প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ১৫, ২০২৬, ১১:৪১ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ১৪, ২০২৬, ৬:৩২ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস সংকটের নেপথ্যে কারা? ডিজিএমকে ঘিরে নানা প্রশ্ন

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস সংকট চরমে পৌঁছেছে। জেলার সবকটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও সাধারণ যাত্রীরা। তবে চলমান সংকটের পাশাপাশি বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের স্থানীয় ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন।
বাখরাবাদ গ্যাসের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার ডিজিএম প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল হককে ঘিরে অতীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও লেনদেনসংক্রান্ত মামলার অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি ডিজিএম হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরও বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ থাকার অভিযোগ উঠছে। ফলে বৈধ গ্রাহকরাই গ্যাস সংকটে পড়ছেন বলে মনে করছেন সচেতন মহলের কেউ কেউ।
অভিযোগ রয়েছে, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও বিভিন্ন এলাকায় আবারও নতুন সংযোগ স্থাপনের ঘটনা ঘটছে। এসব সংযোগের সঙ্গে কারা জড়িত এবং দায়িত্বশীল কারও গাফিলতি বা যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে গ্যাস সংকটের কারণে বুধবার থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে সরবরাহ কমে যায় এবং বৃহস্পতিবার রাত থেকে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। স্বাভাবিক সময়ে পাঁচটি ফিলিং স্টেশনে প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে সরবরাহ বন্ধ থাকায় সিএনজি অটোরিকশার চলাচল কমেছে। কোথাও এলপিজি ব্যবহার করে অটোরিকশা চললেও বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
বাখরাবাদ গ্যাসের ডিজিএম প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল হক কে একাধিকবার ফোন করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই এলএনজি সংকট, নাকি অবৈধ সংযোগ ও স্থানীয় বিতরণ ব্যবস্থাপনার অনিয়মও এর পেছনে ভূমিকা রাখছে?
অতীতের অভিযোগ, বর্তমান অবৈধ সংযোগ এবং চলমান গ্যাস সংকট,সবকিছু মিলিয়ে বাখরাবাদ গ্যাসের ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের কার্যক্রম নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।
Copyright © 2026 বাংলাদেশ কন্ঠ. All rights reserved.