নিজস্ব প্রতিনিধি:
২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শুরু হয়েছিলো একটি সংঘাত যা এখনো চলমান। আন্তর্জাতিকভাবে ইউক্রেনের অংশ হিসেবে স্বীকৃত ক্রিমিয়ার অবস্থা ও দনবাসের কিছু অংশকে কেন্দ্র করে ঘটে। এই যুদ্ধকে হাইব্রিড যুদ্ধ বলা হয়।
তবে এত যুদ্ধ ও হতাহতের মধ্যে থেকেও ইউক্রেন যেন এখনো শক্তিশালী। যার প্রমাণ আমরা সোমবার (১২ জুন) জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ইউক্রেন-জার্মানির আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে পেয়েছি। ম্যাচে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের রুখে দিয়েছিলো যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেন। ৩-৩ গোল করে ম্যাচের লম্বা সময় লিড ধরে রেখেছিলো দলটি। ঘরের মাঠে হারতে হারতে প্রাণ বাঁচানোর মতো অবস্থা ছিলো জার্মানির। অন্তিম মুহূর্তে পৌঁছে মান বাঁচিয়ে নিলো তারা।
জার্মানির বিপক্ষে জয়ের পথে থাকা শক্তিশালী ইউক্রেন তালগোল পাকিয়ে শেষ পর্যন্ত ড্র করে। ম্যাচের প্রথমদিকে জার্মানি এগিয়ে থাকলেও ১৮তম মিনিটে সমতায় ফেরে ইউক্রেন। চার মিনিট পর জার্মান দর্শকদের স্তব্ধ করে দেয় দলটি। আন্তোনিও রুডিগারের নিজের গোলে এগিয়ে যায় তারা।
বিরতির পর, ৫৬তম মিনিটে নিজেদের একটি মারাত্মক ভুল জার্মানির প্রত্যাবর্তন আরও কঠিন করে তোলে। বক্সে সতীর্থের ব্যাক-পাস নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হন ম্যাথিয়াস গিন্টার। দ্বিতীয়ার্ধে বিকল্প হিসেবে ৮৩তম মিনিটে ঘাটতি কমিয়ে আনেন কাই হাভার্টজ। রুডিগারের উঁচু করা বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিখুঁত শটে জালে পাঠান তিনি।
এক মিনিট বাকি থাকতেই পেনাল্টি পায় জার্মানি। হাভার্টজকে ফাউল করেন ইউক্রেন ডিফেন্ডার এডুয়ার্ড সোবল। সফল স্পট কিকে সমতা ফেরান জসুয়া কিমিখ।
প্রীতি এই ম্যাচটিতে জার্মানের জয় দেখা গেলেও যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের খেলা অবাক করে দেয় জার্মান দর্শকদের। এই শক্তিশালী রূপে ভরা মাঠের দর্শকদের মন জয় করে নেয় ইউক্রেন।