ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিয়ের প্রলোভনে প্রতারণা ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা Logo গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন ‘জিএইউ ধান-৪’: স্বল্পমেয়াদে উচ্চ ফলনে নতুন সম্ভাবনা Logo সন্ধ্যা ৬টার আগেই দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রয়েছে। Logo মিলবে ছুটির সুযোগ টানা ৫ দিনের Logo নিখোঁজ মার্কিন বিমানসেনা নিয়ে রহস্য ঘনীভূত করছে ইরান Logo জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন না ঘটাতে দাবি ব্যবসায়ীদের : অর্থমন্ত্রী Logo সরকারি নির্ধারিত মূল্য উপেক্ষা করে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি চলছে ইচ্ছেমতো Logo চুয়াডাঙ্গায় এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড Logo পাকিস্তানের রাজধানীতে জ্বালানি সংকটের কারণে সব গণপরিবহনে ভাড়া মওকুফ ঘোষণা Logo ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মার্কিন স্থাপনায় ইরাকি মিলিশিয়াদের বড় হামলার শঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের

ত্রয়োদশ সংসদে বিএনপির ৬২.০২% ও জামায়াতের ১৫.৯৪% এমপি ঋণে জড়িত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৩৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। সোমাবার ।। ১৬.০২.২০২৬ ।।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের ঘোষিত মোট দায় বা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা, যা পূর্ববর্তী চারটি সংসদের তুলনায় সর্বোচ্চ। এই তথ্য জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্যদের ৬২.০২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামীর ১৫.৯৪ শতাংশ সদস্য দায় ও ঋণগ্রস্ত।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নবম জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যদের মোট দায় বা ঋণ ছিল ১ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। এর পরিমাণ দশম সংসদে বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৬২৪ কোটি, একাদশ সংসদে ৬ হাজার ৪২৩ কোটি এবং দ্বাদশ সংসদে ১০ হাজার ৩৯২ কোটি টাকায়। সর্বশেষ ত্রয়োদশ সংসদে এই অঙ্ক আরও বৃদ্ধি পেয়ে ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

দলভিত্তিক হিসেবে, ত্রয়োদশ সংসদের প্রায় অর্ধেক সদস্য দায় বা ঋণগ্রস্ত। বিএনপির এমপিদের মধ্যে এই হার ৬২.০২ শতাংশ, আর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১৫.৯৪ শতাংশ।

সংসদভিত্তিক তুলনায় দেখা যায়, নবম সংসদে দায় ও ঋণগ্রস্ত সদস্যের হার ছিল ৫৩.৬৮ শতাংশ, দশম সংসদে ৫৬.০১ শতাংশ, একাদশ সংসদে ৫১.৩০ শতাংশ, দ্বাদশ সংসদে ৫২ শতাংশ এবং ত্রয়োদশ সংসদে তা সামান্য কমে ৪৯.৮৩ শতাংশে এসেছে।

এছাড়া, টিআইবি জানিয়েছে, নির্বাচিত সদস্যদের ৬৭.৩৪ শতাংশের বার্ষিক আয় ১০ লাখ টাকার বেশি। ৪৮ জনের বার্ষিক আয় কোটি টাকার ওপরে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের প্রায় ৯৯ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। এর মধ্যে প্রচারণার সময় তথ্যবিহীন প্রচারণামূলক উপকরণ ব্যবহার, যানবাহনসহ মিছিল, মশাল মিছিল ও শো-ডাউন, এবং পাঁচজনের বেশি সমর্থক নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া মতো লঙ্ঘন অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া প্রতিপক্ষ প্রার্থীর পোস্টার, ব্যানার বা ফেস্টুন ক্ষতি করার ঘটনা পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছ।

টিআইবির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, মোট ৫৮টি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সব দলের প্রার্থীই অংশগ্রহণ করেছেন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এ ধরনের প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।

ট্যাগস :

ত্রয়োদশ সংসদে বিএনপির ৬২.০২% ও জামায়াতের ১৫.৯৪% এমপি ঋণে জড়িত

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। সোমাবার ।। ১৬.০২.২০২৬ ।।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের ঘোষিত মোট দায় বা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা, যা পূর্ববর্তী চারটি সংসদের তুলনায় সর্বোচ্চ। এই তথ্য জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্যদের ৬২.০২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামীর ১৫.৯৪ শতাংশ সদস্য দায় ও ঋণগ্রস্ত।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নবম জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যদের মোট দায় বা ঋণ ছিল ১ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। এর পরিমাণ দশম সংসদে বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৬২৪ কোটি, একাদশ সংসদে ৬ হাজার ৪২৩ কোটি এবং দ্বাদশ সংসদে ১০ হাজার ৩৯২ কোটি টাকায়। সর্বশেষ ত্রয়োদশ সংসদে এই অঙ্ক আরও বৃদ্ধি পেয়ে ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

দলভিত্তিক হিসেবে, ত্রয়োদশ সংসদের প্রায় অর্ধেক সদস্য দায় বা ঋণগ্রস্ত। বিএনপির এমপিদের মধ্যে এই হার ৬২.০২ শতাংশ, আর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১৫.৯৪ শতাংশ।

সংসদভিত্তিক তুলনায় দেখা যায়, নবম সংসদে দায় ও ঋণগ্রস্ত সদস্যের হার ছিল ৫৩.৬৮ শতাংশ, দশম সংসদে ৫৬.০১ শতাংশ, একাদশ সংসদে ৫১.৩০ শতাংশ, দ্বাদশ সংসদে ৫২ শতাংশ এবং ত্রয়োদশ সংসদে তা সামান্য কমে ৪৯.৮৩ শতাংশে এসেছে।

এছাড়া, টিআইবি জানিয়েছে, নির্বাচিত সদস্যদের ৬৭.৩৪ শতাংশের বার্ষিক আয় ১০ লাখ টাকার বেশি। ৪৮ জনের বার্ষিক আয় কোটি টাকার ওপরে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের প্রায় ৯৯ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। এর মধ্যে প্রচারণার সময় তথ্যবিহীন প্রচারণামূলক উপকরণ ব্যবহার, যানবাহনসহ মিছিল, মশাল মিছিল ও শো-ডাউন, এবং পাঁচজনের বেশি সমর্থক নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া মতো লঙ্ঘন অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া প্রতিপক্ষ প্রার্থীর পোস্টার, ব্যানার বা ফেস্টুন ক্ষতি করার ঘটনা পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছ।

টিআইবির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, মোট ৫৮টি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সব দলের প্রার্থীই অংশগ্রহণ করেছেন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এ ধরনের প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।