নিজস্ব প্রতিনিধি:
বাড়িতে বিড়াল বা কুকুর পোষা এখন একটি শখ হয়ে উঠেছে। কিন্তু আপনার প্রিয় তুলতুলে নতুন পোষা বন্ধুও কিছু ঝামেলার কারণ হতে পারে। অধিকাংশ সময় তা স্বাস্থ্যগত হয়ে থাকে।
পোষা প্রাণী অ্যালার্জির সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। অনেকেই মনে করেন, এসব সমস্যা হলে পোষা প্রাণী রাখা যাবে না। তবে একটু সতর্ক থাকলে সমস্যাগুলো এড়ানো যায়। কিভাবে এই সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পাবেন? বা কি করা যায়? চলুন জেনে নেয়া যাক-
আজকাল অ্যালার্জির মাত্রা বেড়েই চলেছে। অন্তত ত্রিশ বছর আগেও এমন ছিল না। এর কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ আমরা জানি না। কিন্তু শারীরিক ব্যায়াম ও স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবে এমনটা হয়। বিশেষ করে পোষা প্রাণীর শরীরে কিছু অণুজীব বাস করে। খুব ছোট বয়সে কোনো শিশু যদি পোষা প্রাণীর সংস্পর্শে থাকলে এলার্জির সমস্যা হয় না। মূলত মাইক্রোবের সঙ্গে মানিয়ে না নেওয়ার প্রবণতাই দায়ী।
পোষা প্রাণীর প্রোটিন অ্যালার্জেন আপনার অ্যালার্জির একটি প্রধান কারণ। সিক্রেটোগ্লোবিন, লাইপোক্যালিনস, ক্যালিক্রেইন নামের তিনটি প্রোটিন মূলত এই অ্যালার্জির জন্য দায়ী। বাইরের অনেক জিনিস থেকেই আপনার পোষা প্রাণী এমন কিছু উপাদান বহন করতে পারে যার কারনে অ্যালার্জি হতে পারে। সেগুলোর ব্যাপারে লক্ষ্য রাখুন। অনেক সময় পোষা প্রাণীরা নোংরা জায়গায় অবাধ প্রবেশাধিকার পেলে তাদের শরীরে অনেক খারাপ জীবাণু বহন করে নিয়ে আসে তাই তাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করুন।