ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী, বোর্ডভিত্তিক সংখ্যা কত Logo দেশের বর্তমান গ্যাস মজুত দিয়ে আগামী ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভবঃ জ্বালানিমন্ত্রী Logo কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে আবারও ভেসে এলো মৃত ইরাবতী ডলফিন Logo কুমিল্লা চান্দিনায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা, পথচারী নিহত Logo বসত বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হলো ১২শত লিটার পেট্রোল, গ্রেপ্তার-৩ Logo বরিশালে রডের বদলে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজের ঢালাই নিয়ে তোলপাড় Logo রাজাপুরের বড়ইয়া ইউনিয়নের চল্লিশ কাহনিয়া উত্তমপুর দাখিল মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত Logo বনানীর একটি বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট Logo গাজীপুরে তরুণদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান Logo ক্যাম্পাস নিরাপত্তা জোরদারে গাকৃবিতে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

৬টি পারমাণবিক বোমা হারিয়েছে মার্কিন সেনারা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ১৩১ বার পঠিত

পারমাণবিক হামলা চালানোর প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বুধবার ।। ১১ মার্চ ২০২৬ ।।

বিশ্বে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নিখোঁজ ছয়টি পারমাণবিক বোমা

বিশ্বের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক হঠাৎ দুর্ঘটনার ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত ছয়টি শক্তিশালী বোমার অবস্থান এখনও অজানা। এই ঘটনাগুলো ‘ব্রোকেন অ্যারো’ হিসাবে পরিচিত ৩২টি পারমাণবিক দুর্ঘটনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য। নিখোঁজ এই অস্ত্রগুলো নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এই বোমাগুলো কীভাবে নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা গভীরভাবে চিন্তিত। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়ের হুমকিসহ ‘মৃত্যু ও ধ্বংস’-ধরনের কূটনৈতিক আভাস এই শঙ্কাকে আরও বাড়াচ্ছে। উত্তেজনা মোকাবিলার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক বহনকারী বিমান ‘ডুমসডে প্লেন’ ইরানের দিকে পাঠিয়েছে। বোয়িং ৭০৭-ভিত্তিক এই বিমানগুলো মূলত পারমাণবিক হামলা পরিচালনা এবং তা প্রতিহত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও মার্কিন সেনারা হারানো বোমাগুলো খুঁজে পায়নি, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে এগুলো অন্য কোনো রাষ্ট্রও খুঁজে পাবে না। তবুও, সমুদ্রের তলদেশ বা দুর্গম অঞ্চলে পড়ে থাকা এই অস্ত্রগুলোর ধ্বংস ক্ষমতা কোটি কোটি মানুষের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এই নিখোঁজ অস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি বিশেষ নজরকাড়া ঘটনা ঘটেছিল ১৯৫৮ সালে টাইবি দ্বীপের কাছে। তখন একটি বি-৪৭ হাইড্রোজেন বোমা বহনকারী বিমান mid-air সংঘর্ষের পর ‘মার্ক ১৫’ হাইড্রোজেন বোমা সাগরে ফেলে দেয়। প্রাথমিকভাবে এটি একটি ডামি বোমা বলে মনে করা হলেও পরবর্তীতে জানা যায়, এটি সম্পূর্ণ কার্যক্ষম একটি পারমাণবিক অস্ত্র ছিল। এরপর আরও পাঁচটি বোমা বিভিন্ন দুর্গম স্থানে বা সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে গেছে এবং আজ পর্যন্ত উদ্ধার সম্ভব হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান সময়ে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং হারানো অস্ত্রগুলোর ঝুঁকি মিলিয়ে বিশ্বকে নতুন ধরনের অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যদি কোনো রাষ্ট্র বা পক্ষ এই নিখোঁজ বোমাগুলো পুনরায় সনাক্ত করতে সক্ষম হয়, তা বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। পুরনো ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনাগুলো শুধুই ইতিহাস নয়, বরং আধুনিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে এখনও জীবন্ত হুমকি হিসেবে থেকে যাচ্ছে। যতদিন এই ছয়টি বোমার অবস্থান নিশ্চিতভাবে জানা যাবে না, ততদিন পর্যন্ত এগুলো যেকোনো পক্ষকে আকস্মিক পারমাণবিক শক্তির অধিকারী করার সম্ভাবনা রাখে।

