ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়কের পিতার ইন্তেকাল: সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে জানাজা সম্পন্ন! Logo পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পর ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্কে রুমিন ফারহানা Logo বিয়ের প্রলোভন ও অশ্লীল ভিডিওর ভয় দেখিয়ে নারী নির্যাতন: পটুয়াখালীতে জাহাঙ্গীর গাজীর বিরুদ্ধে ভূক্তোভূগীর সংবাদ সম্মেলন। Logo ৮,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ও স্মার্ট ফিচারে ভিভো ওয়াই৩২ Logo সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে? বিরোধী দলীয় নেতার প্রশ্ন Logo সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে শিশু চোর সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে হত্যা Logo তিনবার মনোনয়ন পেয়েও অস্কার জোটেনি, এবার যে সম্মাননা পাচ্ছেন টম ক্রুজ Logo স্পেনের রাজপরিবারের সম্মাননা পাচ্ছেন মেসি Logo ‘মহানবী (সা.)-এর অনুসারীর সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে’ ৫৭ বছর বয়সে ৫৮ সন্তানের বাবা সাদিক Logo সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গোলাগুলি

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্বমঞ্চে দীপ্তিমান হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৮৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বৃহস্পতিবার ।। ২৬.০২.২৬ ।।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অদূর ভবিষ্যতেই বিশ্বমঞ্চে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অর্জন করবে এবং বৈশ্বিক পরিসরে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে— এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের কৃতী ব্যক্তিদের হাতে ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দেওয়ার পর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্যচর্চাকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করা সময়ের দাবি। এই ক্ষেত্রগুলোকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি জানান। একুশে পদকের সূচনার ইতিহাস তুলে ধরে তিনি স্মরণ করেন যে, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম এ পদক চালু করেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, এ সম্মাননা কেবল পুরস্কার নয়; ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক তাৎপর্যপূর্ণ মাধ্যম। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় অবদান রাখা বিশিষ্টজনদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সেতুবন্ধন গড়ে তোলাই এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির অন্যতম উদ্দেশ্য। ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, একুশে ফেব্রুয়ারি জাতির আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক চেতনার প্রতীক। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পাশাপাশি এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। ফেব্রুয়ারিকে তিনি ‘শেকড়ের সন্ধানের মাস’ আখ্যা দিয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের আত্মত্যাগ মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার প্রার্থনা জানান। সুশাসনভিত্তিক উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা, গবেষণা ও সৃজনশীল চর্চাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা জরুরি। তিনি জানান, নৈতিক মানসম্পন্ন ও জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে তিনি গুণীজনদের অবদান নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্বমঞ্চে দীপ্তিমান হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বৃহস্পতিবার ।। ২৬.০২.২৬ ।।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অদূর ভবিষ্যতেই বিশ্বমঞ্চে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অর্জন করবে এবং বৈশ্বিক পরিসরে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে— এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের কৃতী ব্যক্তিদের হাতে ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দেওয়ার পর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্যচর্চাকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করা সময়ের দাবি। এই ক্ষেত্রগুলোকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি জানান। একুশে পদকের সূচনার ইতিহাস তুলে ধরে তিনি স্মরণ করেন যে, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম এ পদক চালু করেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, এ সম্মাননা কেবল পুরস্কার নয়; ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক তাৎপর্যপূর্ণ মাধ্যম। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় অবদান রাখা বিশিষ্টজনদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সেতুবন্ধন গড়ে তোলাই এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির অন্যতম উদ্দেশ্য। ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, একুশে ফেব্রুয়ারি জাতির আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক চেতনার প্রতীক। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পাশাপাশি এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। ফেব্রুয়ারিকে তিনি ‘শেকড়ের সন্ধানের মাস’ আখ্যা দিয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের আত্মত্যাগ মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার প্রার্থনা জানান। সুশাসনভিত্তিক উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা, গবেষণা ও সৃজনশীল চর্চাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা জরুরি। তিনি জানান, নৈতিক মানসম্পন্ন ও জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে তিনি গুণীজনদের অবদান নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।