ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী Logo মিশিগানে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল আল–সাইদ

নানা কর্মসূচির মাধ্যমে মাদারীপুর মুক্ত দিবস পালিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৯৭ বার পঠিত

পি.এম.সবুজ, মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:
নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হলো মাদারীপুর মুক্ত দিবস। দিবসটি উপলক্ষে মাদারীপুর জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন সংগঠন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় সম্মুখযুদ্ধে মারা যাওয়া সবচেয়ে ছোট সদস্য শহীদ সরোয়ার হোসেন বাচ্চুর কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খলিল বাহিনীর প্রধান সাবেক পৌর চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান খান, মুক্তিযোদ্ধা ফোরামের সভাপতি সাজাহান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর কবির প্রমুখ। পরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে।

১০ ডিসেম্বর মাদারীপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে একটানা ৩৬ ঘণ্টা যুদ্ধ শেষে পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে। শত্রুমুক্ত হয় মাদারীপুর জেলা।

এ সংবাদে হাজার হাজার মুক্তকামী মানুষ জয় বাংলা শ্লোগানে রাস্তায় নেমে আসে। বিজয় পতাকা উড়ে বাড়িতে বাড়িতে। এ যুদ্ধে শহীদ হন মাদারীপুর জেলার সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু।

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে জেলার সবক’টি থানা মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে চলে আসে। এ কারণে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা মাদারীপুর জেলার এআর হাওলাদার জুট মিলের ভেতর এবং সরকারি নাজিম উদ্দিন কলেজে (বর্তমান সরকারী মাদারীপুর কলেজ) অবস্থান নেয়। মুক্তিযোদ্ধারা তাদের চারদিকে থেকে ঘিরে রাখে।

৯ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী মাদারীপুর ছেড়ে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে চলে যাবে এমন সংবাদ পেয়ে মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে থাকে। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ঘটকচর থেকে সমাদ্দার ব্রিজের পশ্চিমপাড় পর্যন্ত সড়কের ৪ কিলোমিটার অংশ জুড়ে অবস্থান নেয় মুক্তিযোদ্ধরা। ৯ ডিসেম্বর ভোর ৫টার দিকে পাক হানাদার বাহিনী গোলবারুদ, অস্ত্র ও কনভয়সহ বাঙালি দোসর রাজাকার, আলবদর, আলসামস ও মুজাহিদ বাহিনী নিয়ে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঘটকচর ব্রিজ পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের আক্রমণ শুরু করে। এ যুদ্ধে শহীদ হন মাদারীপুরের সর্বকনিষ্ঠ

মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু। যুদ্ধে ২০ পাক হানাদার সেনা নিহত হয়। তুমূল যুদ্ধ শেষে ১০ ডিসেম্বর বিকেলে আত্মসমর্পণ করে পাক হানাদার বাহিনী। বিজয় পতাকা উড়ে মাদারীপুরে।

 

নানা কর্মসূচির মাধ্যমে মাদারীপুর মুক্ত দিবস পালিত

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩

পি.এম.সবুজ, মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:
নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হলো মাদারীপুর মুক্ত দিবস। দিবসটি উপলক্ষে মাদারীপুর জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন সংগঠন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় সম্মুখযুদ্ধে মারা যাওয়া সবচেয়ে ছোট সদস্য শহীদ সরোয়ার হোসেন বাচ্চুর কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খলিল বাহিনীর প্রধান সাবেক পৌর চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান খান, মুক্তিযোদ্ধা ফোরামের সভাপতি সাজাহান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর কবির প্রমুখ। পরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে।

১০ ডিসেম্বর মাদারীপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে একটানা ৩৬ ঘণ্টা যুদ্ধ শেষে পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে। শত্রুমুক্ত হয় মাদারীপুর জেলা।

এ সংবাদে হাজার হাজার মুক্তকামী মানুষ জয় বাংলা শ্লোগানে রাস্তায় নেমে আসে। বিজয় পতাকা উড়ে বাড়িতে বাড়িতে। এ যুদ্ধে শহীদ হন মাদারীপুর জেলার সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু।

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে জেলার সবক’টি থানা মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে চলে আসে। এ কারণে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা মাদারীপুর জেলার এআর হাওলাদার জুট মিলের ভেতর এবং সরকারি নাজিম উদ্দিন কলেজে (বর্তমান সরকারী মাদারীপুর কলেজ) অবস্থান নেয়। মুক্তিযোদ্ধারা তাদের চারদিকে থেকে ঘিরে রাখে।

৯ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী মাদারীপুর ছেড়ে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে চলে যাবে এমন সংবাদ পেয়ে মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে থাকে। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ঘটকচর থেকে সমাদ্দার ব্রিজের পশ্চিমপাড় পর্যন্ত সড়কের ৪ কিলোমিটার অংশ জুড়ে অবস্থান নেয় মুক্তিযোদ্ধরা। ৯ ডিসেম্বর ভোর ৫টার দিকে পাক হানাদার বাহিনী গোলবারুদ, অস্ত্র ও কনভয়সহ বাঙালি দোসর রাজাকার, আলবদর, আলসামস ও মুজাহিদ বাহিনী নিয়ে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঘটকচর ব্রিজ পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের আক্রমণ শুরু করে। এ যুদ্ধে শহীদ হন মাদারীপুরের সর্বকনিষ্ঠ

মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু। যুদ্ধে ২০ পাক হানাদার সেনা নিহত হয়। তুমূল যুদ্ধ শেষে ১০ ডিসেম্বর বিকেলে আত্মসমর্পণ করে পাক হানাদার বাহিনী। বিজয় পতাকা উড়ে মাদারীপুরে।