ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভারত সফর না হলে বাংলাদেশের জায়গায় খেলতে পারে স্কটল্যান্ড Logo বিশ্ববাজারে সোনার দামে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি: বাংলাদেশে নতুন দাম নিয়ে উদ্বেগ Logo বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক Logo ভারতীয় কোস্টগার্ডের হাতে ২৪ বাংলাদেশি জেলে: ট্রলারটি ছিল ‘এফবি সাফওয়ান’ Logo পাকিস্তান বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগে সমর্থন জানিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি স্থগিত করলো Logo শামীম ওসমান ও পুত্র অয়নসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি Logo করাচির গুল প্লাজায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড; মৃত ১৪ Logo শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা Logo সাবিনার জোড়া গোলে ভারতকে ধরাশয়ী করলো বাংলাদেশ Logo রানাপাশার ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার রুহের মাগফেরাতে দোয়া অনুষ্ঠান

২৫ বছর ধরে অপেক্ষায় কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪ ১৭৫ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে একটি নতুন সিনেমায় অভিনয়ের অপেক্ষায় আছেন তিনি।

১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘আম্মাজান’ সিনেমায় সর্বশেষ নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। এরপর তাকে আর কোনো সিনেমায় অভিনয়ে দেখা যায়নি বিগত ২৫ বছরে।

এটা সত্যিই অবাক করার মতো বিষয়ই বটে। তবে এটাই সত্যি যে, দীর্ঘ ২৫ বছর তার কাছে এমন কোনো মৌলিক গল্পের সিনেমাতে অভিনয়ের প্রস্তাব যায়নি যে, তাতে তিনি মুগ্ধ হয়ে অভিনয় করবেন।

একটা সময় ছিল যখন শবনমকে বাংলাদেশের দর্শক ‘হারানো দিন’, ‘চান্দা’, ‘তালাশ’, ‘নাচের পুতুল’-এর নায়িকা হিসেবেই বেশি চিনতেন। তারপর অবশ্য তিনি বাংলাদেশের ‘সন্ধি’, ‘শর্ত’, ‘সহধর্মিণী’, ‘যোগাযোগ’, ‘জুলি’,‘ বশিরা’, ‘দিল’সহ আরও অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পরবর্তী সময় অর্থাৎ ১৯৯৯ সালের ২৫ জুন কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘আম্মাজান’ সিনেমাটি মুক্তির পর থেকে আজ অবধি দর্শক তাকে ‘আম্মাজান’ হিসেবেই খুব সহজে চেনেন।

শবনম বলেন, আর কোনোদিন সিনেমায় অভিনয় করব কি না জানি না। তবে ইচ্ছে তো আছেই, গল্প মৌলিক হলে ভেবে দেখব। দেখতে দেখতে ৭৭টি বছর পার করে দিলাম। অথচ এখনো মনে হয় এই তো সেদিনের কথা, বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটছে, স্কুলে যাচ্ছি, ফিল্ম করছি। আর এখন ভাবলে মনে হয় কত সময় চলে গেছে জীবন থেকে।

তিনি বলেন, জীবনের কত রূপ দেখেছি, নানান বয়সে জীবনের সৌন্দর্যকে উপভোগ করেছি। কত কত মানুষের সঙ্গে পরিচয়, কত কিছু শিখেছি এক জীবনে, কত কোটি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। আবার হারিয়েছিও অনেক প্রিয়জনকে। সত্যি বলতে কী মৃত্যু পর্যন্ত জীবন সুখ-দুঃখের খেলা। এখনো সুস্থ আছি, ভালো আছি-এটাই কম কীসের। বয়স তো আর কম হলো না। সবার দোয়া ও ভালোবাসা চাই।

