৩০০ আসনের ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে ইসি
- আপডেট সময় : ০১:৩৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩ ১৩৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ৩০০ আসনের ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক ভোটার তালিকার সিডি চূড়ান্ত করা হবে। এরপরই ঘোষণা করা হবে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল।
ইসি জানায়, এর আগে তরুণ ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া, যারা ভোটার এলাকা পরিবর্তন করবেন তাদেরও আর আবেদন করার সুযোগ দিচ্ছে না সংস্থাটি। এ লক্ষ্যে গত ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদনের সময় শেষ হয়েছে। এলাকা পরিবর্তন করতে হলে সংসদ নির্বাচনের পর করতে হবে।
ইসির নির্বাচন সহায়তা শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অধিদপ্তর থেকে উপজেলা বা থানাভিত্তিক ভোটার তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঠানো হয়। এরপর উপজেলা বা থানাভিত্তিক ছবিসহ ও ছবি ছাড়া ভোটার তালিকা নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য মাঠপর্যায়ে পাঠানো হয় ২৮ অক্টোবর। সবশেষে ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার জন্য হালনাগাদ ছবি ছাড়া ভোটার তালিকার সিডি প্রস্তুত করা হবে আজ ২ নভেম্বর। এই ছবি ছাড়া ভোটার তালিকার সিডি প্রার্থীদের কাছে সরবরাহ করা হয়। এক্ষেত্রে একটি অঙ্কের টাকা পরিশোধ করে আসনভিত্তিক ওই সিডি গ্রহণ করবেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। যেই সিডির ভিত্তিতেই প্রার্থীরা জানতে পারবেন কে তার ভোটার।
গত ১৬ আগস্ট ভোটকেন্দ্রের খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি। সেই তালিকার ওপর দাবি-আপত্তি জানাতে সময় দেওয়া হয়েছে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। দাবি-আপত্তি শুনানি শেষে তা নিষ্পত্তির শেষ সময় ১৭ সেপ্টেম্বর। আর ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয় ২৪ সেপ্টেম্বর।
সর্বশেষ ভোটার তালিকা অনুযায়ী দেশে ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ৪৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৭২৪ জন। আর নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৭ লাখ ৪ হাজার ৮৭৯ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৮৩৭ জন। তরুণ ভোটারদের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ তৈরি হওয়ায় এই সংখ্যা বাড়তে পারে।
ইসির তালিকা অনুযায়ী, এবার ৪২ হাজার ৪০০টি ভোটকেন্দ্র হতে পারে। আর ভোটকেন্দ্র হতে পারে দুই লাখ ৬১ হাজার ৫০০। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ভোটার ছিল ১০ কোটি ৪২ লাখ। এ সময় ৪০ হাজার ৬৫৭টি সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ৪০ হাজার ১৯৯টি কেন্দ্র যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত করা হয়েছে।





















