
পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্য মাদক-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেই সর্বপ্রথম আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের ডোপ টেস্ট করিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সোমবার (৪ আগস্ট) বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল, তথ্যভিত্তিক ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা পুলিশের কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও বলেন, মাদক, সন্ত্রাসবাদ, কিশোর গ্যাং এবং বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি গণমাধ্যমের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। এ সময় তিনি জোর দিয়ে বলেন, "পুলিশের কোনো সদস্য যদি মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এর আগে একই দিনে বাগেরহাট নতুন পুলিশ লাইন্স প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি। "সবুজে সবুজে ভরবো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেখানে ২০০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝেও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মো. নাছের রিকাবদারের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সহকারী পুলিশ সুপার, জেলার বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে ডিআইজি আশা প্রকাশ করেন, পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি যেমন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে, তেমনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও গণমাধ্যমের পারস্পরিক সহযোগিতাও আরও শক্তিশালী হবে।