? তাহলে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে বায়ার্ন মিউনিখ এবং অকল্যান্ড সিটির মধ্যকার ম্যাচটা দেখুন। নিউজিল্যান্ডের ক্লাবটিকে পেয়ে যেন গোল উৎসবে মেতে উঠেছিলো থমাস মুলার, জামাল মুসিয়ালারা। গুনে গুনে অকল্যান্ডের জালে ১০বার বল জড়িয়েছে বায়ার্ন। জয়ের ব্যবধান ১০-০ গোলে।যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের সিনসিনাতিতে টিকিউএল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৬-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নরা। দ্বিতীয়ার্ধে করে আরও চার গোল।বায়ার্ন হয়তো ভাবতেই পারেনি একটা হেসেখেলে জয়ের দেখা পাবে তারা। ইউরোপিয়ান ক্লাব এবং ওশেনিয়ান ক্লাবের মধ্যে পার্থক্যটা এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হয়ে গেলো।বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে জামাল মুসিয়ালা করেন হ্যাটট্রিক, থমাস মুলার, কিংসলে কোম্যান, মিকায়েল ওলিসে করেন ২টি করে গোল। ১টি করেন সাচা বোয়ি। হ্যাটট্রিক করা জামাল মুসিয়ালা ৬১তম মিনিটে হ্যারি কেইনের পরিবর্তে মাঠে নেমেছিলেন।ম্যাচের ৬ষ্ঠ মিনিটে গোলের সূচনা করেন কিংসলে কোম্যান। ১৮তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন সাচা বোয়ি। মিকায়েল ওলিসে গোলের সূচনা করেন ২০তম মিনিটে। কিংসলে কোম্যান ২১তম মিনিটে করেন নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল।

থমাস মুলার ৪৫ তম মিনিটে করেন ৫ম গোল। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ৪৫+৩ মিনিটে ৬ষ্ঠ গোল করেন মিকায়েল ওলিসে।দ্বিতীয়ার্ধে ওলিসের পরিবর্তে মাঠে নামেন লেনার্ট কার্ল। কিংসলে কোম্যানকেও তুলে নেন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি। পরিবর্তে মাঠে নামেন সার্জি জিনাব্রি।৬১তম মিনিটে জামাল মুসিয়ালা মাঠে নামার পর ম্যাচটাই যেন হয়ে গেরো তার। ৬৭ মিনিটে নিজের প্রথম, দলের সপ্তম, ৭৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং ৮৪ মিনিটে তৃতীয় গোল করে পূরণ করেন হ্যাটট্রিক। দলের গোল তখন ৯টি। ৮৯ মিনিটে শেষ গোলটি করেন থমাস মুলার।

ট্যাগস :

অকল্যান্ডের জালে বায়ার্নের ১০ গোল

আপডেট সময় : ০২:৪১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

ইউরোপের ক্লাবের সঙ্গে ওশেনিয়ান ক্লাবের কতটা পার্থক্য জানতে চান? তাহলে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে বায়ার্ন মিউনিখ এবং অকল্যান্ড সিটির মধ্যকার ম্যাচটা দেখুন। নিউজিল্যান্ডের ক্লাবটিকে পেয়ে যেন গোল উৎসবে মেতে উঠেছিলো থমাস মুলার, জামাল মুসিয়ালারা। গুনে গুনে অকল্যান্ডের জালে ১০বার বল জড়িয়েছে বায়ার্ন। জয়ের ব্যবধান ১০-০ গোলে।যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের সিনসিনাতিতে টিকিউএল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৬-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নরা। দ্বিতীয়ার্ধে করে আরও চার গোল।বায়ার্ন হয়তো ভাবতেই পারেনি একটা হেসেখেলে জয়ের দেখা পাবে তারা। ইউরোপিয়ান ক্লাব এবং ওশেনিয়ান ক্লাবের মধ্যে পার্থক্যটা এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হয়ে গেলো।বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে জামাল মুসিয়ালা করেন হ্যাটট্রিক, থমাস মুলার, কিংসলে কোম্যান, মিকায়েল ওলিসে করেন ২টি করে গোল। ১টি করেন সাচা বোয়ি। হ্যাটট্রিক করা জামাল মুসিয়ালা ৬১তম মিনিটে হ্যারি কেইনের পরিবর্তে মাঠে নেমেছিলেন।ম্যাচের ৬ষ্ঠ মিনিটে গোলের সূচনা করেন কিংসলে কোম্যান। ১৮তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন সাচা বোয়ি। মিকায়েল ওলিসে গোলের সূচনা করেন ২০তম মিনিটে। কিংসলে কোম্যান ২১তম মিনিটে করেন নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল।

থমাস মুলার ৪৫ তম মিনিটে করেন ৫ম গোল। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ৪৫+৩ মিনিটে ৬ষ্ঠ গোল করেন মিকায়েল ওলিসে।দ্বিতীয়ার্ধে ওলিসের পরিবর্তে মাঠে নামেন লেনার্ট কার্ল। কিংসলে কোম্যানকেও তুলে নেন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি। পরিবর্তে মাঠে নামেন সার্জি জিনাব্রি।৬১তম মিনিটে জামাল মুসিয়ালা মাঠে নামার পর ম্যাচটাই যেন হয়ে গেরো তার। ৬৭ মিনিটে নিজের প্রথম, দলের সপ্তম, ৭৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় এবং ৮৪ মিনিটে তৃতীয় গোল করে পূরণ করেন হ্যাটট্রিক। দলের গোল তখন ৯টি। ৮৯ মিনিটে শেষ গোলটি করেন থমাস মুলার।