সন্তানের স্মার্টফোন ব্যবহারের দিকে নজর রাখুন
- আপডেট সময় : ০৫:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৬৯ বার পঠিত

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক :
আজকাল সব বয়সী মানুষই স্মার্টফোন ব্যবহার করছে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দিচ্ছেন। করোনার সময় যে অভ্যাস তৈরি হয়েছিল, অনলাইন ক্লাস, গ্রুপ স্টাডি তা এখনও যায়নি। এমনকি সন্তানের হাতে ফোনও তুলে দিচ্ছেন। আপনার সন্তান শুধু পড়াশোনার জন্যই নয় ফোনে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারও করতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখছেন তো?
আপনার সন্তানের স্মার্টফোন ব্যবহার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন। তারা সোশ্যাল মিডিয়াতে কার সাথে যুক্ত হয় সেদিকে বিশেষ মনোযোগ দিন। স্মার্টফোনটি কী কী অ্যাপ ব্যবহার করছে সেদিকে নজর রাখুন।
স্মার্টফোনের যুগে অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট অ্যাক্সেস করা সহজ। তাই বাচ্চাদের হাতে ফোন হস্তান্তর করার আগে, কিছু সেটিংস চালু করতে হবে, যাতে তারা এই ধরনের জিনিসগুলি দেখতে না পায়, অন্তত পিতামাতার ফোন থেকে।
>> এর জন্য, প্রথমে আপনাকে অ্যান্ড্রয়েডে গুগল প্লে রেসট্রিকশন চালু করতে হবে। এটি বাচ্চাদের এমন অ্যাপ, গেম এবং অন্যান্য ওয়েব রিসোর্স ডাউনলোড করতে বাধা দেবে যা তাদের বয়সের জন্য উপযুক্ত নয়। এর জন্য প্রথমে গুগল প্লে স্টোরে যান। তারপর বাম কোণে সেটিংসে যান। এখানে ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ অপশন পাওয়া যায়।
>> এটিতে ট্যাপ করলে একটি পিন সেট করতে বলবে। অভিভাবক এই পিন সেট করে ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোলস’ সেটিংস পরিবর্তন করতে পারেন? একবার পিন সেট হয়ে গেলে, প্রতিটি বিভাগের জন্য স্টোর-ভিত্তিক বয়স সেট করা যাবে। শুধু এই পিনটি বাচ্চাদের বললে চলবে না।
>> সোশ্যাল মিডিয়া সেটিংস ইউটিউব এবং ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ বিকল্প রয়েছে। বাবা-মায়েরা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপে ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ চালু করলে, তারা সহজেই তাদের সন্তানের ক্রিয়াকলাপ ট্র্যাক করতে পারে এবং ভুল জিনিসগুলি দেখা থেকে আটকাতে পারবে।
>> একটি পৃথক ই-মেইল আইডি অনেক সময়, সুবিধার জন্য, অভিভাবকরা তাদের নিজস্ব ই-মেইল আইডি ব্যবহার করে শিশুদের সমস্ত অ্যাপ চালানোর অনুমতি দেন। তবে শিশুদের জন্য ব্যক্তিগত ই-মেইল আইডি তৈরি করা ভালো। এর মাধ্যমে অভিভাবকরা শুধু শিশুদের ভুল বিজ্ঞাপন থেকে দূরে রাখতে পারবেন না, তাদের সন্তানদের ইন্টারনেট কার্যক্রমও সহজেই ট্র্যাক করতে পারবেন।
>> ইন্টারনেট সেফটি টিপসের পাশাপাশি বাচ্চাদের ইন্টারনেট সেফটি সম্পর্কে সচেতন করাও অভিভাবকদের কর্তব্য। ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, সাইবার ক্রাইম এবং অনলাইন পেমেন্ট জালিয়াতি সম্পর্কে শিশুদের জানিয়ে রাখলেও অনেকটা কাজ হবে।


