সূত্র: মিরর ইউএস

ট্যাগস :

৬টি পারমাণবিক বোমা হারিয়েছে মার্কিন সেনারা

আপডেট সময় : ০২:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বুধবার ।। ১১ মার্চ ২০২৬ ।।

বিশ্বে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নিখোঁজ ছয়টি পারমাণবিক বোমা

বিশ্বের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক হঠাৎ দুর্ঘটনার ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত ছয়টি শক্তিশালী বোমার অবস্থান এখনও অজানা। এই ঘটনাগুলো ‘ব্রোকেন অ্যারো’ হিসাবে পরিচিত ৩২টি পারমাণবিক দুর্ঘটনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য। নিখোঁজ এই অস্ত্রগুলো নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এই বোমাগুলো কীভাবে নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা গভীরভাবে চিন্তিত। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়ের হুমকিসহ ‘মৃত্যু ও ধ্বংস’-ধরনের কূটনৈতিক আভাস এই শঙ্কাকে আরও বাড়াচ্ছে। উত্তেজনা মোকাবিলার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক বহনকারী বিমান ‘ডুমসডে প্লেন’ ইরানের দিকে পাঠিয়েছে। বোয়িং ৭০৭-ভিত্তিক এই বিমানগুলো মূলত পারমাণবিক হামলা পরিচালনা এবং তা প্রতিহত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও মার্কিন সেনারা হারানো বোমাগুলো খুঁজে পায়নি, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে এগুলো অন্য কোনো রাষ্ট্রও খুঁজে পাবে না। তবুও, সমুদ্রের তলদেশ বা দুর্গম অঞ্চলে পড়ে থাকা এই অস্ত্রগুলোর ধ্বংস ক্ষমতা কোটি কোটি মানুষের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এই নিখোঁজ অস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি বিশেষ নজরকাড়া ঘটনা ঘটেছিল ১৯৫৮ সালে টাইবি দ্বীপের কাছে। তখন একটি বি-৪৭ হাইড্রোজেন বোমা বহনকারী বিমান mid-air সংঘর্ষের পর ‘মার্ক ১৫’ হাইড্রোজেন বোমা সাগরে ফেলে দেয়। প্রাথমিকভাবে এটি একটি ডামি বোমা বলে মনে করা হলেও পরবর্তীতে জানা যায়, এটি সম্পূর্ণ কার্যক্ষম একটি পারমাণবিক অস্ত্র ছিল। এরপর আরও পাঁচটি বোমা বিভিন্ন দুর্গম স্থানে বা সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে গেছে এবং আজ পর্যন্ত উদ্ধার সম্ভব হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান সময়ে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং হারানো অস্ত্রগুলোর ঝুঁকি মিলিয়ে বিশ্বকে নতুন ধরনের অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যদি কোনো রাষ্ট্র বা পক্ষ এই নিখোঁজ বোমাগুলো পুনরায় সনাক্ত করতে সক্ষম হয়, তা বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। পুরনো ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনাগুলো শুধুই ইতিহাস নয়, বরং আধুনিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে এখনও জীবন্ত হুমকি হিসেবে থেকে যাচ্ছে। যতদিন এই ছয়টি বোমার অবস্থান নিশ্চিতভাবে জানা যাবে না, ততদিন পর্যন্ত এগুলো যেকোনো পক্ষকে আকস্মিক পারমাণবিক শক্তির অধিকারী করার সম্ভাবনা রাখে।

সূত্র: মিরর ইউএস