চলচ্চিত্রে আসার অনেক আগে থেকেই শবনম নাচের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে নাচ শিখতেন। এহতেশাম পরিচালিত ‘এদেশ তোমার আমার’ সিনেমাতে তখন একটি গানে বেশ কয়েকজন নাচের মেয়ের দরকার হয়ে পড়ে। তখন বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকেই কয়েকজনকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই দলে শবনমও ছিলেন। এরপর ‘রাজধানীর বুকে’ সিনেমাতে তিনি একটি একক নৃত্যে অংশগ্রহণ করেন। তার পরপরই এহতেশাম তাকে আর রহমানকে নিয়ে শুরু করেন ‘হারানো দিন’ সিনেমাটি। এরপর একে একে অনেক সিনেমাতে অভিনয় করেন শবনম।

ট্যাগস :

২৫ বছর ধরে অপেক্ষায় কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম

আপডেট সময় : ০৩:১১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে একটি নতুন সিনেমায় অভিনয়ের অপেক্ষায় আছেন তিনি।

১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘আম্মাজান’ সিনেমায় সর্বশেষ নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। এরপর তাকে আর কোনো সিনেমায় অভিনয়ে দেখা যায়নি বিগত ২৫ বছরে।

এটা সত্যিই অবাক করার মতো বিষয়ই বটে। তবে এটাই সত্যি যে, দীর্ঘ ২৫ বছর তার কাছে এমন কোনো মৌলিক গল্পের সিনেমাতে অভিনয়ের প্রস্তাব যায়নি যে, তাতে তিনি মুগ্ধ হয়ে অভিনয় করবেন।

একটা সময় ছিল যখন শবনমকে বাংলাদেশের দর্শক ‘হারানো দিন’, ‘চান্দা’, ‘তালাশ’, ‘নাচের পুতুল’-এর নায়িকা হিসেবেই বেশি চিনতেন। তারপর অবশ্য তিনি বাংলাদেশের ‘সন্ধি’, ‘শর্ত’, ‘সহধর্মিণী’, ‘যোগাযোগ’, ‘জুলি’,‘ বশিরা’, ‘দিল’সহ আরও অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পরবর্তী সময় অর্থাৎ ১৯৯৯ সালের ২৫ জুন কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘আম্মাজান’ সিনেমাটি মুক্তির পর থেকে আজ অবধি দর্শক তাকে ‘আম্মাজান’ হিসেবেই খুব সহজে চেনেন।

শবনম বলেন, আর কোনোদিন সিনেমায় অভিনয় করব কি না জানি না। তবে ইচ্ছে তো আছেই, গল্প মৌলিক হলে ভেবে দেখব। দেখতে দেখতে ৭৭টি বছর পার করে দিলাম। অথচ এখনো মনে হয় এই তো সেদিনের কথা, বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটছে, স্কুলে যাচ্ছি, ফিল্ম করছি। আর এখন ভাবলে মনে হয় কত সময় চলে গেছে জীবন থেকে।

তিনি বলেন, জীবনের কত রূপ দেখেছি, নানান বয়সে জীবনের সৌন্দর্যকে উপভোগ করেছি। কত কত মানুষের সঙ্গে পরিচয়, কত কিছু শিখেছি এক জীবনে, কত কোটি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। আবার হারিয়েছিও অনেক প্রিয়জনকে। সত্যি বলতে কী মৃত্যু পর্যন্ত জীবন সুখ-দুঃখের খেলা। এখনো সুস্থ আছি, ভালো আছি-এটাই কম কীসের। বয়স তো আর কম হলো না। সবার দোয়া ও ভালোবাসা চাই।

চলচ্চিত্রে আসার অনেক আগে থেকেই শবনম নাচের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে নাচ শিখতেন। এহতেশাম পরিচালিত ‘এদেশ তোমার আমার’ সিনেমাতে তখন একটি গানে বেশ কয়েকজন নাচের মেয়ের দরকার হয়ে পড়ে। তখন বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকেই কয়েকজনকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই দলে শবনমও ছিলেন। এরপর ‘রাজধানীর বুকে’ সিনেমাতে তিনি একটি একক নৃত্যে অংশগ্রহণ করেন। তার পরপরই এহতেশাম তাকে আর রহমানকে নিয়ে শুরু করেন ‘হারানো দিন’ সিনেমাটি। এরপর একে একে অনেক সিনেমাতে অভিনয় করেন শবনম।