ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শাড়ি-গাজরায় স্নিগ্ধ জয়া, ক্যাপশনে ‘পিরিতের বেদনা’ Logo সূর্যবংশীর পতনের মঞ্চ তৈরি করছে নিউজিল্যান্ড Logo ইশরাকের পদত্যাগ কার্যকর, প্রজ্ঞাপন জারি Logo ৪৩ বছর পর আগামী জুনে সিএনএন ছাড়ছেন ক্রিশ্চিয়ান আমানপুর Logo সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo পটুয়াখালীর ঐতিহাসিক ভারানী খাল এখন কচুরিপানার জঙ্গল: ডেঙ্গু ঝুঁকিতে সবুজবাগ,আরামবাগ, কালিকাপুর বাসিন্দারা! Logo গাজীপুরে নদী থেকে বালু তুলে জলাশয় ভরাট, ড্রেজার ধ্বংস করল প্রশাসন Logo সৌদিতে বাংলাদেশি যুবক নজরুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, শোকে প্রাণ গেল ফুফুর Logo তথ্য পেয়েও ছুটতে পারে না ডিএনসি Logo বাংলাদেশে শাওমি টিভি এস প্রো মিনি এলইডি ও শাওমি টিভি এক্স মিনি এলইডি নিয়ে এলো শাওমি

ভারতীয় মিডিয়ার আচরণ স্বাভাবিক সম্পর্কের জন্য সহায়ক নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৮:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪ ৩২২ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো যে ভূমিকা নিয়েছে সেটি দুই দেশে মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় সহায়ক নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।শনিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক: প্রত্যাশা, প্রতিবন্ধকতা এবং ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। উপদেষ্টা বলেন, এটি আমি শুরু থেকেই বলে আসছি যে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যু এবং পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া যেভাবে প্রচার–প্রচারণা চালাচ্ছে, সেটি দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় সহায়ক নয়।

এ সময় তিনি দেশীয় গণমাধ্যমের উদ্দেশে বলেন, তিনি মনে করেন, দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর একটি কাজ হওয়া উচিত, ভারতীয় মিডিয়ার মিথ্যাচার তুলে আনা। তাদের এই বিষয়গুলো শক্তভাবে উপস্থাপন করা দরকার। এ সময় সীমান্ত হত্যা নিয়েও কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, আমি অনেক দেশ ঘুরেছি। সব দেশেই অপরাধী আছে কিন্তু আপনি সীমান্তে গুলি করে মেরে ফেলতে পারেন না। ভারতের উচিত, সীমান্তে অপরাধীকে ধরা এবং তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া ও প্রচলিত আইনে বিচার করা।জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় ঐক্য না থাকার কারণে আমরা পিছিয়েছি। জাতীয় স্বার্থে আমাদের অবশ্যই জাতীয় ঐকমত্য দরকার।

প্রতিবেশী বা শক্তিশালী দেশগুলোর প্রভাব বিস্তার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, প্রভাব বিস্তার থাকবেই। এসব মোকাবিলার জন্য আমাদের ঘর গোছাতে হবে, যাতে কেউ অযাচিত প্রভাব বিস্তার করতে না পারে।বাংলাদশে কারও জন্য থ্রেট নয় দাবি করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আবার আমরা কাউকে আমাদের জন্য থ্রেট হতে দিতে পারি না। আমাদের মূল উদ্দেশ্য থাকবে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সক্ষমতা বাড়ানো।’

ট্যাগস :

ভারতীয় মিডিয়ার আচরণ স্বাভাবিক সম্পর্কের জন্য সহায়ক নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৩:১৮:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো যে ভূমিকা নিয়েছে সেটি দুই দেশে মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় সহায়ক নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।শনিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক: প্রত্যাশা, প্রতিবন্ধকতা এবং ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। উপদেষ্টা বলেন, এটি আমি শুরু থেকেই বলে আসছি যে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যু এবং পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া যেভাবে প্রচার–প্রচারণা চালাচ্ছে, সেটি দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় সহায়ক নয়।

এ সময় তিনি দেশীয় গণমাধ্যমের উদ্দেশে বলেন, তিনি মনে করেন, দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর একটি কাজ হওয়া উচিত, ভারতীয় মিডিয়ার মিথ্যাচার তুলে আনা। তাদের এই বিষয়গুলো শক্তভাবে উপস্থাপন করা দরকার। এ সময় সীমান্ত হত্যা নিয়েও কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, আমি অনেক দেশ ঘুরেছি। সব দেশেই অপরাধী আছে কিন্তু আপনি সীমান্তে গুলি করে মেরে ফেলতে পারেন না। ভারতের উচিত, সীমান্তে অপরাধীকে ধরা এবং তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া ও প্রচলিত আইনে বিচার করা।জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় ঐক্য না থাকার কারণে আমরা পিছিয়েছি। জাতীয় স্বার্থে আমাদের অবশ্যই জাতীয় ঐকমত্য দরকার।

প্রতিবেশী বা শক্তিশালী দেশগুলোর প্রভাব বিস্তার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, প্রভাব বিস্তার থাকবেই। এসব মোকাবিলার জন্য আমাদের ঘর গোছাতে হবে, যাতে কেউ অযাচিত প্রভাব বিস্তার করতে না পারে।বাংলাদশে কারও জন্য থ্রেট নয় দাবি করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আবার আমরা কাউকে আমাদের জন্য থ্রেট হতে দিতে পারি না। আমাদের মূল উদ্দেশ্য থাকবে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সক্ষমতা বাড়ানো।’