ঢাকা ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী মিথ্যাচার চালাচ্ছে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির মিথ্যা মামলায় এক যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে এক মায়ের আকুতি Logo এশিয়ান গেমসের ব্যাডমিন্টনে বাংলাদেশের ইতিহাস, শেষ ষোলোতে গৌরব-আয়মান Logo ডাবল গ্র্যামি জয়ী কণ্ঠশিল্পী ক্যাসান্দ্রা উইলসন মারা গেছেন Logo যুক্তরাষ্ট্রে ৩৬ বছরের মধ্যে জনপ্রিয়তায় সর্বনিম্ন ডোনাল্ড ট্রাম্প Logo সাদিক কায়েমকে সতর্ক করে রফিকুল ইসলাম মাদানীর ফেসবুক পোস্ট Logo ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পুলিশ সদস্যদের পরিবর্তন দেখাতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান

বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ১৩১ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চলছে। তিনি বলেন, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা ছাড়া দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যেই সরকার নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিচ্ছে।

ফ্যামিলি কার্ডের অর্থায়ন নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছেন, তাদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের অর্থ আর পাচার হতে দেওয়া হবে না। অর্থপাচার রোধ করা গেলে উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থের কোনো সংকট থাকবে না।

জাতীয় বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী বর্তমান বাজেটকে গণবিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত করছে। তবে তাদের জনগণের স্বার্থের পক্ষের শক্তি বলে মনে করেন না তিনি। এ ধরনের গোষ্ঠীর বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারলে ফ্যামিলি কার্ডের মতো উদ্যোগ বাস্তবায়ন ব্যাহত হতে পারে।

চা শ্রমিকদের কল্যাণে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ৫০ জন চা শ্রমিককে ঘর নির্মাণের জন্য জনপ্রতি দুই লাখ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৫০ জন চা শ্রমিকের সন্তানকে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

কৃষকদের জন্য সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষক কার্ড কর্মসূচির জন্যও বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ৪০ লাখ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

ট্যাগস :

বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চলছে। তিনি বলেন, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা ছাড়া দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যেই সরকার নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিচ্ছে।

ফ্যামিলি কার্ডের অর্থায়ন নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছেন, তাদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের অর্থ আর পাচার হতে দেওয়া হবে না। অর্থপাচার রোধ করা গেলে উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থের কোনো সংকট থাকবে না।

জাতীয় বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী বর্তমান বাজেটকে গণবিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত করছে। তবে তাদের জনগণের স্বার্থের পক্ষের শক্তি বলে মনে করেন না তিনি। এ ধরনের গোষ্ঠীর বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারলে ফ্যামিলি কার্ডের মতো উদ্যোগ বাস্তবায়ন ব্যাহত হতে পারে।

চা শ্রমিকদের কল্যাণে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ৫০ জন চা শ্রমিককে ঘর নির্মাণের জন্য জনপ্রতি দুই লাখ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৫০ জন চা শ্রমিকের সন্তানকে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

কৃষকদের জন্য সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডের পাশাপাশি কৃষক কার্ড কর্মসূচির জন্যও বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ৪০ লাখ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।