ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কেটিসিসিএলের উন্নয়ন ও সম্পত্তি উদ্ধারে সহযোগিতা চাইলেন চেয়ারম্যান Logo দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে আগে রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী Logo লাকসামে কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, চট্টগ্রাম-ঢাকা রেল যোগাযোগ বন্ধ Logo শাড়ি-গাজরায় স্নিগ্ধ জয়া, ক্যাপশনে ‘পিরিতের বেদনা’ Logo সূর্যবংশীর পতনের মঞ্চ তৈরি করছে নিউজিল্যান্ড Logo ইশরাকের পদত্যাগ কার্যকর, প্রজ্ঞাপন জারি Logo ৪৩ বছর পর আগামী জুনে সিএনএন ছাড়ছেন ক্রিশ্চিয়ান আমানপুর Logo সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo পটুয়াখালীর ঐতিহাসিক ভারানী খাল এখন কচুরিপানার জঙ্গল: ডেঙ্গু ঝুঁকিতে সবুজবাগ,আরামবাগ, কালিকাপুর বাসিন্দারা! Logo গাজীপুরে নদী থেকে বালু তুলে জলাশয় ভরাট, ড্রেজার ধ্বংস করল প্রশাসন

“ভারতে ইরানি যুদ্ধজাহাজ নোঙরের ঘটনায় বিভ্রান্তি, জয়শঙ্করের মন্তব্যে সংসদে তোলপাড়”

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬ ৩০৪ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। সোমবার ।। ০৯.০৩.২০২৬ ।।

ভারতে ইরানি যুদ্ধজাহাজ নোঙরের বিষয়কে কেন্দ্র করে সংসদে বিভ্রান্তি ও প্রশ্নবাণ

নয়াদিল্লি – কোচি বন্দরে ইরানি যুদ্ধজাহাজ নোঙর করার বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক বক্তব্যে নতুন বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বিষয়টি ভারতের সংসদের উভয় কক্ষে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। সোমবার (৯ মার্চ) সংসদে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় জয়শঙ্কর জানান, ইরান ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারতের কাছে অনুরোধ জানায় তাদের তিনটি জাহাজ কোচি বন্দরে নোঙর করতে। ভারত ১ মার্চ সেই অনুমতি দেয়। কিন্তু পরবর্তী অংশে তিনি কেবলমাত্র ‘আইরিস লাভান’ নামের একটি জাহাজের ৪ মার্চের নোঙরের তথ্য উল্লেখ করেন। জাহাজটির ক্রুরা বর্তমানে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি স্থাপনায় অবস্থান করছেন। এই বক্তব্যের পর সংসদ সদস্যরা বিভ্রান্ত হন, কারণ বাকি দুটি জাহাজের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। জয়শঙ্কর ব্যাখ্যা করেননি, কেন তিনটির মধ্যে কেবল একটি জাহাজকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং অন্য দুটি জাহাজ বর্তমানে কোথায় আছে। বিরোধী দলগুলো পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চাইলেও তাদের দাবি পূরণ করা হয়নি। এর ফলে সংসদে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। জয়শঙ্কর তখন তার লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং ভারতের অবস্থান তিনটি মূল দিক থেকে তুলে ধরেন। প্রথমত, ভারত সবসময় শান্তির পক্ষে এবং আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানকে উৎসাহ দেয়। দ্বিতীয়ত, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসরত ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়ত, জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোতে সরকার সতর্ক। জয়শঙ্কর আরও জানান, ওই অঞ্চলে প্রায় এক কোটি ভারতীয় বসবাস করছেন। ইতোমধ্যে প্রায় ৬৭ হাজার ভারতীয় দেশে ফিরেছেন, আর যারা এখনও রয়েছেন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

ট্যাগস :

“ভারতে ইরানি যুদ্ধজাহাজ নোঙরের ঘটনায় বিভ্রান্তি, জয়শঙ্করের মন্তব্যে সংসদে তোলপাড়”

আপডেট সময় : ০৫:২২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। সোমবার ।। ০৯.০৩.২০২৬ ।।

ভারতে ইরানি যুদ্ধজাহাজ নোঙরের বিষয়কে কেন্দ্র করে সংসদে বিভ্রান্তি ও প্রশ্নবাণ

নয়াদিল্লি – কোচি বন্দরে ইরানি যুদ্ধজাহাজ নোঙর করার বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক বক্তব্যে নতুন বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বিষয়টি ভারতের সংসদের উভয় কক্ষে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। সোমবার (৯ মার্চ) সংসদে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় জয়শঙ্কর জানান, ইরান ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারতের কাছে অনুরোধ জানায় তাদের তিনটি জাহাজ কোচি বন্দরে নোঙর করতে। ভারত ১ মার্চ সেই অনুমতি দেয়। কিন্তু পরবর্তী অংশে তিনি কেবলমাত্র ‘আইরিস লাভান’ নামের একটি জাহাজের ৪ মার্চের নোঙরের তথ্য উল্লেখ করেন। জাহাজটির ক্রুরা বর্তমানে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি স্থাপনায় অবস্থান করছেন। এই বক্তব্যের পর সংসদ সদস্যরা বিভ্রান্ত হন, কারণ বাকি দুটি জাহাজের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। জয়শঙ্কর ব্যাখ্যা করেননি, কেন তিনটির মধ্যে কেবল একটি জাহাজকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং অন্য দুটি জাহাজ বর্তমানে কোথায় আছে। বিরোধী দলগুলো পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চাইলেও তাদের দাবি পূরণ করা হয়নি। এর ফলে সংসদে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। জয়শঙ্কর তখন তার লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং ভারতের অবস্থান তিনটি মূল দিক থেকে তুলে ধরেন। প্রথমত, ভারত সবসময় শান্তির পক্ষে এবং আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানকে উৎসাহ দেয়। দ্বিতীয়ত, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসরত ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়ত, জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিষয়গুলোতে সরকার সতর্ক। জয়শঙ্কর আরও জানান, ওই অঞ্চলে প্রায় এক কোটি ভারতীয় বসবাস করছেন। ইতোমধ্যে প্রায় ৬৭ হাজার ভারতীয় দেশে ফিরেছেন, আর যারা এখনও রয়েছেন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।